
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি ১০ বছরের এক দীর্ঘ ও তিক্ত বৈবাহিক বিবাদ শেষ করতে বিশেষ ক্ষমতা ব্যবহার করে সরাসরি বিবাহবিচ্ছেদের আদেশ দিয়েছেন। আদালত এই বিবাদকে ‘মহাভারতের’ লড়াইয়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

ফারজানা যখন তাঁর ওপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দেন, তখন বিচারক প্রমাণ যান। কিন্তু ফারজানা কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় বিচারক তাঁকে ভর্ৎসনা করে বলেন, ‘তুমি যখন তরুণী ছিলে তখন স্বামীর সঙ্গে দিনগুলো উপভোগ করেছ। এখন সে বৃদ্ধ হচ্ছে দেখে তুমি বিচ্ছেদের অজুহাত খুঁজছ যাতে অন্য কাউকে বিয়ে করতে পারো।

নিউইয়র্কে সবকিছু যেন ঠিক পথেই এগোচ্ছিল। বড় চাকরি, ব্যস্ত নগরজীবন, ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা—সব মিলিয়ে মেইসি স্ট্রামের জীবন ছিল গুছানো। কিন্তু ২০২৩ সালের জানুয়ারির কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই হঠাৎ এক বিচ্ছেদ সবকিছু ওলটপালট করে দেয়।

বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আদালতে যেসব কারণ সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়, সেগুলোর মধ্যে আছে, দীর্ঘমেয়াদি ভরণপোষণের অভাব, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, পরিবারের প্রতি দায়িত্বহীনতা এবং মানসিক, সামাজিক ও আর্থিকভাবে একসঙ্গে থাকা অসহনীয় অবস্থা।