আজকের পত্রিকা ডেস্ক

প্রতিবন্ধীদের স্কুলের স্বীকৃতি, এমপিওভুক্তিসহ পাঁচ দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। তাঁরা বলছেন, স্বীকৃতি ও এমপিও না হওয়ার ফলে শিক্ষক-কর্মচারীরা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন, যা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষাক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। সে কারণে অনতিবিলম্বে সব অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।
আজ সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।
আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা জানান, ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয়গুলো স্বীকৃতি ও এমপিওর জন্য আবেদনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনের পরিপ্রেক্ষিতে ২ হাজার ৭৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন করে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৭৭২টি আবেদন গ্রহণ করে। পরবর্তী সময়ে বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা, ২০১৯-এর আলোকে জাতীয় স্বীকৃতি ও এমপিও কমিটি গঠন করে বিদ্যালয়গুলোকে ক, খ এবং গ—এই তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কার্যক্রম শুরু করে, যা অত্যন্ত ধীরগতির। ফলে সারা দেশের শিক্ষক-কর্মচারীরা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয়ের শিক্ষাক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
শিক্ষক-কর্মচারীদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে অনতিবিলম্বে সব বিশেষ (অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী) বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। সব বিশেষ বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো সুনিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম শিক্ষা ভাতা ৩ হাজার টাকা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলসহ শিক্ষা উপকরণ, খেলাধুলা সরঞ্জাম দেওয়া এবং থেরাপি সেন্টার বাস্তবায়ন করতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের ভোকেশনাল কারিকুলামের আওতায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পুনর্বাসন সুনিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিবন্ধীদের স্কুলের স্বীকৃতি, এমপিওভুক্তিসহ পাঁচ দফা দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। তাঁরা বলছেন, স্বীকৃতি ও এমপিও না হওয়ার ফলে শিক্ষক-কর্মচারীরা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন, যা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শিক্ষাক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। সে কারণে অনতিবিলম্বে সব অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।
আজ সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।
আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা জানান, ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয়গুলো স্বীকৃতি ও এমপিওর জন্য আবেদনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনের পরিপ্রেক্ষিতে ২ হাজার ৭৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন করে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৭৭২টি আবেদন গ্রহণ করে। পরবর্তী সময়ে বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা, ২০১৯-এর আলোকে জাতীয় স্বীকৃতি ও এমপিও কমিটি গঠন করে বিদ্যালয়গুলোকে ক, খ এবং গ—এই তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কার্যক্রম শুরু করে, যা অত্যন্ত ধীরগতির। ফলে সারা দেশের শিক্ষক-কর্মচারীরা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং প্রতিবন্ধীদের বিদ্যালয়ের শিক্ষাক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
শিক্ষক-কর্মচারীদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে অনতিবিলম্বে সব বিশেষ (অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী) বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। সব বিশেষ বিদ্যালয়ের প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো সুনিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম শিক্ষা ভাতা ৩ হাজার টাকা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলসহ শিক্ষা উপকরণ, খেলাধুলা সরঞ্জাম দেওয়া এবং থেরাপি সেন্টার বাস্তবায়ন করতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের ভোকেশনাল কারিকুলামের আওতায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পুনর্বাসন সুনিশ্চিত করতে হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৬ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৬ ঘণ্টা আগে