
প্রায় দুই যুগ পর রমনা বটমূলে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে বোমা হামলা মামলায় ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিলের রায় ঘোষণা শুরু করেছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের বেঞ্চে এই রায় ঘোষণা শুরু হয়। আদালত পরবর্তী রায় ঘোষণার জন্য আগামী মঙ্গলবার (১৩ মে) দিন ধার্য করেছেন।
এর আগে রমনা বটমূলে বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ডেথ রেফারেন্স এবং জেল আপিল ও আপিলের শুনানি গত ১৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। পরে রায় ঘোষণার জন্য মামলাটি অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল। আসামিপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান, সরওয়ার আহমেদ ও মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী।
২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় ঘটনাস্থলেই নয়জন নিহত হন এবং হাসপাতালে মারা যান আরও একজন। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০১৪ সালের ২৩ জুন রায় দেন বিচারিক আদালত। রায়ে মুফতি হান্নানসহ আটজনের মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বিচারিক আদালতের রায়ের পর আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়। অন্যদিকে কারাগারে থাকা আসামিরা পৃথক আপিল ও জেল আপিল করেন। উল্লেখ্য, অপর এক মামলায় মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড ইতিমধ্যে কার্যকর হয়েছে। বিচারিক আদালত থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন—আকবর হোসেন, আরিফ হাসান সুমন, মো. তাজউদ্দিন, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, আবদুল হাই ও শফিকুর রহমান। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন–শাহাদাত উল্লাহ জুয়েল, সাব্বির, শেখ ফরিদ, আবদুর রউফ, ইয়াহিয়া ও আবু তাহের। এদিকে মো. তাজউদ্দিন ও হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর রায়ের পর থেকে পলাতক রয়েছেন।

রোববার (২৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিদুল ইসলাম অন্য পাঁচ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে তদন্ত কমিটি দৌলতদিয়া বাস টার্মিনালে রাখা দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি পরিদর্শন করে।
৩ মিনিট আগে
শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতুর ওপর দিয়ে ৪২ হাজার ৩৭৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ১৮ হাজার ৩৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ২৪ হাজার ৪৫০ টাকা। অপর দিকে ঢাকাগামী ২৪ হাজার ৩৩৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খালেক সরদারের তিন ছেলে খলিল সরদার, সহিদ সরদার ও আলাউদ্দিন সরদার। জীবিত অবস্থায় খালেক সরদার একটি গ্রামীণ টাওয়ার নির্মাণের জন্য জমি দেন। ওই টাওয়ারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিবছর এককালীন টাকা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পঞ্চগড় থেকে বেশ কিছু যাত্রী নিয়ে হেরিটেজ স্লিপার নামের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকায় যাচ্ছিল। পথে চন্ডিপুর এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বালুবাহী ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই বাসের চালকের সহকারী ও এক যাত্রীর মৃত্যু হয়।
২ ঘণ্টা আগে