ফরিদপুর প্রতিনিধি

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ফরিদপুরে মেহেদী হাসান মিন্টু (৫০) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ সোমবার বেলা ১১টায় তাঁর বিরুদ্ধে দুদকের ফরিদপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-সহকারী পরিচালক খালিদ হোসাইন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
মেহেদী হাসান মিন্টু জেলা সদরের ৫ নম্বর ডিক্রিরচর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান এবং একই উপজেলার আইজউদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে।
মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফরিদপুরের দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক রেজাউল করিম।
তিনি বলেন, ওই ইউপি চেয়ারম্যান স্থাবর ও অস্থাবর ১ কোটি ৭ লাখ ৪৮ হাজার ১৭২ টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক এ মামলাটি দায়ের করে।
এজাহারে জানা গেছে, দুদকের সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারির পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর ফরিদপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সম্পদের হিসাব দাখিল করেছেন। সম্পদের হিসাবে এক কোটি চার লাখ ৮১ হাজার ৯১৭ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেলেও ৭২ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩৬ টাকার সম্পদের হিসাব মিলেছে অনুসন্ধানে।
অর্থাৎ তিনি ৩২ লাখ ২৭ হাজার ৩৮১ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করার চেষ্টা করেছেন। এ ছাড়া দুদকের অনুসন্ধানে স্থাবর ও অস্থাবরসহ এক কোটি সাত লাখ ৪৮ হাজার টাকা অবৈধ সম্পদের প্রমাণ মিলেছে।

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ফরিদপুরে মেহেদী হাসান মিন্টু (৫০) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ সোমবার বেলা ১১টায় তাঁর বিরুদ্ধে দুদকের ফরিদপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-সহকারী পরিচালক খালিদ হোসাইন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
মেহেদী হাসান মিন্টু জেলা সদরের ৫ নম্বর ডিক্রিরচর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান এবং একই উপজেলার আইজউদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে।
মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফরিদপুরের দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক রেজাউল করিম।
তিনি বলেন, ওই ইউপি চেয়ারম্যান স্থাবর ও অস্থাবর ১ কোটি ৭ লাখ ৪৮ হাজার ১৭২ টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক এ মামলাটি দায়ের করে।
এজাহারে জানা গেছে, দুদকের সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারির পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর ফরিদপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সম্পদের হিসাব দাখিল করেছেন। সম্পদের হিসাবে এক কোটি চার লাখ ৮১ হাজার ৯১৭ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেলেও ৭২ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩৬ টাকার সম্পদের হিসাব মিলেছে অনুসন্ধানে।
অর্থাৎ তিনি ৩২ লাখ ২৭ হাজার ৩৮১ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করার চেষ্টা করেছেন। এ ছাড়া দুদকের অনুসন্ধানে স্থাবর ও অস্থাবরসহ এক কোটি সাত লাখ ৪৮ হাজার টাকা অবৈধ সম্পদের প্রমাণ মিলেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে