নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঘুষের দেড় লাখ টাকাসহ জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের উপসহকারী প্রকৌশলী মোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার জাগৃকের দিনাজপুর কার্যালয় থেকে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘ফাইল আটকে সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে মোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুদকের দিনাজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।’
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মোরশেদ আলম দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের দিনাজপুর কার্যালয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। তিনিসহ একটি চক্রের বিরুদ্ধে রিভাইজড প্ল্যান অনুমোদন, খণ্ড জমি বরাদ্দ ও প্লটের বাণিজ্যিক অনুমোদনে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া যায়।
যার প্রেক্ষিতে দুদকের দিনাজপুর কার্যালয় থেকে এনফোর্সমেন্ট ইউনিট অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মোরশেদ আলমের দপ্তরে ঘুষ লেনদেনের প্রমাণ পায় দুদক টিম। একই সঙ্গে তার কাছে দেড় লাখ টাকাও পাওয়া যায়। এ সময় দুদক কর্মকর্তারা ওই টাকা ও বিভিন্ন রেকর্ডপত্র জব্দ করেন। পরে মোরশেদ আলমকে আটক করে দুদক কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।
দুদকের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও ঘুষ গ্রহণের কথা স্বীকার করেছেন গৃহায়ণের এই উপসহকারী প্রকৌশলী।
ফলে তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬১ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ সালের ৫(২) ধারায় অপরাধ করায় রেকর্ডপত্র এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের আলোকে দুদক বিধিমালা, ২০০৭ -এর বিধি ১০(১)(চ) অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়।
দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন দিনাজপুর সজেকার উপপরিচালক মুহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন। এ সময় আরও ছিলেন সহকারী পরিচালক মো. নূর আলম, মো. ইসমাইল হোসেন ও মো. বুলবুল আহমেদ এবং উপসহকারী পরিচালক কামরুন্নাহার সরকার ও সাগর কুমার সাহা।

ঘুষের দেড় লাখ টাকাসহ জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের উপসহকারী প্রকৌশলী মোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার জাগৃকের দিনাজপুর কার্যালয় থেকে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘ফাইল আটকে সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে মোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুদকের দিনাজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।’
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মোরশেদ আলম দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের দিনাজপুর কার্যালয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। তিনিসহ একটি চক্রের বিরুদ্ধে রিভাইজড প্ল্যান অনুমোদন, খণ্ড জমি বরাদ্দ ও প্লটের বাণিজ্যিক অনুমোদনে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া যায়।
যার প্রেক্ষিতে দুদকের দিনাজপুর কার্যালয় থেকে এনফোর্সমেন্ট ইউনিট অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মোরশেদ আলমের দপ্তরে ঘুষ লেনদেনের প্রমাণ পায় দুদক টিম। একই সঙ্গে তার কাছে দেড় লাখ টাকাও পাওয়া যায়। এ সময় দুদক কর্মকর্তারা ওই টাকা ও বিভিন্ন রেকর্ডপত্র জব্দ করেন। পরে মোরশেদ আলমকে আটক করে দুদক কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।
দুদকের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও ঘুষ গ্রহণের কথা স্বীকার করেছেন গৃহায়ণের এই উপসহকারী প্রকৌশলী।
ফলে তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬১ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ সালের ৫(২) ধারায় অপরাধ করায় রেকর্ডপত্র এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের আলোকে দুদক বিধিমালা, ২০০৭ -এর বিধি ১০(১)(চ) অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়।
দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন দিনাজপুর সজেকার উপপরিচালক মুহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন। এ সময় আরও ছিলেন সহকারী পরিচালক মো. নূর আলম, মো. ইসমাইল হোসেন ও মো. বুলবুল আহমেদ এবং উপসহকারী পরিচালক কামরুন্নাহার সরকার ও সাগর কুমার সাহা।

ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৯ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে