
রাজধানীর হাতিরঝিল থেকে এক প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে পুলিশ প্লাজার পাশে হাতিরঝিল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।
মরদেহ উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির নাম এ জে এম লুতফে রব্বানী। তিনি ধানমন্ডি পশ্চিমের ১২৭, গ্রিন রোড এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং বর্তমানে গুলশান-১-এর ১৩৬ নম্বর রোডের ১১/বি নম্বর বাসায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট পাওয়া গেছে, যাতে লেখা ছিল, ‘আমি অসুস্থ, সবাই আমাকে মাফ করে দিয়ো।’ নিহতের পরিবার জানিয়েছে, তিনি পারকিনসন ও ডিমেনশিয়া রোগে ভুগছিলেন। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।
হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ বলেন, সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে গুলশান থানায় যোগাযোগ করলে জানা যায়, নিহত ব্যক্তির সন্ধানে একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছিল।
এসআই ফারুক আরও জানান, এ জে এম লুতফে রব্বানী বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পাস করা একজন প্রকৌশলী ছিলেন এবং বর্তমানে অবসরজীবন যাপন করছিলেন। তিনি একমাত্র মেয়েকে নিয়ে গুলশান-১ নম্বর এলাকায় থাকতেন। ১৫ অক্টোবর রাতে একটি চিরকুট লিখে বাসা থেকে বের হন। পরিবারের পক্ষ থেকে ১৬ অক্টোবর গুলশান থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

যশোরের মনিরামপুরে আরিফ হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ মাছের ঘেরে ফেলে রেখেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার বালিধা এলাকার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সকালে মনিরামপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে।
৩ মিনিট আগে
নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে