মওদূদীর তফসির গ্রন্থ পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার যুবক কারাগারে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা আবুল আ’লা মওদূদীর লেখা তফসির গ্রন্থ পোড়ানোর মামলায় গ্রেপ্তার আসামি মেহেদী হাসানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সে সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী ১৭ আগস্টের মধ্যে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর কারাগারে পাঠানোর এ নির্দেশ দেন।
বিকেলে মেহেদী হাসানকে আদালতে হাজির করে শাহবাগ থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নাজমুল হাসান তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালতের শাহবাগ থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পশ্চিম পাশে সাইয়্যেদ আবুল আ’লা মওদূদী রচিত ‘তাফহীমুল কোরআন’-এর তিনটি খণ্ডে আগুন দেওয়ার অভিযোগে সেখানে উপস্থিত লোকজন যুবক মেহেদী হাসানকে আটক করেন। তাঁকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল উদ্দিন মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে পুলিশের হেফাজতে নেয়।
আহত অবস্থায় মেহেদীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়।
পরে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল উদ্দিন মিয়া বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় দণ্ডবিধির ২৯৫-এ ধারায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মামলা করেন।









