নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘জিনের বাদশা’ ও ‘জৈনপুরি মা ফাতেমা’র নামে অলৌকিক শক্তি ও আধ্যাত্মিক সমাধানের ফাঁদ পেতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া একটি প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর)। তারা দীর্ঘদিন ধরে আধ্যাত্মিক ক্ষমতার কথা বলে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিবিআই ঢাকা মেট্রোর (উত্তর) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনায়েত হোসেন মান্নান এই তথ্য জানান।
পিবিআই ১৮ মে থেকে ভোলার বোরহানউদ্দিন, লালমোহন ও তজুমদ্দিন থেকে বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে এই চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. রাকিব, মো. রাকিব মোল্লা ও মো. আলাউদ্দিন। তাঁদের সবার বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার ফুলকাচিয়া গ্রামে। গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে রাকিব ও রাকিব মোল্লা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পিবিআইয়ের এই কর্মকর্তা জানান, ‘সুপার ন্যাচারাল’ ক্ষমতার দাবিদার ‘জৈনপুরি মা ফাতেমা’র দরবারের নামে বিভিন্ন টিভি ও ইউটিউব চ্যানেলে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারকেরা হাজারো মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এসব বিজ্ঞাপনে দাবি করা হতো, মা ফাতেমা মুখ দেখেই মানুষের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। তাঁর দরবারে জিনের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী ফেরানো, বিদেশযাত্রার বাধা কাটানো, চাকরিতে প্রমোশনসহ সব সমস্যার সমাধান হয়।
সৌদিপ্রবাসীর স্ত্রীর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি
ঢাকার তেজগাঁওয়ের গৃহবধূ রহিমা বেগম এই চক্রের মূল ভুক্তভোগীদের একজন। তাঁর স্বামী সৌদিতে ১৭ জন বাংলাদেশিকে ভিসা দেওয়ার চেষ্টায় কফিলকে ৩৫ লাখ টাকা দেন। তবে তিনি সেখানে প্রতারণার শিকার হন। স্বামীর দিশেহারা অবস্থায় রহিমা বেগম ইউটিউবে প্রচারিত ‘মা ফাতেমা’র বিজ্ঞাপন দেখে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর এই প্রতারক চক্র সমস্যা সমাধানের কথা বলে ধাপে ধাপে তাঁর কাছ থেকে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।
পরে রহিমা বেগম এই ঘটনায় গত ২২ এপ্রিল তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ ওই মামলা তদন্ত করতে নেমে জানতে পারে, অভিযুক্ত কেবল রহিমা নন, একই কৌশলে আরও অনেক হতাশাগ্রস্ত ও সমস্যাগ্রস্ত মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র।
প্রতারণার অভিনব কৌশল ও ব্ল্যাকমেল
প্রতারকেরা বিজ্ঞাপনে দাবি করত, শবে বরাতের রাতে স্বপ্নযোগে জৈনপুরি মা ফাতেমা অলৌকিক ক্ষমতা অর্জন করেছেন। বিদেশযাত্রায় বাধা থাকলে কফিলকে বাধ্য করার জন্য আগরবাতি, গোলাপজল, রত্নময়ী আংটি ও বিশেষ পোশাকের জন্য টাকা দাবি করা হতো। কখনো বলা হতো, জিনদের পবিত্র করতে ২১ কেজি ভুটানি গরুর দুধ দরকার। আবার বলা হতো, খবিশ জিনরা প্রস্রাব করায় জিন আটকা পড়েছে, তাদের ছাড়াতে পাঁঠা বলি দিতে হবে। এই সব গল্পে ‘জিনেরা’ রূপ ধরে টাকা নিতে আসবে—এমন নানা নাটক সাজিয়ে ভুক্তভোগীদের ধাপে ধাপে সর্বস্বান্ত করা হতো।
যারা তাদের কথামতো কাজ করত না, তাদের ভয় দেখাতে ইউটিউব থেকে ডাউনলোড করা বীভৎস জিন-পরীর ছবি পাঠানো হতো। বলা হতো, কথা ফাঁস করলে সন্তান রক্তবমি করে মারা যাবে, পরিবারের সদস্যের অঙ্গহানি হবে। প্রতারণার অংশ হিসেবে পুরুষ সদস্যরাই ‘মা ফাতেমা’র নারী কণ্ঠে ভয়েস চেঞ্জ করে কথা বলত। অন্যের নামে নিবন্ধিত সিমে বিকাশ বা নগদ অ্যাকাউন্ট খুলে লেনদেন করা হতো টাকা।

‘জিনের বাদশা’ ও ‘জৈনপুরি মা ফাতেমা’র নামে অলৌকিক শক্তি ও আধ্যাত্মিক সমাধানের ফাঁদ পেতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া একটি প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর)। তারা দীর্ঘদিন ধরে আধ্যাত্মিক ক্ষমতার কথা বলে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিবিআই ঢাকা মেট্রোর (উত্তর) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনায়েত হোসেন মান্নান এই তথ্য জানান।
পিবিআই ১৮ মে থেকে ভোলার বোরহানউদ্দিন, লালমোহন ও তজুমদ্দিন থেকে বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে এই চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. রাকিব, মো. রাকিব মোল্লা ও মো. আলাউদ্দিন। তাঁদের সবার বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার ফুলকাচিয়া গ্রামে। গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে রাকিব ও রাকিব মোল্লা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পিবিআইয়ের এই কর্মকর্তা জানান, ‘সুপার ন্যাচারাল’ ক্ষমতার দাবিদার ‘জৈনপুরি মা ফাতেমা’র দরবারের নামে বিভিন্ন টিভি ও ইউটিউব চ্যানেলে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারকেরা হাজারো মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এসব বিজ্ঞাপনে দাবি করা হতো, মা ফাতেমা মুখ দেখেই মানুষের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। তাঁর দরবারে জিনের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী ফেরানো, বিদেশযাত্রার বাধা কাটানো, চাকরিতে প্রমোশনসহ সব সমস্যার সমাধান হয়।
সৌদিপ্রবাসীর স্ত্রীর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি
ঢাকার তেজগাঁওয়ের গৃহবধূ রহিমা বেগম এই চক্রের মূল ভুক্তভোগীদের একজন। তাঁর স্বামী সৌদিতে ১৭ জন বাংলাদেশিকে ভিসা দেওয়ার চেষ্টায় কফিলকে ৩৫ লাখ টাকা দেন। তবে তিনি সেখানে প্রতারণার শিকার হন। স্বামীর দিশেহারা অবস্থায় রহিমা বেগম ইউটিউবে প্রচারিত ‘মা ফাতেমা’র বিজ্ঞাপন দেখে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর এই প্রতারক চক্র সমস্যা সমাধানের কথা বলে ধাপে ধাপে তাঁর কাছ থেকে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।
পরে রহিমা বেগম এই ঘটনায় গত ২২ এপ্রিল তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ ওই মামলা তদন্ত করতে নেমে জানতে পারে, অভিযুক্ত কেবল রহিমা নন, একই কৌশলে আরও অনেক হতাশাগ্রস্ত ও সমস্যাগ্রস্ত মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র।
প্রতারণার অভিনব কৌশল ও ব্ল্যাকমেল
প্রতারকেরা বিজ্ঞাপনে দাবি করত, শবে বরাতের রাতে স্বপ্নযোগে জৈনপুরি মা ফাতেমা অলৌকিক ক্ষমতা অর্জন করেছেন। বিদেশযাত্রায় বাধা থাকলে কফিলকে বাধ্য করার জন্য আগরবাতি, গোলাপজল, রত্নময়ী আংটি ও বিশেষ পোশাকের জন্য টাকা দাবি করা হতো। কখনো বলা হতো, জিনদের পবিত্র করতে ২১ কেজি ভুটানি গরুর দুধ দরকার। আবার বলা হতো, খবিশ জিনরা প্রস্রাব করায় জিন আটকা পড়েছে, তাদের ছাড়াতে পাঁঠা বলি দিতে হবে। এই সব গল্পে ‘জিনেরা’ রূপ ধরে টাকা নিতে আসবে—এমন নানা নাটক সাজিয়ে ভুক্তভোগীদের ধাপে ধাপে সর্বস্বান্ত করা হতো।
যারা তাদের কথামতো কাজ করত না, তাদের ভয় দেখাতে ইউটিউব থেকে ডাউনলোড করা বীভৎস জিন-পরীর ছবি পাঠানো হতো। বলা হতো, কথা ফাঁস করলে সন্তান রক্তবমি করে মারা যাবে, পরিবারের সদস্যের অঙ্গহানি হবে। প্রতারণার অংশ হিসেবে পুরুষ সদস্যরাই ‘মা ফাতেমা’র নারী কণ্ঠে ভয়েস চেঞ্জ করে কথা বলত। অন্যের নামে নিবন্ধিত সিমে বিকাশ বা নগদ অ্যাকাউন্ট খুলে লেনদেন করা হতো টাকা।

মাদারীপুরের শিবচরে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় নিহত নারীর স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে শিবচর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের আব্দুর রহমান ব্যাপারী কান্দি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
২০ মিনিট আগে
টানা শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে জেলার হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে বয়স্ক, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
২৬ মিনিট আগে
উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলায় পুকুরে ডুবে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সেই ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে এক শিক্ষার্থী। মো. তাহাসিন নামের ওই শিক্ষার্থী উদ্ভাবন করেছে ‘চাইল্ড সেফটি ডিভাইস’ নামের একটি বিশেষ যন্ত্র, যা পানিতে ডুবে গেলেই শিশুর অভিভাবকের মোবাইল ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকেত পাঠাবে।
৩১ মিনিট আগে
গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে