Ajker Patrika

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ডিজিটাল রূপান্তরে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ডিজিটাল রূপান্তরে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
গ্রামীণফোনের ‘ডিজিটাল ইনক্লুশন ফর মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস’ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে অবশ্যই অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে হবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতায় সক্ষম করে তোলার মাধ্যমে সরকারি সেবা ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে অর্থবহ অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

রাজধানীর একটি হোটেলে আজ বৃহস্পতিবার গ্রামীণফোনের ‘ডিজিটাল ইনক্লুশন ফর মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস’ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী গ্রামীণফোনের ২০২৮ সালের মধ্যে আটটি সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্য দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ডিজিটাল দক্ষতায় স্বাবলম্বী করার লক্ষ্য নিয়ে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও টেলিনরের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত ‘ডিজিটাল ইনক্লুশন ফর মার্জিনালাইজড কমিউনিটিস’ উদ্যোগের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু করেছে গ্রামীণফোন। কর্মসূচির আওতায় ২০২৮ সালের মধ্যে ৪০ লাখ প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

গ্রামীণফোন জানায়, উদ্যোগটি শুরুর পর থেকে দেশের ৩২টি জেলায় ৩৩ লাখের বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো গেছে। এর মধ্যে প্রায় ৬৮ শতাংশই নারী ও কিশোরী। দ্বিতীয় পর্যায়ে সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়িয়ে ৪০ লাখে উন্নীত করার পাশাপাশি নারীদের অংশগ্রহণ ৭০ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী। তিনি বলেন, অর্থবহ সংযুক্তি শুধু নেটওয়ার্ক বিস্তারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে ডিজিটাল সাক্ষরতা ও প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারও সমান গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামীণফোনের এ উদ্যোগ ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে অংশীদারিভিত্তিক কার্যক্রমের একটি ইতিবাচক উদাহরণ।

অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের হেড অব এনভায়রনমেন্ট, সোশ্যাল অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (ইএসজি) ফারহানা ইসলাম এবং ডিজিটাল ইনক্লুশন লিড তাজরিবা খুরশীদ কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিয়ে এক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস, জিএসএমএর সিনিয়র মার্কেট এনগেজমেন্ট ম্যানেজার গগনদীপ মনচান্দা, টেলিনর এশিয়ার চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মনীষা ডোগরা, গ্রামীণফোনের চিফ ককরপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মদ এবং চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান।

এ সময় গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান কর্মসূচির কয়েকজন সুবিধাভোগীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তারা জানান, কর্মসূচির মাধ্যমে অর্জিত ডিজিটাল দক্ষতা তাদের শিক্ষা, জীবিকা এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত