ফরিদপুর প্রতিনিধি

সৎমেয়েকে ধর্ষণের দায়ে ফরিদপুরে চাকরিচ্যুত বিজিবি সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় দেন। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম হারুনার রশিদ ওরফে মাসুদ রানা, তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার খামারবড়ধুল গ্রামের আবদুল্লাহ আল মাহমুদের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) স্বপন পাল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ এর ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আদালতের নির্দেশে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।’
হারুনার রশিদ বিডিআর বিদ্রোহ পরে চাকরিচ্যুত হন। এরপর সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে তানিয়া সুলতানা নামে এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। একপর্যায়ে প্রথম স্বামীকে তালাক দিয়ে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিয়ে করেন তারা। তানিয়া ফরিদপুরে নগরকান্দা উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে জানুয়ারি মাসে হারুনার রশিদ স্কুলপড়ুয়া সৎমেয়েকে তার ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করে এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। এরপর নানাভাবে ভয়ভীতি দেখায় তাকে খুন করার হুমকি প্রদান করে একাধিকবার ধর্ষণ করে।
এজাহারে তানিয়া সুলতানা আরও উল্লেখ করেন, ‘আমার মেয়ে বিবাদীর ভয়ে চুপ করে থাকে। পরবর্তী সময় মেয়েকে ২০২০ সালের ২৯ জানুয়ারি স্কুলে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে কৌশলে মোটরসাইকেলে করে ঢাকায় এক বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে প্রকাশের ভয়ভীতি দেখায়।
‘পরের দিন (৩০ জানুয়ারি) মেয়েকে নিয়ে আসলে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফুলা ও জখম দেখতে পাই। পরে আমি গ্রামের স্থানীয় লোকজনকে ডাক দিলে তারা ভিকটিমকে পুলিশে সোপর্দ করে।’
এ ঘটনায় ওই দিনই নগরকান্দা থানায় নারী ও নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) অসীম। আদালত এ মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ রায় প্রদান করেন।

সৎমেয়েকে ধর্ষণের দায়ে ফরিদপুরে চাকরিচ্যুত বিজিবি সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় দেন। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম হারুনার রশিদ ওরফে মাসুদ রানা, তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার খামারবড়ধুল গ্রামের আবদুল্লাহ আল মাহমুদের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) স্বপন পাল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ এর ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আদালতের নির্দেশে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।’
হারুনার রশিদ বিডিআর বিদ্রোহ পরে চাকরিচ্যুত হন। এরপর সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে তানিয়া সুলতানা নামে এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান। একপর্যায়ে প্রথম স্বামীকে তালাক দিয়ে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিয়ে করেন তারা। তানিয়া ফরিদপুরে নগরকান্দা উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে জানুয়ারি মাসে হারুনার রশিদ স্কুলপড়ুয়া সৎমেয়েকে তার ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করে এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। এরপর নানাভাবে ভয়ভীতি দেখায় তাকে খুন করার হুমকি প্রদান করে একাধিকবার ধর্ষণ করে।
এজাহারে তানিয়া সুলতানা আরও উল্লেখ করেন, ‘আমার মেয়ে বিবাদীর ভয়ে চুপ করে থাকে। পরবর্তী সময় মেয়েকে ২০২০ সালের ২৯ জানুয়ারি স্কুলে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে কৌশলে মোটরসাইকেলে করে ঢাকায় এক বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে প্রকাশের ভয়ভীতি দেখায়।
‘পরের দিন (৩০ জানুয়ারি) মেয়েকে নিয়ে আসলে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফুলা ও জখম দেখতে পাই। পরে আমি গ্রামের স্থানীয় লোকজনকে ডাক দিলে তারা ভিকটিমকে পুলিশে সোপর্দ করে।’
এ ঘটনায় ওই দিনই নগরকান্দা থানায় নারী ও নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) অসীম। আদালত এ মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ রায় প্রদান করেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে