নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঈদের কেনাকাটা করে বড় ভাইয়ের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত একটি ভ্যানে পা ঝুলিয়ে বসে বাড়ি ফিরছিল ৭ বছরের হোসাইন। বাড়ি থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। সেখানেই বাঁ পা থেঁতলে যায় হোসাইনের।
গতকাল রোববার দুপুরে হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করে তার পা কেটে ফেলা হয়েছে। অচেতন অবস্থা থেকে ফিরলেও শিশু হোসাইন এখনো জানে না ঈদে কেনা জুতো জোড়া আর পরা হবে না তার।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, এ ছাড়া তাঁদের আর কোনো উপায় ছিল না। তবে শিশুটিকে এখনো জানানো হয়নি।
আজ সোমবারও ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন (পঙ্গু) হাসপাতালের পুরোনো বিল্ডিংয়ের নিচতলায় ‘এ’ ওয়ার্ডের ২২ নম্বর বেডে ভর্তি রয়েছে ছোট্ট হোসাইন।
শিশু হোসাইনের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে। সেখানকার ধোপাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সে। হাসপাতালে ছোট ভাইকে দেখাশোনা করছেন বড় ভাই হারুন। অভাবের পরিবারে আছেন ভ্যানচালক বাবা আর মা। বড় ভাই হারুন চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় একটি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে হারুন আজকের পত্রিকাকে জানান, ঈদের নতুন জুতার আবদার করেছিল ছোট ভাই। বাবার সেই সামর্থ্য না থাকায় ঈদের আগের দিন উপজেলা শহরে ছোট ভাইকে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। ব্যাটারিচালিত একটি ভ্যানের বাঁ পাশে বসেছিল হোসাইন। তিনি বসেছিলেন ডান দিকে। উল্টো দিক থেকে আরেকটি খালি ভ্যান এসে হোসাইনের বাঁ পায়ে হাঁটুর কাছে ধাক্কা দেয়। সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার দিয়ে অচেতন হয়ে যায় হোসাইন। সেখান থেকে সোজা নিয়ে যাওয়া হয় জীবননগর সরকারি হাসপাতালে। সেখানকার চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেদিন রাতেই ঢাকায় পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয় হোসাইনকে।
হারুন আরও জানান, চিকিৎসকেরা বলেছেন, হোসাইনের পায়ের রক্তনালিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোনোভাবেই পা-টা রাখা সম্ভব হবে না। বেশি দিন হয়ে গেল পচন ধরতে পারে। তাই যত দ্রুত সম্ভব কেটে ফেলতে পারলে ভালো।

ঈদের কেনাকাটা করে বড় ভাইয়ের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত একটি ভ্যানে পা ঝুলিয়ে বসে বাড়ি ফিরছিল ৭ বছরের হোসাইন। বাড়ি থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। সেখানেই বাঁ পা থেঁতলে যায় হোসাইনের।
গতকাল রোববার দুপুরে হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করে তার পা কেটে ফেলা হয়েছে। অচেতন অবস্থা থেকে ফিরলেও শিশু হোসাইন এখনো জানে না ঈদে কেনা জুতো জোড়া আর পরা হবে না তার।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, এ ছাড়া তাঁদের আর কোনো উপায় ছিল না। তবে শিশুটিকে এখনো জানানো হয়নি।
আজ সোমবারও ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন (পঙ্গু) হাসপাতালের পুরোনো বিল্ডিংয়ের নিচতলায় ‘এ’ ওয়ার্ডের ২২ নম্বর বেডে ভর্তি রয়েছে ছোট্ট হোসাইন।
শিশু হোসাইনের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে। সেখানকার ধোপাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সে। হাসপাতালে ছোট ভাইকে দেখাশোনা করছেন বড় ভাই হারুন। অভাবের পরিবারে আছেন ভ্যানচালক বাবা আর মা। বড় ভাই হারুন চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় একটি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে হারুন আজকের পত্রিকাকে জানান, ঈদের নতুন জুতার আবদার করেছিল ছোট ভাই। বাবার সেই সামর্থ্য না থাকায় ঈদের আগের দিন উপজেলা শহরে ছোট ভাইকে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। ব্যাটারিচালিত একটি ভ্যানের বাঁ পাশে বসেছিল হোসাইন। তিনি বসেছিলেন ডান দিকে। উল্টো দিক থেকে আরেকটি খালি ভ্যান এসে হোসাইনের বাঁ পায়ে হাঁটুর কাছে ধাক্কা দেয়। সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার দিয়ে অচেতন হয়ে যায় হোসাইন। সেখান থেকে সোজা নিয়ে যাওয়া হয় জীবননগর সরকারি হাসপাতালে। সেখানকার চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেদিন রাতেই ঢাকায় পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয় হোসাইনকে।
হারুন আরও জানান, চিকিৎসকেরা বলেছেন, হোসাইনের পায়ের রক্তনালিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোনোভাবেই পা-টা রাখা সম্ভব হবে না। বেশি দিন হয়ে গেল পচন ধরতে পারে। তাই যত দ্রুত সম্ভব কেটে ফেলতে পারলে ভালো।

আজ সকালে কারখানা দুটির কয়েক হাজার শ্রমিক কাজ শুরু করেন। এ সময় বিভিন্ন তলায় কর্মরত শ্রমিকেরা অসুস্থ হতে থাকেন। পরে শতাধিক শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
৩ মিনিট আগে
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ব্রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বেরোবি শাখার সভাপতি মো. সুমন সরকার।
৯ মিনিট আগে
রাজধানী ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে হক ডকইয়ার্ড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম আহমেদ দেওয়ান (৬০)। আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ কাউটাইল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় আহমেদ দেওয়ানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল আনা হয়।
১১ মিনিট আগে
তিনি বলেন, কোনো বিজিবির সদস্য যদি ব্যক্তিস্বার্থ, লোভ বা রাজনৈতিক সুবিধার অংশ হয়ে কাজ করে তবে সে শুধু আইন ভাঙে না, রাষ্ট্রের নীতিকেও দুর্বল করে দেয়।
১৪ মিনিট আগে