নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন শিল্পী-কলাকুশলীরা। আজ শনিবার সকালে ‘ঐতিহ্য ও কৃষ্টির এই দেশে, থাকি সবাই মিলেমিশে’ স্লোগানে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সমাবেশ করছেন তাঁরা।
ধারাবাহিক সহিংসতার ঘটনায় ১৩ অক্টোবর কুমিল্লার রাজেশ্বরী কালীবাড়ি মন্দিরে হামলার শিকার হন দৃষ্টিপাত নাট্যদলের সদস্য অধরা প্রিয়ার বাবা দিলীপ দাস। মাথায় ইটের আঘাত পাওয়া দিলীপ দাস ২১ অক্টোবর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। অধরা প্রিয়া কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘আজ আট দিন ধরে বাবা নেই। আমি বিশ্বাসই করতে পারি না, আমার সংস্কৃতিমনা, অসাম্প্রদায়িক বাবাকে আঘাত করে করে মারা হয়েছে। আমার বাবা এমন একজন মানুষ, যিনি ধর্ম নিয়ে কোনো ভেদাভেদ করেননি। অনুগ্রহ করে সবাই মিলে আমার বাবা হত্যার বিচার এনে দিন।’
প্রতিবাদ সমাবেশে নাট্যকার ও অভিনেতা মামুনুর রশীদ বলেন, ‘অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় হয়েছে। এদের রুখতে এটাই আমাদের প্রথম সমাবেশ, কিন্তু এটাই শেষ নয়। শারদীয় দুর্গোৎসবে হামলার প্রতিবাদে প্রতিটি সাংস্কৃতিক সংগঠনকে আলাদা কর্মসূচি নিতে হবে। সম্মিলিতভাবে প্রতিবাদ করতে হবে।’
অভিনেতা তারিক আনাম খান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলাম। এমন ঘটনা দেখে ব্যক্তি হিসেবে খুব কষ্ট হয়। অধরা প্রিয়ার সামনে মাথা নত হয়ে যায়। ক্ষমতার রাজনীতি থেকে সরে এসে উন্নত সমাজ তৈরি করতে না পারলে আমরা কেউই নিরাপদ না।’ নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পী গাজী রাকায়েত বলেন, ‘সংস্কৃতিবিহীন মানুষ শুধুই একটা প্রাণী। সংস্কৃতি ছাড়া কোনো শিক্ষা পূর্ণ হতে পারে না।’ তিনি সংস্কৃতিকে পাঠ্যধারায় নম্বরসহ যুক্ত করার দাবি জানান।
ডিরেক্টরস গিল্ড এর সভাপতি, নির্মাতা ও অভিনেতা সালাহউদ্দিন লাভলু বলেন, ‘সংস্কৃতি চর্চার যে জায়গা ছিল, সেটা এখন আর আগের মতো নেই। শিল্পীরা মানুষের মনন গঠনের কাজ করেন।’ সাম্প্রদায়িক চক্রের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করা এখন শিল্পী সমাজের দায়িত্ব বলে জানান তিনি।
নাট্যকার মাসুম রেজা বলেন, ‘সম্প্রীতি নষ্টের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশকে বিভাজন করা হচ্ছে। কিছু স্বার্থান্বেষী মহল এটা করার চেষ্টা করছে। দেশের সব আন্দোলনে শিল্পীরা লেখনী, অভিনয়, গান, নির্মাণ দিয়ে ও রাজপথে থেকে আন্দোলন করেছে। আমরা শিল্পীরা যাদের জন্য কাজ করি, তাদের মধ্যেই যদি সম্প্রীতি না থাকে, তাহলে আমাদের কাজের মূল্য নেই। সেই জায়গা থেকেই সশরীরে আজকে শিল্পী ও কলাকুশলীরা সম্প্রীতির জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়েছি।’
সমাবেশের প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক অভিনয়শিল্পী ইরেশ যাকের বলেন, ‘এ হামলার ঘটনা কেন ঘটল? আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে ব্যর্থ। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও আমরা মানুষের হৃদয়ে পৌঁছাতে পারিনি।’
প্রতিবাদ সমাবেশে আরও অংশ নেন আবুল কালাম আজাদ, মীর সাব্বির, শমী কায়সার, তারিন, দীপা খন্দকার, শাহেদ আলী সুজন, আহসান হাবিব নাসিম, মীর সাব্বির, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে গোলাম কুদ্দুছ, বাংলাদেশ নাট্যকার সংঘের সাধারণ সম্পাদক এজাজ মুন্না, সম্প্রীতির বাংলাদেশের সভাপতি পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়, চয়নিকা চৌধুরী, নৃত্যাঞ্চলের অন্যতম পরিচালক শিবলী মোহাম্মদ, শিহাব শাহীন, কামরুজ্জামান সাগর, পিকলু চৌধুরী, দেবাশীষ বিশ্বাস, কণ্ঠশিল্পী জয় শাহরিয়ার, গীতিকার মাহমুদ মানজুর সহ প্রমুখ।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন শিল্পী-কলাকুশলীরা। আজ শনিবার সকালে ‘ঐতিহ্য ও কৃষ্টির এই দেশে, থাকি সবাই মিলেমিশে’ স্লোগানে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সমাবেশ করছেন তাঁরা।
ধারাবাহিক সহিংসতার ঘটনায় ১৩ অক্টোবর কুমিল্লার রাজেশ্বরী কালীবাড়ি মন্দিরে হামলার শিকার হন দৃষ্টিপাত নাট্যদলের সদস্য অধরা প্রিয়ার বাবা দিলীপ দাস। মাথায় ইটের আঘাত পাওয়া দিলীপ দাস ২১ অক্টোবর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। অধরা প্রিয়া কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘আজ আট দিন ধরে বাবা নেই। আমি বিশ্বাসই করতে পারি না, আমার সংস্কৃতিমনা, অসাম্প্রদায়িক বাবাকে আঘাত করে করে মারা হয়েছে। আমার বাবা এমন একজন মানুষ, যিনি ধর্ম নিয়ে কোনো ভেদাভেদ করেননি। অনুগ্রহ করে সবাই মিলে আমার বাবা হত্যার বিচার এনে দিন।’
প্রতিবাদ সমাবেশে নাট্যকার ও অভিনেতা মামুনুর রশীদ বলেন, ‘অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় হয়েছে। এদের রুখতে এটাই আমাদের প্রথম সমাবেশ, কিন্তু এটাই শেষ নয়। শারদীয় দুর্গোৎসবে হামলার প্রতিবাদে প্রতিটি সাংস্কৃতিক সংগঠনকে আলাদা কর্মসূচি নিতে হবে। সম্মিলিতভাবে প্রতিবাদ করতে হবে।’
অভিনেতা তারিক আনাম খান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলাম। এমন ঘটনা দেখে ব্যক্তি হিসেবে খুব কষ্ট হয়। অধরা প্রিয়ার সামনে মাথা নত হয়ে যায়। ক্ষমতার রাজনীতি থেকে সরে এসে উন্নত সমাজ তৈরি করতে না পারলে আমরা কেউই নিরাপদ না।’ নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পী গাজী রাকায়েত বলেন, ‘সংস্কৃতিবিহীন মানুষ শুধুই একটা প্রাণী। সংস্কৃতি ছাড়া কোনো শিক্ষা পূর্ণ হতে পারে না।’ তিনি সংস্কৃতিকে পাঠ্যধারায় নম্বরসহ যুক্ত করার দাবি জানান।
ডিরেক্টরস গিল্ড এর সভাপতি, নির্মাতা ও অভিনেতা সালাহউদ্দিন লাভলু বলেন, ‘সংস্কৃতি চর্চার যে জায়গা ছিল, সেটা এখন আর আগের মতো নেই। শিল্পীরা মানুষের মনন গঠনের কাজ করেন।’ সাম্প্রদায়িক চক্রের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করা এখন শিল্পী সমাজের দায়িত্ব বলে জানান তিনি।
নাট্যকার মাসুম রেজা বলেন, ‘সম্প্রীতি নষ্টের ভেতর দিয়ে বাংলাদেশকে বিভাজন করা হচ্ছে। কিছু স্বার্থান্বেষী মহল এটা করার চেষ্টা করছে। দেশের সব আন্দোলনে শিল্পীরা লেখনী, অভিনয়, গান, নির্মাণ দিয়ে ও রাজপথে থেকে আন্দোলন করেছে। আমরা শিল্পীরা যাদের জন্য কাজ করি, তাদের মধ্যেই যদি সম্প্রীতি না থাকে, তাহলে আমাদের কাজের মূল্য নেই। সেই জায়গা থেকেই সশরীরে আজকে শিল্পী ও কলাকুশলীরা সম্প্রীতির জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়েছি।’
সমাবেশের প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক অভিনয়শিল্পী ইরেশ যাকের বলেন, ‘এ হামলার ঘটনা কেন ঘটল? আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে ব্যর্থ। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও আমরা মানুষের হৃদয়ে পৌঁছাতে পারিনি।’
প্রতিবাদ সমাবেশে আরও অংশ নেন আবুল কালাম আজাদ, মীর সাব্বির, শমী কায়সার, তারিন, দীপা খন্দকার, শাহেদ আলী সুজন, আহসান হাবিব নাসিম, মীর সাব্বির, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে গোলাম কুদ্দুছ, বাংলাদেশ নাট্যকার সংঘের সাধারণ সম্পাদক এজাজ মুন্না, সম্প্রীতির বাংলাদেশের সভাপতি পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়, চয়নিকা চৌধুরী, নৃত্যাঞ্চলের অন্যতম পরিচালক শিবলী মোহাম্মদ, শিহাব শাহীন, কামরুজ্জামান সাগর, পিকলু চৌধুরী, দেবাশীষ বিশ্বাস, কণ্ঠশিল্পী জয় শাহরিয়ার, গীতিকার মাহমুদ মানজুর সহ প্রমুখ।

যশোর সরকারি এম এম কলেজের শহীদ আসাদ হলে ঢুকে রবিউল ইসলাম (২১) নামে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে হলের ২০৮ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। আহত রবিউল ইসলাম ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের
১৯ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৬ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৭ ঘণ্টা আগে