খানসামা ও চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৪ (খানসামা ও চিরিরবন্দর) আসনে ৩৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এতে চতুর্থবারের মতো বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
নির্বাচনে মাহমুদ আলী পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৪৭ ভোট ও তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের তারিকুল ইসলাম তারিক পেয়েছে ৬২ হাজার ৪২৪ ভোট।
জানা যায়, ৭ জানুয়ারি রোববার সকাল ৮ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খানসামা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৫২টি ও চিরিরবন্দর উপজেলার ৭৮টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হয় আজ। এতে প্রার্থী ও সমর্থকেরা তেমন কোনো অভিযোগ করেননি।
চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শরিফুল হক এবং খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তাজ উদ্দিনের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এই উপজেলার ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ জন ভোটারের মধ্যে ৫২ হাজার ৯৭১ জন ভোটার তাঁদের ভোট প্রদান করেছেন। এর মধ্যে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাসান মাহমুদ আলী পেয়েছে ৩৮ হাজার ৮৬৭ ভোট, ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিকুল ইসলাম তারিক পেয়েছেন ১২ হাজার ৩৯১ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকের মোনাজাত চৌধুরী মিলন ৫৬৩ ভোট ও আম প্রতীকে আজিজা সুলতানা ২৫৯ ভোট পেয়েছে। বাতিল হয়েছে ৮৯১ ভোট।
অন্যদিকে চিরিরবন্দর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ২ লাখ ৫৪ হাজার ১০৭ জন ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ১১ হাজার ১১৯ জন ভোটার ভোট প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাসান মাহমুদ আলী পেয়েছে ৫৭ হ্জার ৫৮০ ভোট, ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিকুল ইসলাম তারিক পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩৩ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকের মোনাজাত চৌধুরী মিলন পেয়েছে ৫৩১ ভোট ও আম প্রতীকে আজিজা সুলতানা পেয়েছে ৪৬৬ ভোট ও বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৫০৯ ভোট।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৪ (খানসামা ও চিরিরবন্দর) আসনে ৩৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এতে চতুর্থবারের মতো বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
নির্বাচনে মাহমুদ আলী পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৪৭ ভোট ও তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক প্রতীকের তারিকুল ইসলাম তারিক পেয়েছে ৬২ হাজার ৪২৪ ভোট।
জানা যায়, ৭ জানুয়ারি রোববার সকাল ৮ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খানসামা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৫২টি ও চিরিরবন্দর উপজেলার ৭৮টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হয় আজ। এতে প্রার্থী ও সমর্থকেরা তেমন কোনো অভিযোগ করেননি।
চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শরিফুল হক এবং খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তাজ উদ্দিনের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এই উপজেলার ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ জন ভোটারের মধ্যে ৫২ হাজার ৯৭১ জন ভোটার তাঁদের ভোট প্রদান করেছেন। এর মধ্যে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাসান মাহমুদ আলী পেয়েছে ৩৮ হাজার ৮৬৭ ভোট, ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিকুল ইসলাম তারিক পেয়েছেন ১২ হাজার ৩৯১ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকের মোনাজাত চৌধুরী মিলন ৫৬৩ ভোট ও আম প্রতীকে আজিজা সুলতানা ২৫৯ ভোট পেয়েছে। বাতিল হয়েছে ৮৯১ ভোট।
অন্যদিকে চিরিরবন্দর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ২ লাখ ৫৪ হাজার ১০৭ জন ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ১১ হাজার ১১৯ জন ভোটার ভোট প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাসান মাহমুদ আলী পেয়েছে ৫৭ হ্জার ৫৮০ ভোট, ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিকুল ইসলাম তারিক পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩৩ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকের মোনাজাত চৌধুরী মিলন পেয়েছে ৫৩১ ভোট ও আম প্রতীকে আজিজা সুলতানা পেয়েছে ৪৬৬ ভোট ও বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৫০৯ ভোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪৪ মিনিট আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে