নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাড়তি দাম দিয়ে তেল কেনা এখন অনেকটাই গা সওয়া হয়ে গেছে ক্রেতাসাধারণের। এর মধ্যে আরও বেশি লাভের আশায় নতুন এক ফাঁদ পেতেছেন ব্যবসায়ীরা। মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। ঈদুল ফিতরের ঠিক আগ মুহূর্তে এসে ব্যবসায়ীদের এই প্রবণতা আরও বেড়ে যাওয়ায় তেলের বাজারে এখন আগুন।
এদিকে তেল মজুত রাখার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে বিসমিল্লাহ স্টোরের একটি গোডাউন থেকে ২ হাজার লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার, সহকারী পরিচালক ফাহমিনা আক্তার ও মো. মাগফুর রহমান। অবৈধভাবে ভোজ্যতেল মজুতের দায়ে বিসমিল্লাহ স্টোরকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া বেশি দামে তেল বিক্রিসহ ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণার দায়ে আরও দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। এই অভিযানের পরে তেলের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বলে জানান অভিযান সংশ্লিষ্টরা।
অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ফাহমিনা আক্তারের নেতৃত্বে বেলা ১১টার পর কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটে অভিযান শুরু হয়। মার্কেটের নিচতলার মুদিদোকানে তেলের সংকট দেখে তিন তলায় ডিলার ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের গুদামে যান এই কর্মকর্তা। একের পর এক গুদাম খুলতেই বেরিয়ে আসে কার্টন ভরা সয়াবিন তেল। সেই তেল নিচতলার মুদি দোকানিদের কাছে বিক্রি করা হয়।
মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ‘আমরা খোঁজখবর নিয়ে জানলাম, ভোজ্যতেলের মিলগুলো চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছে। তাহলে তেল যাচ্ছে কোথায়? পরে কয়েকজন ব্যবসায়ীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার সকালে কারওয়ান বাজারের দোতলা মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করি। এ সময় দেখি, বিসমিল্লাহ স্টোর নামের প্রতিষ্ঠানটির গোডাউনের সামনে সিগারেটের প্যাকেট রেখে পেছনে তেল মজুত করে রাখা হয়েছে। অথচ তারা ক্রেতাদের বলছে, তাদের গোডাউনে তেল নেই, সরবরাহ কম। এই বলে তারা অবৈধভাবে মজুত করছে। এই অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে আমরা ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছি।’
এ ছাড়া বেশি দামে তেল বিক্রি করায় সিদ্দিক এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা এবং বেশি দামে মুরগি বিক্রি করায় আরেকটি দোকানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
ভোক্তা অধিকারের ফাহমিনা আক্তার আরও বলেন, ‘আমরা খুচরা ও পাইকারি বাজারের পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জে সয়াবিন তেল পরিশোধনকারী কোম্পানির মিলগেটেও তদারকি করছি। সেখান থেকে প্রতিদিন রেকর্ড পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘বোতলের গায়ে উল্লেখ করা দামের চেয়ে কেউ এক টাকা বেশি দামে বিক্রি করলে জরিমানা করা হবে।’
ক্রেতা ও খুচরা বিক্রেতারা জানান, অভিযান পরিচালনার আগে কারওয়ান বাজারের অধিকাংশ দোকানেই সয়াবিন তেল ছিল না। হাতে গোনা কয়েকটি দোকানে সীমিত বোতল দেখা গেছে। তবে অভিযানের পরে দোকানগুলোতে তেল আসতে শুরু করে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, এক সপ্তাহ ধরেই সয়াবিন তেল চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে না। ডিলারদের কাছে তেল থাকলেও তাঁরা বেশি দামে তেল বিক্রি করেন।

বাড়তি দাম দিয়ে তেল কেনা এখন অনেকটাই গা সওয়া হয়ে গেছে ক্রেতাসাধারণের। এর মধ্যে আরও বেশি লাভের আশায় নতুন এক ফাঁদ পেতেছেন ব্যবসায়ীরা। মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। ঈদুল ফিতরের ঠিক আগ মুহূর্তে এসে ব্যবসায়ীদের এই প্রবণতা আরও বেড়ে যাওয়ায় তেলের বাজারে এখন আগুন।
এদিকে তেল মজুত রাখার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে বিসমিল্লাহ স্টোরের একটি গোডাউন থেকে ২ হাজার লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার, সহকারী পরিচালক ফাহমিনা আক্তার ও মো. মাগফুর রহমান। অবৈধভাবে ভোজ্যতেল মজুতের দায়ে বিসমিল্লাহ স্টোরকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া বেশি দামে তেল বিক্রিসহ ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণার দায়ে আরও দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। এই অভিযানের পরে তেলের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বলে জানান অভিযান সংশ্লিষ্টরা।
অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ফাহমিনা আক্তারের নেতৃত্বে বেলা ১১টার পর কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটে অভিযান শুরু হয়। মার্কেটের নিচতলার মুদিদোকানে তেলের সংকট দেখে তিন তলায় ডিলার ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের গুদামে যান এই কর্মকর্তা। একের পর এক গুদাম খুলতেই বেরিয়ে আসে কার্টন ভরা সয়াবিন তেল। সেই তেল নিচতলার মুদি দোকানিদের কাছে বিক্রি করা হয়।
মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ‘আমরা খোঁজখবর নিয়ে জানলাম, ভোজ্যতেলের মিলগুলো চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছে। তাহলে তেল যাচ্ছে কোথায়? পরে কয়েকজন ব্যবসায়ীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার সকালে কারওয়ান বাজারের দোতলা মার্কেটে অভিযান পরিচালনা করি। এ সময় দেখি, বিসমিল্লাহ স্টোর নামের প্রতিষ্ঠানটির গোডাউনের সামনে সিগারেটের প্যাকেট রেখে পেছনে তেল মজুত করে রাখা হয়েছে। অথচ তারা ক্রেতাদের বলছে, তাদের গোডাউনে তেল নেই, সরবরাহ কম। এই বলে তারা অবৈধভাবে মজুত করছে। এই অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে আমরা ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছি।’
এ ছাড়া বেশি দামে তেল বিক্রি করায় সিদ্দিক এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা এবং বেশি দামে মুরগি বিক্রি করায় আরেকটি দোকানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
ভোক্তা অধিকারের ফাহমিনা আক্তার আরও বলেন, ‘আমরা খুচরা ও পাইকারি বাজারের পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জে সয়াবিন তেল পরিশোধনকারী কোম্পানির মিলগেটেও তদারকি করছি। সেখান থেকে প্রতিদিন রেকর্ড পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘বোতলের গায়ে উল্লেখ করা দামের চেয়ে কেউ এক টাকা বেশি দামে বিক্রি করলে জরিমানা করা হবে।’
ক্রেতা ও খুচরা বিক্রেতারা জানান, অভিযান পরিচালনার আগে কারওয়ান বাজারের অধিকাংশ দোকানেই সয়াবিন তেল ছিল না। হাতে গোনা কয়েকটি দোকানে সীমিত বোতল দেখা গেছে। তবে অভিযানের পরে দোকানগুলোতে তেল আসতে শুরু করে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, এক সপ্তাহ ধরেই সয়াবিন তেল চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে না। ডিলারদের কাছে তেল থাকলেও তাঁরা বেশি দামে তেল বিক্রি করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৬ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৬ ঘণ্টা আগে