
সম্প্রতি গাজীপুরের জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে ১ নম্বর ওয়ার্ডে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে দোয়াত কলম প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন রাশিদা খন্দকার। তিনি নির্বাচনে পরাজিত হন, বিজয়ী হন ঘড়ি প্রতীকের মাহমুদা ইয়াসমিন।
পরাজিত প্রার্থী রাশিদা খন্দকার দাবি করেছেন, তিনি ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা দিয়ে একটি ভোটও পাননি। এই ক্ষোভে তিনি ইউনিয়ন পরিষদে এসে চেয়ারম্যানসহ মেম্বারদের শাসিয়েছেন। আজ শুক্রবার রাতে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
মোবাইলে ধারণ করা করা ৫২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে রাশিদা খন্দকারকে বলতে শোনা যায়, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে ওরা পাঁচজনের কাছ থেকে টাকা নিছে। অন্য প্রার্থীর কাছ থেকে ৪০ হাজার করে নিছে। আর আমার কাছ থেকে নিছে ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। আমি সবাইকে মিলে দিছি টাকা। ওরা একটা ভোটও আমাকে দেয় নাই। গতকালকের আগের দিন টাকা নিছে। আর ঘড়ি মার্কা যেটা পাশ করছে ১৪ ভোট বেশি পাইয়া। তার কাছ থেকে একেকজন নিছে ৫০ হাজার কইরা। আবার মেম্বারদের কাছ থেকে নিছে।’
এ বিষয়ে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী পদে বিজয়ী মাহমুদা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমি নির্বাচনে কোনো ভোটারদের টাকার বিনিময়ে ভোট কিনি নাই। সে হয়তোবা টাকা দিয়ে ভোট কিনতে চেয়েছে। আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিওতে দেখলাম।’
গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য রোকেয়া আক্তার বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি কোনো প্রার্থীর কাছ থেকে কোনো টাকা লেনদেন করি নাই। আমি শুনেছি রাশিদা খন্দকার নামে এক প্রার্থী টাকা ফেরত চাইতে ইউনিয়ন পরিষদে এসেছেন। আমি ওই দিন ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত ছিলাম না।’
গাজীপুরের ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মিজানুর রহমান বাচ্চু বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমি কোনো কিছু বলতে পারব না। এগুলো শুধুই নাটক।’
গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল হক মাদবর বলেন, ‘গত বুধবার দুপুরের দিকে জেলা পরিষদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রাশিদা খন্দকার ইউনিয়ন পরিষদে আসে। এরপর পেয়ারা আর কমলালেবু দেওয়া হয়। এ সময় ওই নারী প্রার্থী উচ্চস্বরে বলতে থাকে আপনারা টাকা নিয়ে আমাকে কেন ভোট দিলেন না জবাব দেন। এ সময় আমি বলছি কে নিছে তুমার টাকা, এ সময় ওই নারী বলে আপনার মেম্বাররা নিছে টাকা। পরবর্তী আমি তাকে জানাই, তাহলে মেম্বারদের সঙ্গে গিয়ে টাকার বিষয়ে আলোচনা কর। এই বলে সে পরিষদের আমার কক্ষ থেকে বেরিয়ে যায়।’
জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী পরাজিত প্রার্থী রাশিদা খন্দকারের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
গাজীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজী ইস্তাফিজুল হক আকন্দ বলেন, ‘নির্বাচনে অর্থ লেনদেনের কোনো অভিযোগ আমার জানা নেই। কোনো প্রার্থী বা ভোটার লিখিত অভিযোগ করেনি। সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। টাকা দেওয়া আর নেওয়া দুটোই সমান অপরাধ। যেহেতু নির্বাচন শেষ হয়েছে এ বিষয়ে আমাদের কিছু করণীয় নেই।’

সম্প্রতি গাজীপুরের জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে ১ নম্বর ওয়ার্ডে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে দোয়াত কলম প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন রাশিদা খন্দকার। তিনি নির্বাচনে পরাজিত হন, বিজয়ী হন ঘড়ি প্রতীকের মাহমুদা ইয়াসমিন।
পরাজিত প্রার্থী রাশিদা খন্দকার দাবি করেছেন, তিনি ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা দিয়ে একটি ভোটও পাননি। এই ক্ষোভে তিনি ইউনিয়ন পরিষদে এসে চেয়ারম্যানসহ মেম্বারদের শাসিয়েছেন। আজ শুক্রবার রাতে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
মোবাইলে ধারণ করা করা ৫২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে রাশিদা খন্দকারকে বলতে শোনা যায়, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে ওরা পাঁচজনের কাছ থেকে টাকা নিছে। অন্য প্রার্থীর কাছ থেকে ৪০ হাজার করে নিছে। আর আমার কাছ থেকে নিছে ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। আমি সবাইকে মিলে দিছি টাকা। ওরা একটা ভোটও আমাকে দেয় নাই। গতকালকের আগের দিন টাকা নিছে। আর ঘড়ি মার্কা যেটা পাশ করছে ১৪ ভোট বেশি পাইয়া। তার কাছ থেকে একেকজন নিছে ৫০ হাজার কইরা। আবার মেম্বারদের কাছ থেকে নিছে।’
এ বিষয়ে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী পদে বিজয়ী মাহমুদা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমি নির্বাচনে কোনো ভোটারদের টাকার বিনিময়ে ভোট কিনি নাই। সে হয়তোবা টাকা দিয়ে ভোট কিনতে চেয়েছে। আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিওতে দেখলাম।’
গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য রোকেয়া আক্তার বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি কোনো প্রার্থীর কাছ থেকে কোনো টাকা লেনদেন করি নাই। আমি শুনেছি রাশিদা খন্দকার নামে এক প্রার্থী টাকা ফেরত চাইতে ইউনিয়ন পরিষদে এসেছেন। আমি ওই দিন ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত ছিলাম না।’
গাজীপুরের ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মিজানুর রহমান বাচ্চু বলেন, ‘জেলা পরিষদ নির্বাচনে টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমি কোনো কিছু বলতে পারব না। এগুলো শুধুই নাটক।’
গাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল হক মাদবর বলেন, ‘গত বুধবার দুপুরের দিকে জেলা পরিষদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রাশিদা খন্দকার ইউনিয়ন পরিষদে আসে। এরপর পেয়ারা আর কমলালেবু দেওয়া হয়। এ সময় ওই নারী প্রার্থী উচ্চস্বরে বলতে থাকে আপনারা টাকা নিয়ে আমাকে কেন ভোট দিলেন না জবাব দেন। এ সময় আমি বলছি কে নিছে তুমার টাকা, এ সময় ওই নারী বলে আপনার মেম্বাররা নিছে টাকা। পরবর্তী আমি তাকে জানাই, তাহলে মেম্বারদের সঙ্গে গিয়ে টাকার বিষয়ে আলোচনা কর। এই বলে সে পরিষদের আমার কক্ষ থেকে বেরিয়ে যায়।’
জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী পরাজিত প্রার্থী রাশিদা খন্দকারের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
গাজীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজী ইস্তাফিজুল হক আকন্দ বলেন, ‘নির্বাচনে অর্থ লেনদেনের কোনো অভিযোগ আমার জানা নেই। কোনো প্রার্থী বা ভোটার লিখিত অভিযোগ করেনি। সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। টাকা দেওয়া আর নেওয়া দুটোই সমান অপরাধ। যেহেতু নির্বাচন শেষ হয়েছে এ বিষয়ে আমাদের কিছু করণীয় নেই।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিতু মিয়া নামের এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ২০ জন। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
৩ মিনিট আগে
যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৭ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে