
রাজধানীর বাড্ডায় চিপস তৈরির কারখানায় আগুনে দুই কর্মচারী নিহত হয়েছেন। এঁরা হলেন মোস্তফা (২১) ও মাহমুদুল হাসান (২৩)। আজ সোমবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে পুর্ব বাড্ডা কবরস্থান রোডের মারিয়া আবদুল্লাহ ফুড চিপস তৈরির কারখানা থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। রাত ২টার দিকে আগুনের ঘটনা ঘটে।
বাড্ডা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আজহারুল ইসলাম জানান, রাত ২টার দিকে বাড্ডা কবরস্থান রোডের একটি চিপস কারখানায় শর্টসার্কিট থেকে আগুনের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিভিয়ে ফেলেন। এরপর কারখানার ভেতর থেকে দুই কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, আগুনে পুড়ে দুই কর্মচারী মারা গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মারিয়া আবদুল্লাহ ফুড চিপস কারখানার কর্মচারী মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, পূর্ব বাড্ডা কবরস্থান রোডে মারিয়া আবদুল্লাহ ফুড চিপসের কারখানাটি দোতলা টিনশেডের। গত রাতে কারখানায় তাঁরা ১০ জন কর্মচারী ছিলেন। রাত ১০টায় খাবার খেয়ে কারখানার দোতলায় তাঁরা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টার দিকে গরম হাওয়া, ধোঁয়া ও আশপাশের লোকজনের চিৎকারে তাঁদের ঘুম ভেঙে যায়। কারখানা থেকে সবাই বের হলেও মোস্তফা ও মাহমুদুল পারেননি। আগুন নেভানোর পর কারখানার দোতলায় তাঁদের মরদেহ পাওয়া যায়।
জানা গেছে, মাহমুদুল ও মোস্তফার গ্রামের বাড়ি রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায়। মাহমুদুলের বাবার নাম ইসলাম উদ্দিন। মোস্তফার বাবার নাম মজনু মিয়া।

রাজধানীর উত্তরা-পশ্চিম থানাধীন একটি হোটেলের কক্ষ থেকে লি শিংচিয়াং (৪০) নামে এক চীনা নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
৭ মিনিট আগে
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কবর থেকে দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার আলামত পায়। পরে সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নির্দেশে এবং স্থানীয়দের সহায়তায় দরবার শরিফ প্রাঙ্গণ থেকে দেহাবশেষ উত্তোলন করে আগের কবরস্থানেই পুনরায় দাফন করা হয়।
৯ মিনিট আগে
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার রেলওয়ে ইয়ার্ড কলোনিতে একটি ছাতিমগাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত যুবকের নাম এম ডি বাঁধন (২৩)। তিনি সান্তাহার পৌর শহরের ইয়ার্ড কলোনি মহল্লার মাসুদ রানার ছেলে।
২৩ মিনিট আগে
রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলের মা ফরিদা বেগম আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনি চার ছেলে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
১ ঘণ্টা আগে