ফরিদপুর প্রতিনিধি

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বড় চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়ে দেশ চালানোর ভার নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান। শনিবার (২০ জানুয়ারি) ফরিদপুর শহরের আলীপুরে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ফরিদপুর–১ আসন থেকে এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এ জন্য তাঁকে গণসংবর্ধনা দেয় জেলা আওয়ামী লীগ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আব্দুর রহমান বলেন, ‘আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এক বড় চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়ে দেশ চালাবার ভার নিয়েছেন। বাংলার মানুষ তাঁকে টানা চার চারবার প্রধানমন্ত্রী করল, বর্তমান পঞ্চমবারের মতো। আমাদের প্রয়োজন তাঁর হাতকে শক্তিশালী করা। তাঁর হাতকে শক্তিশালী করতে পারলেই নিশ্চয়ই এই দেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ হবে, সত্যিকার অর্থে স্মার্ট বাংলাদেশ হবে।’
তিনি বলেন, ‘আজ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চক্রান্ত ষড়যন্ত্র চলছে, ষড়যন্ত্র ছিল ষড়যন্ত্র চলবে। কিন্তু আমি মনে করি, ফরিদপুরের আওয়ামী লীগের একজন নেতা–কর্মী বেঁচে থাকতে প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার একটুকুও ক্ষতি কেউ করতে পারবে না। ঐক্যবদ্ধভাবে সামনের দৃশ্যমান দুঃসময় মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত হতে হবে।’
এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক। অনুষ্ঠানে শুরুতে আব্দুর রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট দিয়ে অভিনন্দন জানান জেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতারা। এ সময় দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ইশতিয়াক আরিফ, সহ–সভাপতি শ্যামল ব্যানার্জী, মাঈনুদ্দিন আহমেদ মানু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র অমিতাভ বোস ও ঝর্ণা হাসানসহ দলটির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বড় চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়ে দেশ চালানোর ভার নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান। শনিবার (২০ জানুয়ারি) ফরিদপুর শহরের আলীপুরে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ফরিদপুর–১ আসন থেকে এবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এ জন্য তাঁকে গণসংবর্ধনা দেয় জেলা আওয়ামী লীগ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আব্দুর রহমান বলেন, ‘আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এক বড় চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়ে দেশ চালাবার ভার নিয়েছেন। বাংলার মানুষ তাঁকে টানা চার চারবার প্রধানমন্ত্রী করল, বর্তমান পঞ্চমবারের মতো। আমাদের প্রয়োজন তাঁর হাতকে শক্তিশালী করা। তাঁর হাতকে শক্তিশালী করতে পারলেই নিশ্চয়ই এই দেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ হবে, সত্যিকার অর্থে স্মার্ট বাংলাদেশ হবে।’
তিনি বলেন, ‘আজ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চক্রান্ত ষড়যন্ত্র চলছে, ষড়যন্ত্র ছিল ষড়যন্ত্র চলবে। কিন্তু আমি মনে করি, ফরিদপুরের আওয়ামী লীগের একজন নেতা–কর্মী বেঁচে থাকতে প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার একটুকুও ক্ষতি কেউ করতে পারবে না। ঐক্যবদ্ধভাবে সামনের দৃশ্যমান দুঃসময় মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত হতে হবে।’
এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক। অনুষ্ঠানে শুরুতে আব্দুর রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট দিয়ে অভিনন্দন জানান জেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতারা। এ সময় দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. ইশতিয়াক আরিফ, সহ–সভাপতি শ্যামল ব্যানার্জী, মাঈনুদ্দিন আহমেদ মানু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র অমিতাভ বোস ও ঝর্ণা হাসানসহ দলটির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে