নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ করায় সৌদি আরব সরকার বেশ কয়েকজন বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাদের কয়েকজনকে দেশেও ফেরত পাঠানো হয়েছে। দেশে ফিরে তাঁরা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘সৌদি আরব-রিয়াদ ফেরত প্রবাসীবৃন্দের’—ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে তাঁরা এসব দাবি জানান। তাদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো—সৌদি ফেরত প্রবাসীদের সরকারি খরচে সে দেশে পুনরায় প্রেরণ অথবা অন্য দেশে প্রেরণের পদক্ষেপ গ্রহণ, ফেরত আসা প্রবাসীদের এককালীন নগদ সহায়তা প্রদান, বিদেশে না পাঠানো পর্যন্ত দেশে কর্মসংস্থানের পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাস গুলোতে প্রবাসী বান্ধব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ।
মানববন্ধনে সৌদি আরব ফেরত প্রবাসী আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘গত ১৯ জুলাই সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ করায় ২২৮ জন বাংলাদেশি প্রবাসীকে সে দেশের কর্তৃপক্ষ কারাগারে প্রেরণ করে। সেখানে আমাদের ওপর বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন ও জুলুমও চালানো হয়। ৪১ দিন জেল খাটার পর আমাদের দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপে আরব আমিরাতের প্রবাসীদের সমস্যা কিছুটা লাঘব হলেও সৌদি ফেরত ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের উদ্ধার বা তাদের সহযোগিতায় কোনো পদক্ষেপ এখনো দৃশ্যমান নয়। তাই আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে পুনর্বাসনসহ ৫ দফা দাবি জানাচ্ছি।’
মানববন্ধনে অন্যান্য বক্তারা বলেন, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা দেশের প্রতি ভিন্ন রকম আবেগ-অনুভূতি নিয়ে সেখানে বাস করেন। দেশের যেকোনো সংকটে প্রবাসীদের উদ্বেগ থাকে বেশি। বিগত জুলাই মাসে সাধারণ ছাত্র-জনতার ওপর স্বৈরাচারের চরম দমন-নিপীড়ন ও হত্যাযজ্ঞ দেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা রেমিট্যান্স শাটডাউন কর্মসূচির পাশাপাশি বিক্ষোভ কর্মসূচিতেও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন। এতে সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের প্রবাসীরা সেসব দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর রোষানলে পড়েন।
তারা আরও বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের তরফ থেকেও তাদের প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করা হয়। ফলে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি সে দেশে মামলা ও নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হন। পাইকারি হারে প্রবাসীদের ধরে ধরে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। পলাতক স্বৈরাচারের অসহযোগিতার কারণে এসব প্রবাসীদের অনেককেই সেখানে জেল খাটতে হয়েছে। অনেককে জেল থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ করায় সৌদি আরব সরকার বেশ কয়েকজন বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাদের কয়েকজনকে দেশেও ফেরত পাঠানো হয়েছে। দেশে ফিরে তাঁরা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘সৌদি আরব-রিয়াদ ফেরত প্রবাসীবৃন্দের’—ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে তাঁরা এসব দাবি জানান। তাদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো—সৌদি ফেরত প্রবাসীদের সরকারি খরচে সে দেশে পুনরায় প্রেরণ অথবা অন্য দেশে প্রেরণের পদক্ষেপ গ্রহণ, ফেরত আসা প্রবাসীদের এককালীন নগদ সহায়তা প্রদান, বিদেশে না পাঠানো পর্যন্ত দেশে কর্মসংস্থানের পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাস গুলোতে প্রবাসী বান্ধব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ।
মানববন্ধনে সৌদি আরব ফেরত প্রবাসী আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘গত ১৯ জুলাই সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ করায় ২২৮ জন বাংলাদেশি প্রবাসীকে সে দেশের কর্তৃপক্ষ কারাগারে প্রেরণ করে। সেখানে আমাদের ওপর বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন ও জুলুমও চালানো হয়। ৪১ দিন জেল খাটার পর আমাদের দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপে আরব আমিরাতের প্রবাসীদের সমস্যা কিছুটা লাঘব হলেও সৌদি ফেরত ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের উদ্ধার বা তাদের সহযোগিতায় কোনো পদক্ষেপ এখনো দৃশ্যমান নয়। তাই আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে পুনর্বাসনসহ ৫ দফা দাবি জানাচ্ছি।’
মানববন্ধনে অন্যান্য বক্তারা বলেন, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা দেশের প্রতি ভিন্ন রকম আবেগ-অনুভূতি নিয়ে সেখানে বাস করেন। দেশের যেকোনো সংকটে প্রবাসীদের উদ্বেগ থাকে বেশি। বিগত জুলাই মাসে সাধারণ ছাত্র-জনতার ওপর স্বৈরাচারের চরম দমন-নিপীড়ন ও হত্যাযজ্ঞ দেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা রেমিট্যান্স শাটডাউন কর্মসূচির পাশাপাশি বিক্ষোভ কর্মসূচিতেও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন। এতে সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের প্রবাসীরা সেসব দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর রোষানলে পড়েন।
তারা আরও বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের তরফ থেকেও তাদের প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করা হয়। ফলে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি সে দেশে মামলা ও নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হন। পাইকারি হারে প্রবাসীদের ধরে ধরে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। পলাতক স্বৈরাচারের অসহযোগিতার কারণে এসব প্রবাসীদের অনেককেই সেখানে জেল খাটতে হয়েছে। অনেককে জেল থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে