হাসান মাতুব্বর (শ্রাবণ), ফরিদপুর

সারা দেশে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা অবরোধে দূরপাল্লার বাস চলাচল একরকম বন্ধ। দুই-একটি লোকাল বাস চললেও যাত্রীরা নিরাপদ মনে করে ট্রেনে ভিড় জমাচ্ছেন। তবে, সেখানেও বিশেষ করে টিকিট কাটা নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ফরিদপুর স্টেশনে বেনাপোল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা বেনাপোল এক্সপ্রেসে এমন চিত্র দেখা যায়। পদ্মা সেতু দিয়ে চলাচল করা এ ট্রেনটি ঠাসাঠাসি যাত্রীতে। চেয়ার না পেয়ে অনেকে দাঁড়িয়ে থেকেই ঢাকায় ছুটে যাচ্ছেন। আবার অনেকে টিকিট না পেয়ে জরিমানা গুনেও ঢাকায় যাচ্ছেন।
রাজবাড়ী থেকে ট্রেনে উঠেছেন শহিদুল নামে এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, দূরপাল্লার বাস ছাড়ছে না, লোকাল বাসে দুই-একটি ছাড়লেও ঠিকমতো যাত্রী না হলে ছাড়ে না। ছাড়লেও অনেক সময় লেগে যায়। তা ছাড়া অবরোধে বাসে আগুন-আতঙ্ক রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ট্রেনেই নিরাপত্তা আছে।
অন্য এক যাত্রী বলেন, অবরোধের সময়ে ট্রেনযাত্রাই নিরাপদ। কষ্ট হলেও ঢাকায় যেতে হবে। রাজবাড়ী স্টেশন থেকে যথাসময়ে টিকিট পেলেও ঢাকায় দাঁড়িয়ে যাচ্ছি।
এভাবেই অনেকে দুই থেকে তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেই ঢাকায় যাচ্ছেন। চলমান অবরোধে ট্রেনযাত্রাকেই তাঁরা নিরাপদ মনে করছেন।
অবরোধে ট্রেনে নিরাপদ যাত্রা মনে করে ফরিদপুর স্টেশন থেকে বেনাপোল এক্সপ্রেসে উঠেছেন আতিকুল নামে এক ব্যক্তি। চলন্ত ট্রেনে রাত ৮টার দিকে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সকাল থেকে টিকিটের জন্য কয়েকবার স্টেশনে এসেছি, কিন্তু টিকিট পাওয়া যায়নি। টিকিট কাউন্টার থেকে বলছে টিকিট নেই, সার্ভারে সমস্যা। এগুলো সিন্ডিকেট। এখন জরিমানা গুনে ঢাকায় যাচ্ছি। কেন টিকিট থাকবে না?’
ফরিদপুর স্টেশন থেকে ওঠা অপর এক যাত্রী বলেন, ‘আমার এক স্বজন মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যেভাবেই হোক ঢাকায় যেতে হবে। তাই এক দিন আগে থেকে অনলাইনে টিকিট নেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনো টিকিট নেই। স্টেশনে এসে মাস্টারকেও বলেছি। কিন্তু তিনি আমাকে বলেন, সার্ভারে সমস্যার কারণে ওয়েবসাইটে ঢোকা যাচ্ছে না, ট্রেনে উঠে যান, টিটি জরিমানা চাইলে জরিমানা দেবেন। কিন্তু নির্ধারিত ভাড়া ফরিদপুর থেকে ঢাকা পর্যন্ত ২৬৫ টাকা হলেও জরিমানা দেখিয়ে ৩৫০ টাকা আদায় করেছে।’
এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের ফরিদপুর স্টেশন মাস্টার তাকদির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অবরোধে ট্রেনে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। এ কারণে নির্ধারিত টিকিট বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। অপর দিকে সার্ভারেও সমস্যা করছে। যে কারণে অনলাইনে টিকিট থাকলেও দেওয়া যাচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার নেই।’
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর পদ্মা রেল সেতু দিয়ে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর পয়লা নভেম্বর থেকে পদ্মা সেতু দিয়ে তিনটি ট্রেন চলাচল করছে। এর মধ্যে মধুমতি এক্সপ্রেস পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে ভাঙ্গা হয়ে রাজশাহী, সুন্দরবন এক্সপ্রেস পদ্মা সেতু হয়ে খুলনা এবং বেনাপোল এক্সপ্রেস পদ্মা সেতু হয়ে যশোরের বেনাপোল যাচ্ছে। ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়ে আবার ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছে।

সারা দেশে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা অবরোধে দূরপাল্লার বাস চলাচল একরকম বন্ধ। দুই-একটি লোকাল বাস চললেও যাত্রীরা নিরাপদ মনে করে ট্রেনে ভিড় জমাচ্ছেন। তবে, সেখানেও বিশেষ করে টিকিট কাটা নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ফরিদপুর স্টেশনে বেনাপোল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা বেনাপোল এক্সপ্রেসে এমন চিত্র দেখা যায়। পদ্মা সেতু দিয়ে চলাচল করা এ ট্রেনটি ঠাসাঠাসি যাত্রীতে। চেয়ার না পেয়ে অনেকে দাঁড়িয়ে থেকেই ঢাকায় ছুটে যাচ্ছেন। আবার অনেকে টিকিট না পেয়ে জরিমানা গুনেও ঢাকায় যাচ্ছেন।
রাজবাড়ী থেকে ট্রেনে উঠেছেন শহিদুল নামে এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, দূরপাল্লার বাস ছাড়ছে না, লোকাল বাসে দুই-একটি ছাড়লেও ঠিকমতো যাত্রী না হলে ছাড়ে না। ছাড়লেও অনেক সময় লেগে যায়। তা ছাড়া অবরোধে বাসে আগুন-আতঙ্ক রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ট্রেনেই নিরাপত্তা আছে।
অন্য এক যাত্রী বলেন, অবরোধের সময়ে ট্রেনযাত্রাই নিরাপদ। কষ্ট হলেও ঢাকায় যেতে হবে। রাজবাড়ী স্টেশন থেকে যথাসময়ে টিকিট পেলেও ঢাকায় দাঁড়িয়ে যাচ্ছি।
এভাবেই অনেকে দুই থেকে তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেই ঢাকায় যাচ্ছেন। চলমান অবরোধে ট্রেনযাত্রাকেই তাঁরা নিরাপদ মনে করছেন।
অবরোধে ট্রেনে নিরাপদ যাত্রা মনে করে ফরিদপুর স্টেশন থেকে বেনাপোল এক্সপ্রেসে উঠেছেন আতিকুল নামে এক ব্যক্তি। চলন্ত ট্রেনে রাত ৮টার দিকে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সকাল থেকে টিকিটের জন্য কয়েকবার স্টেশনে এসেছি, কিন্তু টিকিট পাওয়া যায়নি। টিকিট কাউন্টার থেকে বলছে টিকিট নেই, সার্ভারে সমস্যা। এগুলো সিন্ডিকেট। এখন জরিমানা গুনে ঢাকায় যাচ্ছি। কেন টিকিট থাকবে না?’
ফরিদপুর স্টেশন থেকে ওঠা অপর এক যাত্রী বলেন, ‘আমার এক স্বজন মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যেভাবেই হোক ঢাকায় যেতে হবে। তাই এক দিন আগে থেকে অনলাইনে টিকিট নেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনো টিকিট নেই। স্টেশনে এসে মাস্টারকেও বলেছি। কিন্তু তিনি আমাকে বলেন, সার্ভারে সমস্যার কারণে ওয়েবসাইটে ঢোকা যাচ্ছে না, ট্রেনে উঠে যান, টিটি জরিমানা চাইলে জরিমানা দেবেন। কিন্তু নির্ধারিত ভাড়া ফরিদপুর থেকে ঢাকা পর্যন্ত ২৬৫ টাকা হলেও জরিমানা দেখিয়ে ৩৫০ টাকা আদায় করেছে।’
এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের ফরিদপুর স্টেশন মাস্টার তাকদির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অবরোধে ট্রেনে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। এ কারণে নির্ধারিত টিকিট বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। অপর দিকে সার্ভারেও সমস্যা করছে। যে কারণে অনলাইনে টিকিট থাকলেও দেওয়া যাচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার নেই।’
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর পদ্মা রেল সেতু দিয়ে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর পয়লা নভেম্বর থেকে পদ্মা সেতু দিয়ে তিনটি ট্রেন চলাচল করছে। এর মধ্যে মধুমতি এক্সপ্রেস পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে ভাঙ্গা হয়ে রাজশাহী, সুন্দরবন এক্সপ্রেস পদ্মা সেতু হয়ে খুলনা এবং বেনাপোল এক্সপ্রেস পদ্মা সেতু হয়ে যশোরের বেনাপোল যাচ্ছে। ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়ে আবার ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে