আমানুর রহমান রনি, ফরিদপুর থেকে

প্রচার শুরুর পর থেকে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটেছে বেশ কয়েকটি অগ্নিসংযোগের ঘটনা। এমন আতঙ্কের পরিবেশে আজ ভোট হবে ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে।
একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ফরিদপুর সদর আসনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটাররা বলছেন, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শামীম হক এবং ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে আজাদের মধ্যে। সহিংসতার ঘটনায়ও বেশি জড়াচ্ছেন এই দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা। এ কে আজাদের অভিযোগ, তাঁর ভোটব্যাংক এলাকায় কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ঠেকানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে নাশকতা করছেন আওয়ামী লীগের কর্মীরা। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামীম হক। আর পুলিশ জানিয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবকিছু করছে তারা।
৪ জানুয়ারি রাতে ১৪টি স্থানে নৌকা প্রতীকের প্রচার ক্যাম্পে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। জায়গাগুলো হলো পূর্ব খাবাসপুরের মোড়, চরকমলাপুর, চৌরঙ্গী মোড়, লক্ষ্মীপুর স্টেশন সংলগ্ন, ডিক্রিরচর ইউনিয়ন ক্যাম্প, মুন্সিরডাঙ্গী, পালডাঙ্গী, অম্বিকাপুর ইউনিয়নের চাটামবাজার, মাদবর বাজার, কানাইপুর ইউনিয়নের খাসকান্দির রনকাইল, উরুকান্দা, নালার মোড়, কানাইপুর বাজারের সাহাপাড়া ও নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের কাইয়ুম উদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী। অনুসন্ধানে জানা গেছে, যেসব ক্যাম্পে আগুন দেওয়া হয়েছে, সেগুলো এ কে আজাদের ভোটব্যাংক এলাকা হিসেবে পরিচিত। সেখানেই বেছে বেছে আগুন দিয়ে ভীতি ছড়ানো হয়েছে।
পূর্ব খাবাসপুরের মোড়ে আগুন দেওয়ার সময় স্থানীয়রা এক তরুণকে পেট্রলসহ হাতেনাতে আটক করে। পরে জানা যায়, তিনি নৌকা প্রতীকের সমর্থক। ওই দিন রাতেই তাঁকে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে এ কে আজাদ বলেন, ‘শামীম হকের কর্মী-সমর্থকেরা নিজেদের ক্যাম্পে আগুন দিয়ে আমার সমর্থকদের দোষ দিয়েছেন। এরপর আবার আমার কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছেন। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন। তাঁদের বাড়িতে না থাকতে নির্দেশ দিচ্ছেন। এ রকম হলে ভোটার ভোটকেন্দ্রে যাবেন না।’
ফরিদপুরের পুরোনো সন্ত্রাসীরা শামীম হকের সঙ্গে প্রচারে নেমেছে দাবি করে আজাদ বলেন, ‘ফরিদপুর পৌরসভার কাউন্সিলর মোবারক খলিফা একাধিক মামলার আসামি। এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী। মোবারক উচ্চ আদালতে জামিন চেয়েও জামিন পায়নি। এখন এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ রকম অনেক সন্ত্রাসী তার সঙ্গে রয়েছে।’
তবে এ কে আজাদের তোলা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন শামীম হক। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ কে আজাদ আমার নামে বানিয়ে বানিয়ে কথা ছড়াচ্ছেন। আমার সঙ্গে কোনো সন্ত্রাসী নেই। সন্ত্রাসী তাঁর সঙ্গে রয়েছে। তাঁকে এলাকার মানুষ কেউ চেনে না। আমার জনপ্রিয়তা দেখে গুজব ছড়াচ্ছেন।’
এদিকে নৌকা ও ঈগলের কর্মীদের মধ্যে সহিংস লড়াইয়ে আতঙ্কে আছেন সাধারণ ভোটাররা। জাকির হোসেন নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমার বাড়িতে সাতজন ভোটার আছে। আমি সকালে ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ বুঝব, যদি মনে করি শান্তিপূর্ণ, তাহলে ভোটকেন্দ্রে যাব। আর যদি মনে হয় ঝামেলা হতে পারে, তাহলে ভোটকেন্দ্রে যাব না।’
ভোটের দিন পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ আসছে। আমরা সবার কথাই শুনছি। ইতিমধ্যে কয়েকজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাশকতা ও হামলার ঘটনায় উভয় পক্ষ অন্তত ১০টি মামলা করেছে। আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
ফরিদপুরের পুরোনো সন্ত্রাসীরা শামীম হকের সঙ্গে প্রচারে নেমেছে দাবি করে আজাদ বলেন, ‘ফরিদপুর পৌরসভার কাউন্সিলর মোবারক খলিফা একাধিক মামলার আসামি। এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী। মোবারক উচ্চ আদালতে জামিন চেয়েও জামিন পায়নি। এখন এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ রকম অনেক সন্ত্রাসী তার সঙ্গে রয়েছে।’
তবে এ কে আজাদের তোলা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন শামীম হক। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ কে আজাদ আমার নামে বানিয়ে বানিয়ে কথা ছড়াচ্ছেন। আমার সঙ্গে কোনো সন্ত্রাসী নেই। সন্ত্রাসী তাঁর সঙ্গে রয়েছে। তাঁকে এলাকার মানুষ কেউ চেনে না। আমার জনপ্রিয়তা দেখে গুজব ছড়াচ্ছেন।’
এদিকে নৌকা ও ঈগলের কর্মীদের মধ্যে সহিংস লড়াইয়ে আতঙ্কে আছেন সাধারণ ভোটাররা। জাকির হোসেন নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমার বাড়িতে সাতজন ভোটার আছে। আমি সকালে ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ বুঝব, যদি মনে করি শান্তিপূর্ণ, তাহলে ভোটকেন্দ্রে যাব। আর যদি মনে হয় ঝামেলা হতে পারে, তাহলে ভোটকেন্দ্রে যাব না।’
ভোটের দিন পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ আসছে। আমরা সবার কথাই শুনছি। ইতিমধ্যে কয়েকজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাশকতা ও হামলার ঘটনায় উভয় পক্ষ অন্তত ১০টি মামলা করেছে। আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

প্রচার শুরুর পর থেকে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটেছে বেশ কয়েকটি অগ্নিসংযোগের ঘটনা। এমন আতঙ্কের পরিবেশে আজ ভোট হবে ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে।
একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ফরিদপুর সদর আসনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটাররা বলছেন, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শামীম হক এবং ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে আজাদের মধ্যে। সহিংসতার ঘটনায়ও বেশি জড়াচ্ছেন এই দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা। এ কে আজাদের অভিযোগ, তাঁর ভোটব্যাংক এলাকায় কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ঠেকানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে নাশকতা করছেন আওয়ামী লীগের কর্মীরা। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামীম হক। আর পুলিশ জানিয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবকিছু করছে তারা।
৪ জানুয়ারি রাতে ১৪টি স্থানে নৌকা প্রতীকের প্রচার ক্যাম্পে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। জায়গাগুলো হলো পূর্ব খাবাসপুরের মোড়, চরকমলাপুর, চৌরঙ্গী মোড়, লক্ষ্মীপুর স্টেশন সংলগ্ন, ডিক্রিরচর ইউনিয়ন ক্যাম্প, মুন্সিরডাঙ্গী, পালডাঙ্গী, অম্বিকাপুর ইউনিয়নের চাটামবাজার, মাদবর বাজার, কানাইপুর ইউনিয়নের খাসকান্দির রনকাইল, উরুকান্দা, নালার মোড়, কানাইপুর বাজারের সাহাপাড়া ও নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের কাইয়ুম উদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী। অনুসন্ধানে জানা গেছে, যেসব ক্যাম্পে আগুন দেওয়া হয়েছে, সেগুলো এ কে আজাদের ভোটব্যাংক এলাকা হিসেবে পরিচিত। সেখানেই বেছে বেছে আগুন দিয়ে ভীতি ছড়ানো হয়েছে।
পূর্ব খাবাসপুরের মোড়ে আগুন দেওয়ার সময় স্থানীয়রা এক তরুণকে পেট্রলসহ হাতেনাতে আটক করে। পরে জানা যায়, তিনি নৌকা প্রতীকের সমর্থক। ওই দিন রাতেই তাঁকে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে এ কে আজাদ বলেন, ‘শামীম হকের কর্মী-সমর্থকেরা নিজেদের ক্যাম্পে আগুন দিয়ে আমার সমর্থকদের দোষ দিয়েছেন। এরপর আবার আমার কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছেন। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন। তাঁদের বাড়িতে না থাকতে নির্দেশ দিচ্ছেন। এ রকম হলে ভোটার ভোটকেন্দ্রে যাবেন না।’
ফরিদপুরের পুরোনো সন্ত্রাসীরা শামীম হকের সঙ্গে প্রচারে নেমেছে দাবি করে আজাদ বলেন, ‘ফরিদপুর পৌরসভার কাউন্সিলর মোবারক খলিফা একাধিক মামলার আসামি। এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী। মোবারক উচ্চ আদালতে জামিন চেয়েও জামিন পায়নি। এখন এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ রকম অনেক সন্ত্রাসী তার সঙ্গে রয়েছে।’
তবে এ কে আজাদের তোলা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন শামীম হক। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ কে আজাদ আমার নামে বানিয়ে বানিয়ে কথা ছড়াচ্ছেন। আমার সঙ্গে কোনো সন্ত্রাসী নেই। সন্ত্রাসী তাঁর সঙ্গে রয়েছে। তাঁকে এলাকার মানুষ কেউ চেনে না। আমার জনপ্রিয়তা দেখে গুজব ছড়াচ্ছেন।’
এদিকে নৌকা ও ঈগলের কর্মীদের মধ্যে সহিংস লড়াইয়ে আতঙ্কে আছেন সাধারণ ভোটাররা। জাকির হোসেন নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমার বাড়িতে সাতজন ভোটার আছে। আমি সকালে ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ বুঝব, যদি মনে করি শান্তিপূর্ণ, তাহলে ভোটকেন্দ্রে যাব। আর যদি মনে হয় ঝামেলা হতে পারে, তাহলে ভোটকেন্দ্রে যাব না।’
ভোটের দিন পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ আসছে। আমরা সবার কথাই শুনছি। ইতিমধ্যে কয়েকজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাশকতা ও হামলার ঘটনায় উভয় পক্ষ অন্তত ১০টি মামলা করেছে। আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
ফরিদপুরের পুরোনো সন্ত্রাসীরা শামীম হকের সঙ্গে প্রচারে নেমেছে দাবি করে আজাদ বলেন, ‘ফরিদপুর পৌরসভার কাউন্সিলর মোবারক খলিফা একাধিক মামলার আসামি। এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী। মোবারক উচ্চ আদালতে জামিন চেয়েও জামিন পায়নি। এখন এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ রকম অনেক সন্ত্রাসী তার সঙ্গে রয়েছে।’
তবে এ কে আজাদের তোলা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন শামীম হক। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ কে আজাদ আমার নামে বানিয়ে বানিয়ে কথা ছড়াচ্ছেন। আমার সঙ্গে কোনো সন্ত্রাসী নেই। সন্ত্রাসী তাঁর সঙ্গে রয়েছে। তাঁকে এলাকার মানুষ কেউ চেনে না। আমার জনপ্রিয়তা দেখে গুজব ছড়াচ্ছেন।’
এদিকে নৌকা ও ঈগলের কর্মীদের মধ্যে সহিংস লড়াইয়ে আতঙ্কে আছেন সাধারণ ভোটাররা। জাকির হোসেন নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমার বাড়িতে সাতজন ভোটার আছে। আমি সকালে ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ বুঝব, যদি মনে করি শান্তিপূর্ণ, তাহলে ভোটকেন্দ্রে যাব। আর যদি মনে হয় ঝামেলা হতে পারে, তাহলে ভোটকেন্দ্রে যাব না।’
ভোটের দিন পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ আসছে। আমরা সবার কথাই শুনছি। ইতিমধ্যে কয়েকজন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাশকতা ও হামলার ঘটনায় উভয় পক্ষ অন্তত ১০টি মামলা করেছে। আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৪ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
৫ ঘণ্টা আগে