সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় বিয়ের দাওয়াত খেয়ে ১২০ জন অসুস্থ হওয়ায় ঘটনা ঘটেছে। অসুস্থদের মধ্যে ৫০ জনকে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা বাড়িতে ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালে ভর্তিকৃতদের মধ্যে পাঁচজন অন্তঃসত্ত্বা নারী, ১০ জন শিশু, ২০ জন বৃদ্ধ, পাঁচজন বৃদ্ধা ও ১০ জন যুবক রয়েছেন।
গত শুক্রবার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের আকিলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, এলাকাবাসী এবং বর-কনে পক্ষের লোকজন জানায়, গত শুক্রবার দুপুরে উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের সুলাখালী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিয়ে বাড়িতে ১৫০ জন বরযাত্রী ও কনে পক্ষের লোকজনসহ দুপক্ষের প্রায় ৩০০ জন লোককে দুপুরের খাওয়ার খাওয়ানো হয়। এতে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই অধিকাংশ লোকের পেট ব্যথা ও ডায়রিয়া শুরু হয়। এরপর ৫০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবহন ধর্মঘটের কারণে গাড়ি না থাকায় অনেক কষ্টে তাদেরকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে পিকআপের মাধ্যমে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
মঙ্গলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় দাওয়াত খেয়ে দুপক্ষের প্রায় ১২০ জন লোক অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়েছি। কনের বাবার সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন বাবুর্চির কথামতো পণ্য কিনে খাবারের আয়োজন করেছি। তারপরও খাদ্যে বিষক্রিয়ার তিনি সহ অনেকগুলো লোক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডা. উৎপল দাশ বলেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত বেশ কিছু লোক সোনাগাজী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় বরের মামা দুলাল হোসেন বিয়ের অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেয়ে উভয় পক্ষের প্রায় ১২০ জন লোক অসুস্থ হওয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় বিয়ের দাওয়াত খেয়ে ১২০ জন অসুস্থ হওয়ায় ঘটনা ঘটেছে। অসুস্থদের মধ্যে ৫০ জনকে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা বাড়িতে ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতালে ভর্তিকৃতদের মধ্যে পাঁচজন অন্তঃসত্ত্বা নারী, ১০ জন শিশু, ২০ জন বৃদ্ধ, পাঁচজন বৃদ্ধা ও ১০ জন যুবক রয়েছেন।
গত শুক্রবার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের আকিলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, এলাকাবাসী এবং বর-কনে পক্ষের লোকজন জানায়, গত শুক্রবার দুপুরে উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের সুলাখালী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিয়ে বাড়িতে ১৫০ জন বরযাত্রী ও কনে পক্ষের লোকজনসহ দুপক্ষের প্রায় ৩০০ জন লোককে দুপুরের খাওয়ার খাওয়ানো হয়। এতে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই অধিকাংশ লোকের পেট ব্যথা ও ডায়রিয়া শুরু হয়। এরপর ৫০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবহন ধর্মঘটের কারণে গাড়ি না থাকায় অনেক কষ্টে তাদেরকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে পিকআপের মাধ্যমে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
মঙ্গলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় দাওয়াত খেয়ে দুপক্ষের প্রায় ১২০ জন লোক অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়েছি। কনের বাবার সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন বাবুর্চির কথামতো পণ্য কিনে খাবারের আয়োজন করেছি। তারপরও খাদ্যে বিষক্রিয়ার তিনি সহ অনেকগুলো লোক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডা. উৎপল দাশ বলেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত বেশ কিছু লোক সোনাগাজী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় বরের মামা দুলাল হোসেন বিয়ের অনুষ্ঠানে দাওয়াত খেয়ে উভয় পক্ষের প্রায় ১২০ জন লোক অসুস্থ হওয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে