ফরিদপুর প্রতিনিধি

স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গের আশপাশ। কেউ শোকে স্তব্ধ হয়ে আছেন, কেউবা চিৎকার করে কাঁদছেন। ছেলে, তাঁর বউ ও দুই নাতিকে হারিয়ে পাগলপ্রায় বৃদ্ধ তারা মোল্যা। বিলাপ করে বলছেন, ‘আমার তোতা পাখি দুইড্যা চইল্যা গেল রে, ওরে আল্লাহ! কোথায় গেল রে, আমি কী নিয়ে বাঁচব রে।’
আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের শহরতলির কানাইপুরের দিগনগর এলাকায় পিকআপের সঙ্গে একটি বাসের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে পিকআপের ১১ যাত্রীসহ ১৪ জন মারা যান। ওই পিকআপে করে কয়েকটি দুস্থ পরিবার ও নিজের পরিবারকে নিয়ে ফরিদপুরে আসছিলেন বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের সত্তরকান্দা গ্রামের তারা মোল্যার ছেলে রাকিবুল ইসলাম মিলন।
মিলন ঢাকায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে চতুর্থ শ্রেণির একজন কর্মচারী ছিলেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ অধিদপ্তর থেকে দুস্থদের ত্রাণের ব্যবস্থা করে দিয়ে পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফিরে যাবেন। কিন্তু সবকিছুর আগেই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিশু ছেলে রুহান (৮), আবু সিনান (৩) ও স্ত্রী সুমি বেগমসহ (৩৫) পাড়ি জমান না ফেরার দেশে।
খবর পেয়ে সকাল ৯টার দিকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ছুটে আসেন বৃদ্ধ তারা মোল্যাসহ স্বজনেরা। এসেই ছেলে, দুই নাতি ও ছেলের বউয়ের লাশ দেখে চিৎকার করে আহাজারি করতে থাকেন।
তারা মোল্যা বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে ওরা বাড়িতে এসেছিল। আজ ওর (মিলন) মা, স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে ফরিদপুর সদরে যায়। গরিব মানুষকে নিয়ে যাচ্ছিল টিন দিতে। কাজ শেষে পরিবার নিয়ে ঢাকায় যেতে চেয়েছিল।’
খবর পেয়ে ছুটে এসেছেন শেখর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান ইস্রাফিল মোল্যা। তিনি বলেন, এলাকার দুস্থ মানুষকে নিয়ে ত্রাণের মালামাল দেওয়ার জন্য ফরিদপুর সদরে যাচ্ছিল মিলন। সেখানে আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী উপজেলার কয়েকটি দুস্থ পরিবারের লোকজন ছিল। কিছুদিন আগে তাঁরা ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন।
নিহত রাকিবুল ইসলাম মিলনের চাচাতো ভাই ইমরান মোল্যা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লাশ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। আজ বাদ মাগরিব পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন করা হবে।’

স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গের আশপাশ। কেউ শোকে স্তব্ধ হয়ে আছেন, কেউবা চিৎকার করে কাঁদছেন। ছেলে, তাঁর বউ ও দুই নাতিকে হারিয়ে পাগলপ্রায় বৃদ্ধ তারা মোল্যা। বিলাপ করে বলছেন, ‘আমার তোতা পাখি দুইড্যা চইল্যা গেল রে, ওরে আল্লাহ! কোথায় গেল রে, আমি কী নিয়ে বাঁচব রে।’
আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের শহরতলির কানাইপুরের দিগনগর এলাকায় পিকআপের সঙ্গে একটি বাসের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে পিকআপের ১১ যাত্রীসহ ১৪ জন মারা যান। ওই পিকআপে করে কয়েকটি দুস্থ পরিবার ও নিজের পরিবারকে নিয়ে ফরিদপুরে আসছিলেন বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের সত্তরকান্দা গ্রামের তারা মোল্যার ছেলে রাকিবুল ইসলাম মিলন।
মিলন ঢাকায় অর্থ মন্ত্রণালয়ে চতুর্থ শ্রেণির একজন কর্মচারী ছিলেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ অধিদপ্তর থেকে দুস্থদের ত্রাণের ব্যবস্থা করে দিয়ে পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফিরে যাবেন। কিন্তু সবকিছুর আগেই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিশু ছেলে রুহান (৮), আবু সিনান (৩) ও স্ত্রী সুমি বেগমসহ (৩৫) পাড়ি জমান না ফেরার দেশে।
খবর পেয়ে সকাল ৯টার দিকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ছুটে আসেন বৃদ্ধ তারা মোল্যাসহ স্বজনেরা। এসেই ছেলে, দুই নাতি ও ছেলের বউয়ের লাশ দেখে চিৎকার করে আহাজারি করতে থাকেন।
তারা মোল্যা বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে ওরা বাড়িতে এসেছিল। আজ ওর (মিলন) মা, স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে ফরিদপুর সদরে যায়। গরিব মানুষকে নিয়ে যাচ্ছিল টিন দিতে। কাজ শেষে পরিবার নিয়ে ঢাকায় যেতে চেয়েছিল।’
খবর পেয়ে ছুটে এসেছেন শেখর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান ইস্রাফিল মোল্যা। তিনি বলেন, এলাকার দুস্থ মানুষকে নিয়ে ত্রাণের মালামাল দেওয়ার জন্য ফরিদপুর সদরে যাচ্ছিল মিলন। সেখানে আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী উপজেলার কয়েকটি দুস্থ পরিবারের লোকজন ছিল। কিছুদিন আগে তাঁরা ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন।
নিহত রাকিবুল ইসলাম মিলনের চাচাতো ভাই ইমরান মোল্যা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লাশ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। আজ বাদ মাগরিব পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন করা হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে