সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারের আশুলিয়ায় খেলতে গিয়ে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির লিফট বসানোর জন্য রাখা নির্ধারিত স্থানে জমে থাকা পানিতে পড়ে মারা গেছে ৪ বছরের এক শিশু। নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে আশুলিয়া থানা–পুলিশ।
আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়নের পানধোয়া মসজিদ সংলগ্ন নির্মাণাধীন ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুর নাম ফাতেমা আক্তার (৪)। শিশুটি পানধোয়া এলাকার মৃত ফিরোজ আলমের মেয়ে। মা আসমা বেগমের সঙ্গে পানধোয়া এলাকায় নানাবাড়িতে বসবাস করত ফাতেমা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে বাসা থেকে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় শিশু ফাতেমা। পরে খুঁজতে গিয়ে ওই বাড়ির লিফট হাউসের পানিতে জুতা ভেসে থাকতে দেখা যায়। পরে সন্দেহ হলে পানিতে একজন নেমে ফাতেমার মরদেহ খুঁজে পায়।
ফাতেমার খালা নূপুর বলেন, ‘সকালে ফাতেমাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। আমাদের বাড়ির সামনে নির্মাণাধীন ভবনে খুঁজতে গিয়ে দেখি লিফট হাউসে ফাতেমার জুতা দেখা যায়, তখন লোক নামিয়ে মৃত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করি।’
নূপুর বলেন, অনেকবার ভবন মালিকদের এই হাউসের ব্যাপারে বললেও কোনো কাজ হয়নি। তাঁদের গাফিলতির কারণেই ফাতেমার মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তিনি ভবন মালিকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
ফাতেমার মরদেহ পাশে নিয়ে মা আসমা বেগম বিলাপ করছিলেন। কান্নায় ভেঙে পড়ে বারবার বলছিলেন, ‘আমার ফাতেমাকে ফিরিয়ে দে।’
আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মালেক বলেন, ‘তদন্ত শেষে অভিযোগের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জেনেছি ভবনটি রোজ কনস্ট্রাকশন হোমস লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করছে। তবে মালিক পক্ষের কাউকে এখনো পাইনি।’

সাভারের আশুলিয়ায় খেলতে গিয়ে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির লিফট বসানোর জন্য রাখা নির্ধারিত স্থানে জমে থাকা পানিতে পড়ে মারা গেছে ৪ বছরের এক শিশু। নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে আশুলিয়া থানা–পুলিশ।
আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়নের পানধোয়া মসজিদ সংলগ্ন নির্মাণাধীন ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুর নাম ফাতেমা আক্তার (৪)। শিশুটি পানধোয়া এলাকার মৃত ফিরোজ আলমের মেয়ে। মা আসমা বেগমের সঙ্গে পানধোয়া এলাকায় নানাবাড়িতে বসবাস করত ফাতেমা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে বাসা থেকে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় শিশু ফাতেমা। পরে খুঁজতে গিয়ে ওই বাড়ির লিফট হাউসের পানিতে জুতা ভেসে থাকতে দেখা যায়। পরে সন্দেহ হলে পানিতে একজন নেমে ফাতেমার মরদেহ খুঁজে পায়।
ফাতেমার খালা নূপুর বলেন, ‘সকালে ফাতেমাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। আমাদের বাড়ির সামনে নির্মাণাধীন ভবনে খুঁজতে গিয়ে দেখি লিফট হাউসে ফাতেমার জুতা দেখা যায়, তখন লোক নামিয়ে মৃত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করি।’
নূপুর বলেন, অনেকবার ভবন মালিকদের এই হাউসের ব্যাপারে বললেও কোনো কাজ হয়নি। তাঁদের গাফিলতির কারণেই ফাতেমার মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তিনি ভবন মালিকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
ফাতেমার মরদেহ পাশে নিয়ে মা আসমা বেগম বিলাপ করছিলেন। কান্নায় ভেঙে পড়ে বারবার বলছিলেন, ‘আমার ফাতেমাকে ফিরিয়ে দে।’
আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মালেক বলেন, ‘তদন্ত শেষে অভিযোগের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জেনেছি ভবনটি রোজ কনস্ট্রাকশন হোমস লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করছে। তবে মালিক পক্ষের কাউকে এখনো পাইনি।’

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
৩৯ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে