সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজদিখান-শ্রীনগর নিয়ে গঠিত মুন্সিগঞ্জ-১। এ আসনে স্বাধীনতার পর থেকে সিরাজদিখান থেকে কোনো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়নি। দীর্ঘ ৫২ বছর পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে সিরাজদিখান থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ও সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন। নিজ উপজেলার প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ায় উল্লাসে মেতেছেন এলাকাবাসী।
গতকাল রোববার রাতে দুই সহকারী রিটার্নিং অফিসার (সিরাজদিখান ও শ্রীনগর) কার্যালয় থেকে ঘোষিত ফলাফলে তিনি ৩৪ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সাব্বির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সিরাজদিখান উপজেলার কোনো নেতাকে আওয়ামী লীগ বা বিএনপি থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়নি। এ কারণে এই উপজেলায় এখন পর্যন্ত একজনও সংসদ সদস্য পায়নি। দীর্ঘদিন ধরেই সিরাজদিখানবাসী আওয়ামী লীগ বা বিএনপি থেকে দলীয় প্রার্থী চেয়ে আসছেন। অবশেষে সিরাজদিখান উপজেলাবাসীর মনের আশা পূরণ হয়েছে।
এই উপজেলা থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এতে উপজেলাবাসীর মধ্যে এক আনন্দ-উল্লাস বিরাজ করছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন চোকদার বলেন, দীর্ঘ ৫২ বছর পর সিরাজদিখান উপজেলাবাসী তাঁদের ঘরের ছেলে জননেতা মহিউদ্দিন আহমেদকে সংসদ সদস্য হিসেবে পেয়েছেন। উপজেলাবাসী মহিউদ্দিন আহমেদকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেন।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, এ আসনে ১৭০টি কেন্দ্রের নৌকা প্রতীকে মহিউদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৮৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সারোয়ার কবির ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৬১ হাজার ৫৪০ ভোট। আহমেদ নির্বাচিত হওয়ায় উপজেলা জুড়ে আনন্দের জোয়ার বইছে।
লাঙ্গল প্রতীকে অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৪৭০ ভোট, সোনালী আশ প্রতীকে অন্তরা সেলিমা হুদা ৬ হাজার ৩৩৭ ভোট, বট গাছ প্রতীকে আতাউল্লাহ ২ হাজার ৬৩৫ ভোট, আম প্রতীকে দুয়েল আক্তার ২৯৯ ভোট, ডাব প্রতীকে নুরজাহান বেগম রিতা ৮৭ ভোট, কুলা প্রতীকে মাহি বি চৌধুরী ১৭ হাজার ৯৩৩ ভোট, একতারা প্রতীকে লতিফ সরকার ৩ হাজার ২০২ ভোট। এই আসনটিতে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
নির্বাচনে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৬৭ ভোট।
ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৮ হাজার ৯৮৬। এর মধ্যে মহিলা ভোটার ২ লাখ ৪৭ হাজার ১৩৮ জন, পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৬১ হাজার ৮৪৭ জন। এ ছাড়া জেলায় একজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে।

সিরাজদিখান-শ্রীনগর নিয়ে গঠিত মুন্সিগঞ্জ-১। এ আসনে স্বাধীনতার পর থেকে সিরাজদিখান থেকে কোনো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়নি। দীর্ঘ ৫২ বছর পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে সিরাজদিখান থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ও সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন। নিজ উপজেলার প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ায় উল্লাসে মেতেছেন এলাকাবাসী।
গতকাল রোববার রাতে দুই সহকারী রিটার্নিং অফিসার (সিরাজদিখান ও শ্রীনগর) কার্যালয় থেকে ঘোষিত ফলাফলে তিনি ৩৪ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার সাব্বির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে সিরাজদিখান উপজেলার কোনো নেতাকে আওয়ামী লীগ বা বিএনপি থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়নি। এ কারণে এই উপজেলায় এখন পর্যন্ত একজনও সংসদ সদস্য পায়নি। দীর্ঘদিন ধরেই সিরাজদিখানবাসী আওয়ামী লীগ বা বিএনপি থেকে দলীয় প্রার্থী চেয়ে আসছেন। অবশেষে সিরাজদিখান উপজেলাবাসীর মনের আশা পূরণ হয়েছে।
এই উপজেলা থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এতে উপজেলাবাসীর মধ্যে এক আনন্দ-উল্লাস বিরাজ করছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন চোকদার বলেন, দীর্ঘ ৫২ বছর পর সিরাজদিখান উপজেলাবাসী তাঁদের ঘরের ছেলে জননেতা মহিউদ্দিন আহমেদকে সংসদ সদস্য হিসেবে পেয়েছেন। উপজেলাবাসী মহিউদ্দিন আহমেদকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেন।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, এ আসনে ১৭০টি কেন্দ্রের নৌকা প্রতীকে মহিউদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৮৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সারোয়ার কবির ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৬১ হাজার ৫৪০ ভোট। আহমেদ নির্বাচিত হওয়ায় উপজেলা জুড়ে আনন্দের জোয়ার বইছে।
লাঙ্গল প্রতীকে অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম পেয়েছেন ৪৭০ ভোট, সোনালী আশ প্রতীকে অন্তরা সেলিমা হুদা ৬ হাজার ৩৩৭ ভোট, বট গাছ প্রতীকে আতাউল্লাহ ২ হাজার ৬৩৫ ভোট, আম প্রতীকে দুয়েল আক্তার ২৯৯ ভোট, ডাব প্রতীকে নুরজাহান বেগম রিতা ৮৭ ভোট, কুলা প্রতীকে মাহি বি চৌধুরী ১৭ হাজার ৯৩৩ ভোট, একতারা প্রতীকে লতিফ সরকার ৩ হাজার ২০২ ভোট। এই আসনটিতে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
নির্বাচনে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৬৭ ভোট।
ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৮ হাজার ৯৮৬। এর মধ্যে মহিলা ভোটার ২ লাখ ৪৭ হাজার ১৩৮ জন, পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৬১ হাজার ৮৪৭ জন। এ ছাড়া জেলায় একজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে