
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ‘ইমাম মেহেদি’ দাবিকারী নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার বাড়িতে হামলায় আহত মো. রাসেল মোল্লা (২৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি ওই উপজেলার দেবগ্রাম জতুমিস্ত্রিপাড়ার মো. আজাদ মোল্লার ছেলে।
এ ছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও পাঁচজন হাসপাতালের সার্জারি ও ট্রমা বিভাগে চিকিৎসাধীন। বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে আনা হয়। রাত ১০টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
তাঁদের মধ্যে ট্রমা বিভাগে একই গ্রামের রাহেলা বেগম (৩০) ও সিদ্দিক ফকির (৩০) এবং সার্জারি বিভাগে রয়েছেন আলমাস মোল্লা (৪৫) ও সাজ্জাদ মোল্লা (২০)।
নিহত রাসেলের স্বজন সোহেল মোল্লা জানান, রাসেল মোল্লা নুরাল পাগলার ভক্ত ছিলেন এবং সংঘাতের সময় ওই বাড়িতেই ছিলেন। তখন অপর পক্ষের লোকজন গণপিটুনি দেন। তাঁর মাথা ও হাত-পা থেঁতলে গিয়েছিল। হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে মরদেহ ফরিদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের ফ্রিজিংয়ে রাখা হয়েছে।
রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, গোয়ালন্দে নুরুল হকের দরবার ও বাড়িতে তৌহিদি জনতার হামলার ঘটনায় রাসেল মোল্লা নামের একজন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

বুধবার দিবাগত রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক ৬৮ জনের মধ্যে ৬০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুজনকে আগে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। অপর ছয়জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
৯ মিনিট আগে
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার কামরুজ্জামান খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকা সত্ত্বেও একটি মামলায় আসামি করা হয়েছে। তারা দ্রুত মামলাটি তদন্ত করে তার নাম প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।
১৩ মিনিট আগে
কুষ্টিয়ার মিরপুরে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের চাপায় পাখিভ্যানের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক নারী গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সদরপুর ইউনিয়নের আমতলা মাদ্রাসার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে...
২৩ মিনিট আগে
স্থানীয় বাসিন্দা মমিন মিয়া বলেন, চাঁন মিয়া গ্রুপের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাড়ে অবস্থান করছেন। তাঁদের নিজ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বুধবার সন্ধ্যায় শহীদ মেম্বার ও কামাল মিয়া গ্রুপের লোকজন টেঁটা-বল্লম নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। পরে চাঁন মিয়া গ্রুপের লোকজন হামলা প্রতিহত...
৩০ মিনিট আগে