পরিবহন চালকদের জীবনমান উন্নয়ন হলে, যাত্রীদের প্রতি মায়া জন্মাবে বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপদ সড়ক চাই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলেছেন, ‘সাধারণ চালকদের জীবনমানের উন্নয়ন করুন। কারণ জীবনমানের উন্নয়ন না হলে যাত্রীদের প্রতি তাঁদের মায়া–মমতা জন্ম নেবে না।’
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’–এর ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে সহায়তা কার্যক্রম অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব লিটন এরশাদ, যুগ্ম মহাসচিব জুনাইদুর রহমান মাহফুজ প্রমুখ।
পরিবর্তনের জন্য পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্টদের মানসিকতায় পরিবর্তন দরকার মন্তব্য করে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘পরিবহন সেক্টরে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে একই পদে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এতে করে তাঁদের চিন্তাভাবনা ধ্যানধারণার মধ্যে পরিবর্তন আসছে না। অবশ্য তাঁদের চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করার আগে সাধারণ চালক ও কর্মীদের পরিবর্তন হতে হবে। না হলে যত চেষ্টা করা হোক না কেন, লাভ হবে না। সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমিয়ে এনে এসডিজি অর্জনে সরকারের যে লক্ষ্যমাত্রা, সেটাও পূরণ হবে না। তাই পরিবহন সেক্টরের সংশ্লিষ্টদের বলতে চাই, আপনারা আপনাদের মন–মানসিকতার পরিবর্তন করুন।’
তিনি বলেন, ‘৩০ বছর ধরে আমরা নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। মালিক–শ্রমিক পরিবহন সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন করার চেষ্টা করেছি। তাঁদের মন মানসিকতা যতক্ষণ পর্যন্ত পরিবর্তন না হবে, তার আগ পর্যন্ত আমরা আসলে সুফল পাব না।’
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ সংগঠন তিন দশকের পথচলায় সড়কের নিরাপত্তার কথা বলে এলেও দেশের যে কোনো দুর্যোগ এবং অসহায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে। বিশেষ করে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে প্রতিবছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জনকল্যাণমুখী কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে থাকে। এই কর্ম পরিকল্পনায় নগদ অর্থসহ আয়মূলক বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে— মোমবাতি তৈরির মেশিন প্রদান, হুইল চেয়ার, কৃত্রিম পা, ক্রাচ, ছোট দোকান তৈরি করে দেওয়া (পুঁজিসহ), গরু–ছাগল প্রদান, সেলাই মেশিন বিতরণ, গৃহহীনদের ঘর তৈরি করে দেওয়া এবং শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ।
প্রতিবছরের মতো এবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সহায়তামূলক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এবারও শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ, সেলাই মেশিন বিতরণ ও সারা দেশে ৩০০ পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরণ করা হবে।

মৌলভীবাজার তথা সিলেট বিভাগের ইফতারে অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো আখনি পোলাও। এই অঞ্চলের মানুষেরা নিজ বাড়িতে আখনি তৈরির পাশাপাশি রোজার মাসে বড় হাঁড়ির আখনি খাবারের স্বাদ নিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইফতার করতে আসেন। সুগন্ধি চাল, ঘি, গরম মসলা
৪ ঘণ্টা আগে
এবারও নির্ধারিত সময়ে (২৮ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়নি সুনামগঞ্জের হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ। অভিযোগ রয়েছে, বাঁধের কাজে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকায় সাব্যস্ত হয়েছে বাঁধ, বরাদ্দ ও প্রকল্প। টেকসই কাজ ও নির্ধারিত সময়সীমার বিপরীতে কে কত টাকায় প্রকল্প বাগিয়ে নিতে...
৪ ঘণ্টা আগে
উঠানে হাঁটুপানি। সেই পানিতে ভাসছে শেওলা। প্রথমে মনে হবে পরিত্যক্ত বাড়ি। অথচ এই বাড়িতেই স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন রেখা হালদার। রাস্তা থেকে বাড়িতে ঢুকতে একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। ঘর থেকে পানি সরলেও এখনো কর্দমাক্ত রান্নাঘর, গোয়ালঘর।
৪ ঘণ্টা আগে
এই দিনের জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন সবাই। পয়সা খরচ করে বই বের করা প্রকাশক তো বটেই, বইপ্রেমী পাঠকেরাও। জনশূন্য মেলায় ঘুরতে কার ভালো লাগে! স্টলে স্টলে থাকবে ক্রেতা-পাঠকের ভিড়। হাতে থাকবে একগাদা বইয়ের ব্যাগ। সেটিই তো বইমেলার চিরচেনা রূপ!।
৪ ঘণ্টা আগে