জাবি প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সারজিস আলমকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে এই বিক্ষোভ করেন তাঁরা।
বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি সড়ক ঘুরে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত রাজু।
বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘হাসনাতের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই,’ ‘সারজিসের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই,’ ‘সন্ত্রাসবাদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না,’ ‘হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, ইসকনের ঠাঁই নাই,’ ‘ফ্যাসিবাদের আগ্রাসন, রুখে দেবে জনগণ,’ ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা,’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাকিব হোসাইন বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পলায়ন করলেও তাঁর দোসররা এখনো এই বাংলায় রয়ে গেছে। তারা বিভিন্ন ব্যানারে থেকে সেই স্বৈরাচারী আগ্রাসন জারি রেখে শেখ হাসিনার ষড়যন্ত্রকে কায়েম করতে চায়। শেখ হাসিনার ১৬ বছরের স্বৈরাচারী আগ্রাসন থেকে মুক্ত করে যারা আমাদের সুন্দর একটি বাংলাদেশ উপহার দিয়েছে, সেই কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমকে গাড়িচাপা দিয়ে তারা হত্যা করতে চায়।’
রাকিব হোসাইন আরও বলেন, বাংলাদেশে স্বৈরাচারের দোসররা যাতে আর কোনো স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে না পারে এবং কোনো নিরীহ নেতৃত্বের ওপর হামলা করতে না পারে, সে জন্য সচেষ্ট থাকতে হবে। প্রশাসনকে আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জাবি শাখার অন্যতম সমন্বয়ক তৌহিদ সিয়াম বলেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকে ফ্যাসিবাদী কাঠামোর চক্রান্ত থেমে নেই। একের পর এক অরাজকতা তৈরি করে তারা এই দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। গতকাল ইসকন নামের সন্ত্রাসী সংগঠনের সন্ত্রাসীদের হামলায় আমাদের যে ভাই শহীদ হয়েছেন, তাঁর কবর জিয়ারত করে ফেরত আসার সময় আজ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সারজিস আলমকে পরিকল্পিতভাবে ট্রাকচাপা দেওয়া হয়েছে।’
তৌহিদ সিয়াম আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা। আমাদের গণ-অভ্যুত্থানের নায়ক, তাদের ওপর যদি কোনোরকম আক্রমণ নেমে আসে, তাহলে সারা বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ঘরে বসে থাকবে না। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের ওপর হামলাকারীদের পরিচয় প্রকাশ করা না হয়, তাহলে আমরা আপনাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে বাধ্য হব। আমরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বলতে চাই, আপনারা অতি দ্রুত এই হামলার, এই হত্যাচেষ্টার যারা আসামি, তাদের জাতির সামনে উন্মোচিত করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করুন।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সারজিস আলমকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে এই বিক্ষোভ করেন তাঁরা।
বিক্ষোভ মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি সড়ক ঘুরে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত রাজু।
বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘হাসনাতের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই,’ ‘সারজিসের ওপর হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই,’ ‘সন্ত্রাসবাদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না,’ ‘হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, ইসকনের ঠাঁই নাই,’ ‘ফ্যাসিবাদের আগ্রাসন, রুখে দেবে জনগণ,’ ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা,’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাকিব হোসাইন বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে পলায়ন করলেও তাঁর দোসররা এখনো এই বাংলায় রয়ে গেছে। তারা বিভিন্ন ব্যানারে থেকে সেই স্বৈরাচারী আগ্রাসন জারি রেখে শেখ হাসিনার ষড়যন্ত্রকে কায়েম করতে চায়। শেখ হাসিনার ১৬ বছরের স্বৈরাচারী আগ্রাসন থেকে মুক্ত করে যারা আমাদের সুন্দর একটি বাংলাদেশ উপহার দিয়েছে, সেই কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমকে গাড়িচাপা দিয়ে তারা হত্যা করতে চায়।’
রাকিব হোসাইন আরও বলেন, বাংলাদেশে স্বৈরাচারের দোসররা যাতে আর কোনো স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে না পারে এবং কোনো নিরীহ নেতৃত্বের ওপর হামলা করতে না পারে, সে জন্য সচেষ্ট থাকতে হবে। প্রশাসনকে আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জাবি শাখার অন্যতম সমন্বয়ক তৌহিদ সিয়াম বলেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকে ফ্যাসিবাদী কাঠামোর চক্রান্ত থেমে নেই। একের পর এক অরাজকতা তৈরি করে তারা এই দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। গতকাল ইসকন নামের সন্ত্রাসী সংগঠনের সন্ত্রাসীদের হামলায় আমাদের যে ভাই শহীদ হয়েছেন, তাঁর কবর জিয়ারত করে ফেরত আসার সময় আজ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সারজিস আলমকে পরিকল্পিতভাবে ট্রাকচাপা দেওয়া হয়েছে।’
তৌহিদ সিয়াম আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা। আমাদের গণ-অভ্যুত্থানের নায়ক, তাদের ওপর যদি কোনোরকম আক্রমণ নেমে আসে, তাহলে সারা বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ঘরে বসে থাকবে না। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের ওপর হামলাকারীদের পরিচয় প্রকাশ করা না হয়, তাহলে আমরা আপনাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে বাধ্য হব। আমরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বলতে চাই, আপনারা অতি দ্রুত এই হামলার, এই হত্যাচেষ্টার যারা আসামি, তাদের জাতির সামনে উন্মোচিত করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করুন।’

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর আগেই কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ‘প্রশ্নপত্রের’ ফটোকপিসহ আটক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিনারুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
২৬ মিনিট আগে
ঢাকায় অবস্থানরত যশোর জেলার সাংবাদিকদের সংগঠন যশোর সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৩৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
২৯ মিনিট আগে
আমি প্রতিজ্ঞা করেছি, তারেক রহমান যেদিন দেশে ফিরবেন এবং বিএনপি যেদিন ক্ষমতায় আসবে, সেদিনই আমি ভাত খাব। তার আগে না। এতে আমার জীবন চলে গেলেও কোনো আফসোস নেই।
৩২ মিনিট আগে
জাজিরায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল থেকে হাতবোমা তৈরির বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করেছে পুলিশের ক্রাইম সিন ইউনিট ও অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম। একই সঙ্গে কয়েক দিনে পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ৩৮টি তাজা হাতবোমা নিরাপদভাবে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে