রাজধানীর মালিবাগ ডিআইটি রোডের একটি আবাসিক হোটেল থেকে আলমগীর খান (৫০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে অসুস্থতার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশের ধারণা।
আজ বুধবার (৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আবাসিক হোটেল আল-ইসলামের চারতলার একটি কক্ষ থেকে ওই ব্যক্তির মরদেহটি উদ্ধার করে রামপুরা থানা-পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।
রামপুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাজী আবু জুবাইর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘হোটেল কর্তৃপক্ষের সংবাদে ঘটনাস্থলে যাই। পরে ওই আবাসিক হোটেল আল-ইসলামের চারতলার ৪১০ নম্বর কক্ষের বিছানা থেকে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করি। তবে সে সময় দরজা খোলা অবস্থায় ছিল। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
কাজী আবু জুবাইর আরও জানান, মৃত আলমগীরের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার পালং উপজেলার চব্বিশরশি গ্রামে। বাবার নাম আব্দুল মজিদ খান। এলাকায় কাপড়ের ব্যবসা করতেন। ৩ আগস্ট ওই ব্যক্তি চিকিৎসার জন্য হোটেলে ওঠেন। গত রাত সাড়ে ৩টার দিকে হোটেল ম্যানেজারের কাছে গ্যাস্টিকের ট্যাবলেট কিনে আনতে বলেন। পরে ম্যানেজার বাইরে থেকে ওষুধ এনে দেন। পরে ভোর পৌনে ৪টা থেকে সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে যেকোনো সময় তিনি মারা যান। ধারণা করা হচ্ছে, অসুস্থতার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় যাঁরা লোকজন ও ভারী যন্ত্রপাতি ভাড়া করতে অর্থায়ন করেছেন এবং ভাঙার নির্দেশ দিয়েছেন, তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত করে ঘটনায় জড়িত প্রায় ৪০ জনের একটি তালিকা করেছে।
১৪ মিনিট আগে
সাজানো-গোছানো সংসার ছিল ক্ষুদিরাম-চিত্রা বিশ্বাস দম্পতির। ঘরের আসবাব থেকে শুরু করে স্বপ্নের বসতভিটা—সবই এখন পানির নিচে। নিজের ঘর ছেড়ে গৃহপালিত পশু সঙ্গে নিয়ে এই সড়কের পাশেই আশ্রয় নিয়েছেন তাঁরা। এক-দুই দিন নয়, দীর্ঘ চার মাস এভাবেই কাটছে তাঁদের যাযাবর জীবন।
৩৫ মিনিট আগে
আইন অনুযায়ী, ওয়াসা বোর্ডের সদস্যের বাইরে কেউ প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হতে পারবেন না। তবে এই আইনের তোয়াক্কা না করেই চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপি নেতা ইদ্রিস মিয়া। ওয়াসার জমি বন্ধ রেখে ২২ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে।
৮ ঘণ্টা আগে
ঘড়ির কাঁটায় সকাল ৯টা। বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দাঁড়িয়ে বাঁশি বাজিয়ে শিক্ষার্থীদের সারবদ্ধভাবে ভেতরে প্রবেশ করান প্রধান শিক্ষক। পরে শুরু হলো প্রাত্যহিক সমাবেশ। শিক্ষার্থীদের জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও শারীরিক কসরতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই পর্ব। এরপর শিক্ষার্থীরা আবার সারবদ্ধভাবে যার যার শ্রেণিকক্ষে চলে যায়।
৮ ঘণ্টা আগে