জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রায় আট দিন পর অনশন ভেঙেছেন শিক্ষার্থী সামিউল ইসলাম প্রত্যয়। গণরুম ব্যবস্থা বাতিল ও আবাসিক হল থেকে অছাত্রদের বের করাসহ সবার আবাসন নিশ্চিতের দাবিতে অনশন করে আসছিলেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাব্বির আলমের উপস্থিতিতে পানি পান করেন তিনি।
পরে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সামিউলকে তাঁর জন্য বরাদ্দকৃত মীর মশাররফ হোসেন হলের ৪১৭ নম্বর কক্ষে পৌঁছে দেন প্রাধ্যক্ষ। একই সঙ্গে তাঁর কক্ষে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সবুজ রায়কে হল থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বের করে দেওয়া হয়।
এর আগে সকালে হল প্রভোস্টকে ছয়টি লিখিত শর্ত দেন সামিউল ইসলাম প্রত্যয়। শর্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে মর্মে হল প্রাধ্যক্ষ শর্তে সই করলে প্রত্যয়ও সেখানে স্বাক্ষর করে অনশন ভাঙেন।
গত ৩১ মে থেকে তিন দফা দাবিতে মীর মশাররফ হোসেন হলের সামনের মাঠে অনশনে বসেন সামিউল ইসলাম প্রত্যয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও মীর মশাররফ হোসেন হলের আবাসিক ছাত্র।
জাবির ওই শিক্ষার্থীর শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—হলে অবস্থানরত সব শিক্ষার্থী ও আসনসংখ্যার হিসাব তালিকা তৈরি, ১৫ দিনের মধ্যে ফাঁকা কক্ষগুলো প্রশাসনিকভাবে সিলগালা করা, যেসব আসনে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থী পাওয়া গেছে তাঁদের আসনে বৈধ শিক্ষার্থীদের তুলে দেওয়া ও তার তালিকা প্রকাশ, মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগে বাধ্য করা, সব বিষয়ে হল প্রশাসন সাংবাদিকদের তথ্যের আপডেট দিয়ে সহযোগিতা করবে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না করলে প্রাধ্যক্ষ পদত্যাগ করবেন।
অনশন ভাঙার পর সামিউল ইসলাম প্রত্যয় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রশাসন এত দিন ধরে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ দেখাতে পারেনি। প্রাধ্যক্ষ স্যার খসড়া তালিকা দেখিয়েছেন। আমার তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের কর্মপরিকল্পনা মেনে নিয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে আমি অনশন ভেঙেছি। যদি কথা না রাখেন আমি পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. সাব্বির আলম বলেন, ‘বেলা সাড়ে ১১টায় আমার ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে পানি পান করে প্রত্যয় অনশন ভাঙে। আমরা কয়েকটি শর্তে একটি চুক্তি করেছি। তার দাবিগুলো বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রায় আট দিন পর অনশন ভেঙেছেন শিক্ষার্থী সামিউল ইসলাম প্রত্যয়। গণরুম ব্যবস্থা বাতিল ও আবাসিক হল থেকে অছাত্রদের বের করাসহ সবার আবাসন নিশ্চিতের দাবিতে অনশন করে আসছিলেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাব্বির আলমের উপস্থিতিতে পানি পান করেন তিনি।
পরে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সামিউলকে তাঁর জন্য বরাদ্দকৃত মীর মশাররফ হোসেন হলের ৪১৭ নম্বর কক্ষে পৌঁছে দেন প্রাধ্যক্ষ। একই সঙ্গে তাঁর কক্ষে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সবুজ রায়কে হল থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বের করে দেওয়া হয়।
এর আগে সকালে হল প্রভোস্টকে ছয়টি লিখিত শর্ত দেন সামিউল ইসলাম প্রত্যয়। শর্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে মর্মে হল প্রাধ্যক্ষ শর্তে সই করলে প্রত্যয়ও সেখানে স্বাক্ষর করে অনশন ভাঙেন।
গত ৩১ মে থেকে তিন দফা দাবিতে মীর মশাররফ হোসেন হলের সামনের মাঠে অনশনে বসেন সামিউল ইসলাম প্রত্যয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও মীর মশাররফ হোসেন হলের আবাসিক ছাত্র।
জাবির ওই শিক্ষার্থীর শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—হলে অবস্থানরত সব শিক্ষার্থী ও আসনসংখ্যার হিসাব তালিকা তৈরি, ১৫ দিনের মধ্যে ফাঁকা কক্ষগুলো প্রশাসনিকভাবে সিলগালা করা, যেসব আসনে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থী পাওয়া গেছে তাঁদের আসনে বৈধ শিক্ষার্থীদের তুলে দেওয়া ও তার তালিকা প্রকাশ, মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগে বাধ্য করা, সব বিষয়ে হল প্রশাসন সাংবাদিকদের তথ্যের আপডেট দিয়ে সহযোগিতা করবে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না করলে প্রাধ্যক্ষ পদত্যাগ করবেন।
অনশন ভাঙার পর সামিউল ইসলাম প্রত্যয় আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রশাসন এত দিন ধরে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ দেখাতে পারেনি। প্রাধ্যক্ষ স্যার খসড়া তালিকা দেখিয়েছেন। আমার তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের কর্মপরিকল্পনা মেনে নিয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে আমি অনশন ভেঙেছি। যদি কথা না রাখেন আমি পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. সাব্বির আলম বলেন, ‘বেলা সাড়ে ১১টায় আমার ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে পানি পান করে প্রত্যয় অনশন ভাঙে। আমরা কয়েকটি শর্তে একটি চুক্তি করেছি। তার দাবিগুলো বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।’

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
১ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
১ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
১ ঘণ্টা আগে