
সকাল সোয়া ৬টায় সম্মিলিত গান ‘জাগো আলোক লগনে’ গেয়ে শুরু হয়েছে ছায়ানটের নতুন বছরকে আবাহন। একে একে পরিবেশিত হয় রবীন্দ্রসংগীত ‘এ কী সুগন্ধহিল্লোল বহিল’ ও ‘তোমার হাতের রাখীখানি বাঁধো আমার দখিন-হাতে’, ‘বাজাও আমারে বাজাও’।

ঢাকার রমনা বটমূলে যে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হয়, তার একটি গভীর প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস রয়েছে। পয়লা বৈশাখের এই উৎসব বাঙালি জাতিসত্তার ধারায় মিশে আমাদের স্বরূপ সন্ধানে সহায়ক হয়েছে। এটি আমাদের জাতীয় সংকটের গর্ভ থেকে সঞ্জাত, শুধু আনন্দের আয়োজন নয়।

পয়লা বৈশাখকে কেন্দ্র করে রমনার বটমূলে আপাতত কোনো ধরনের হুমকি নেই বলে জানিয়েছেন র্যাবের মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ। আজ সোমবার সকালে রমনার বটমূলের সার্বিক নিরাপত্তা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, উৎসবটি যেন সব ধরনের বিভাজনের ঊর্ধ্বে থেকে প্রকৃত অর্থে দেশের সব মানুষের একটি সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়, সেই লক্ষ্যে সরকার এই নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সহজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নামকরণের মাধ্যমে সমাজে বিদ্যমান বিতর্কের অবসান ঘটবে এবং সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ঐক্য..