মাদারীপুর প্রতিনিধি

সাবেক স্বামীর পরিবারের লোকজন সন্তানকে নিয়ে যাওয়ায় আত্মহত্যা করেছেন মা। নিহতের পরিবার থেকে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার রাতে বাবার বাড়িতে ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন কলি আক্তার (২২)।
কলি আক্তার মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের টুবিয়া এলাকার ছালাম খাঁর মেয়ে।
পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের টুবিয়া এলাকার মৃত রকমান মাতুব্বরর ছেলে কাতার প্রবাসী আসলাম মাতুব্বর (৩১)। তাঁর সঙ্গে একই এলাকার ছালাম খাঁর মেয়ে কলি আক্তারের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। কিন্তু পারিবারিক কলহের জেরে দেড় মাস আগে আসলামের সঙ্গে কলির বিচ্ছেদ হয়। এরপর এক বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন কলি। গত শুক্রবার দুপুরে প্রতিবেশী মন্নান খাঁর ছেলে আলী খাঁর (৩০) সঙ্গে পারিবারিকভাবে কলির বিয়ে হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয় কলির সাবেক স্বামীর পরিবারের লোকজন। গতকাল শনিবার সকালে আসলামের পরিবারের লোকজন এসে কলির কোল থেকে তাঁর সন্তানকে জোর করে নিয়ে যায়।
সন্তানকে এভাবে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ায় মুষড়ে পড়েন কলি। রাতে শোবার ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে দরজা ভেঙে কলির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এদিকে ঘটনার পর আসলামের পরিবারের লোকজন পালিয়েছে।
কলির বাবা ছালাম খাঁ বলেন, মেয়ের অশান্তির কারণে প্রথমে ডিভোর্স হয়। পরে অন্যত্র বিয়ের খবরে পরিকল্পিতভাবে আমার নাতিকে তুলে নেয় আসলামের লোকজন। এই ঘটনা আমার মেয়ে সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শিশুকে কলির কাছ থেকে নেওয়ার পরপরই ঘটে এমন ঘটনা। এই ঘটনায় স্বজনদের কাছ থেকে লিখিত পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল দুটি স্থানেই পুলিশের আলাদা দুটি টিম কাজ করছে।

সাবেক স্বামীর পরিবারের লোকজন সন্তানকে নিয়ে যাওয়ায় আত্মহত্যা করেছেন মা। নিহতের পরিবার থেকে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার রাতে বাবার বাড়িতে ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন কলি আক্তার (২২)।
কলি আক্তার মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের টুবিয়া এলাকার ছালাম খাঁর মেয়ে।
পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের টুবিয়া এলাকার মৃত রকমান মাতুব্বরর ছেলে কাতার প্রবাসী আসলাম মাতুব্বর (৩১)। তাঁর সঙ্গে একই এলাকার ছালাম খাঁর মেয়ে কলি আক্তারের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। কিন্তু পারিবারিক কলহের জেরে দেড় মাস আগে আসলামের সঙ্গে কলির বিচ্ছেদ হয়। এরপর এক বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন কলি। গত শুক্রবার দুপুরে প্রতিবেশী মন্নান খাঁর ছেলে আলী খাঁর (৩০) সঙ্গে পারিবারিকভাবে কলির বিয়ে হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয় কলির সাবেক স্বামীর পরিবারের লোকজন। গতকাল শনিবার সকালে আসলামের পরিবারের লোকজন এসে কলির কোল থেকে তাঁর সন্তানকে জোর করে নিয়ে যায়।
সন্তানকে এভাবে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ায় মুষড়ে পড়েন কলি। রাতে শোবার ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে দরজা ভেঙে কলির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এদিকে ঘটনার পর আসলামের পরিবারের লোকজন পালিয়েছে।
কলির বাবা ছালাম খাঁ বলেন, মেয়ের অশান্তির কারণে প্রথমে ডিভোর্স হয়। পরে অন্যত্র বিয়ের খবরে পরিকল্পিতভাবে আমার নাতিকে তুলে নেয় আসলামের লোকজন। এই ঘটনা আমার মেয়ে সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে।
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শিশুকে কলির কাছ থেকে নেওয়ার পরপরই ঘটে এমন ঘটনা। এই ঘটনায় স্বজনদের কাছ থেকে লিখিত পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল দুটি স্থানেই পুলিশের আলাদা দুটি টিম কাজ করছে।

রাজশাহীতে রাস্তার কাজের সাইটে চাঁদা চাইতে গিয়ে পিটুনির শিকার হয়েছেন এক বিএনপির কর্মী। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা কলেজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৪৪ মিনিট আগে
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ২৬ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে শিক্ষকের প্রাইভেট কারের ধাক্কায় এক ছাত্রী আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তাপসী রাবেয়া হলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে। আহত ওই ছাত্রী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের অর্থোপেডিকস ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া কলাহাটের ভেতরে উল্টে যাওয়া বালুর ট্রাকের নিচে পড়ে আহত কলার ব্যাপারী রায়হানুল ইসলামও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচজনে
১ ঘণ্টা আগে