
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ৬৭১ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে পৌরসভার আজাদ মোড় এলাকার ‘সালাম ভলকানাইজিং’ নামের একটি দোকান থেকে এই জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, আজাদ মোড় এলাকায় গাড়ি মেরামত ও যন্ত্রাংশ বিক্রির দোকানটিতে কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রামে ডিজেল সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছিল। পরে জব্দ করা ডিজেল সরকারি বাজারমূল্যে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়; যার মূল্য ধরা হয় ১ লাখ ৬১ হাজার ৬৮ টাকা।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধ মজুত রোধে সারা দেশে অভিযান চলছে। এরই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেলের সন্ধান পাওয়া যায়। এ সময় দোকানমালিককে পাওয়া যায়নি।
অভিযানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিনের নেতৃত্বে থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অংশ নেন।
ইউএনও রুবানা তানজিন বলেন, বিভিন্ন ব্যবসার আড়ালে অবৈধভাবে তেল মজুত করে যাঁরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলতে চান, তাঁরা প্রকৃত ব্যবসায়ী নন। তাঁদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বেলা সাড়ে ১১টা। গ্যাসপাম্পের সামনে তখনো সারি সারি সিএনজিচালিত অটোরিকশা। কোনো চালক গাড়ির পাশে বসে আছেন, কেউ ক্লান্ত শরীরে সিটে হেলান দিয়ে চোখ বুজেছেন। সবাই অপেক্ষায় কখন গ্যাস পাবেন, কখন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন। কিন্তু সেই অপেক্ষার শেষ হয় না।
১ ঘণ্টা আগে
ভাঙার জন্য জাহাজ আমদানির পর ইয়ার্ডের সৈকতে ভেড়ানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড’ থেকে প্রাথমিক অনুমতি (বিচিং পারমিশন) নিতে হয়। আর জাহাজের ফুয়েল ট্যাংক বা কার্গো হোল্ডে কোনো বিষাক্ত বা দাহ্য গ্যাস আছে কি না, তা পরীক্ষা করে ‘হট ওয়ার্ক/গ্যাসমুক্ত সনদ’ দেয় বিস্ফোরক অধিদপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে মনু সেচ প্রকল্পের কাশিমপুর পাম্প হাউস। কৃষকদের কথা চিন্তা করে হাওরের পানি কমানোর জন্য এই পাম্প স্থাপন করা হয়। একটা সময় এটি হাওরাঞ্চলের কৃষকের ভরসা ছিল। তবে এখন সেটিই যেন সংকটের কারণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাম্পগুলো দিয়ে পর্যাপ্ত পানি না কমায় কৃত্রিম
১ ঘণ্টা আগে
সারা দেশে চলমান লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্পেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় তাঁত বন্ধ থাকছে। এতে উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। সময়মতো অর্ডার সরবরাহ করতে না পারায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
১ ঘণ্টা আগে