ঢাবি প্রতিনিধি

রিমান্ডে নির্যাতনের অভিযোগ এনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমারসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ জেবুন্নেছা বেগমের আদালতে মামলার আবেদন করেছেন সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার।
বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনা তদন্তের ছয় বছরে একাধিক মোড় নিয়েছে। সময় যত গড়াচ্ছে, হত্যার ঘটনা ততই রহস্যময় হয়ে উঠছে। তাই এ নিয়ে আক্ষেপও প্রকাশ করেছেন বাবুল আক্তার, এনেছেন বিভিন্ন অভিযোগও। পিবিআইয়ের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছেন তিনি।
বাবুল আক্তারের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বাবুল আক্তার অত্যন্ত চতুর মানুষ। কাজেই কখন কী বলে, সেটা ওনার ব্যাপার, সে ব্যাপারে কোনো মন্তব্য নেই। বাবুল আক্তারের বিষয়টা পিবিআই তদন্ত করছে। তদন্তাধীন বিষয় নিয়ে কেন কথা বলছে? বাবুল আক্তার যে সমস্ত কথা বলছে, সেগুলো বাস্তবসম্মত কি না, সেটা তদন্তের পরেই বের হয়ে আসবে। আমাদের তদন্ত টিমের ওপর ভরসা রয়েছে। টিম যতগুলো অনুসন্ধান করেছে, সবগুলোই বাস্তবসম্মত এবং সবগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে তারা অনুসন্ধান করেছে। ৩০ বছর আগের খুনের মামলার আসামিকে তারা চিহ্নিত করেছে। কাজেই আমি মনে করি, পিবিআই ভুল করবে না।’ বাবুল আক্তার যে প্রশ্নগুলো করেছেন, তদন্তে সব বেরিয়ে আসবে বলেও উল্লেখ করেন কামাল।
যাঁরা দায়িত্বে তাঁদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ, তাহলে তাঁরা কীভাবে তদন্ত করবেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবারও বলেন, ‘বাবুল আক্তার অত্যন্ত চতুর মানুষ। তিনি কখন কী বলেন, এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই। তদন্তের পরেই সবকিছু চলে আসবে।’
শনিবার দুপুরে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরে কবি সুফিয়া কামাল হল মিলনায়তনে বাংলা মহিলা ঐক্য পরিষদের আয়োজনে ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় ধর্মীয় সংখ্যালঘু নারীদের আর্থসামাজিক অবস্থান ও নিরাপত্তা: ভিশন ২০৪১’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মিয়ানমারের গুলি এসে বাংলাদেশের সীমান্তে পড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সেটার জন্য আমরা প্রতিবাদ করেছি। আমাদের বিজিবি প্রতিবাদ করেছে। রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মাধ্যমে মেসেজ দেওয়া হয়েছে। আমরা রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও এটার প্রতিবাদ করছি। আমরা মনে করি তারা খুব শিগগির সংযত হবে। তাদের গোলাগুলি এদিকে যাতে না আসে, খেয়াল রাখার জন্য বলেছি।’
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানার ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার কাছে গুলি ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় মাহমুদা খানম মিতুকে। স্ত্রীকে খুনের ঘটনায় পুলিশ সদর দপ্তরের তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই বছরের আগস্টে বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বাবুলের করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে তার শ্বশুরের করা মামলার অভিযোগপত্রে তাঁকে (বাবুল আক্তারকে) প্রধান আসামি করা হয়েছে।

রিমান্ডে নির্যাতনের অভিযোগ এনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান বনজ কুমারসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ জেবুন্নেছা বেগমের আদালতে মামলার আবেদন করেছেন সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার।
বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনা তদন্তের ছয় বছরে একাধিক মোড় নিয়েছে। সময় যত গড়াচ্ছে, হত্যার ঘটনা ততই রহস্যময় হয়ে উঠছে। তাই এ নিয়ে আক্ষেপও প্রকাশ করেছেন বাবুল আক্তার, এনেছেন বিভিন্ন অভিযোগও। পিবিআইয়ের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছেন তিনি।
বাবুল আক্তারের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বাবুল আক্তার অত্যন্ত চতুর মানুষ। কাজেই কখন কী বলে, সেটা ওনার ব্যাপার, সে ব্যাপারে কোনো মন্তব্য নেই। বাবুল আক্তারের বিষয়টা পিবিআই তদন্ত করছে। তদন্তাধীন বিষয় নিয়ে কেন কথা বলছে? বাবুল আক্তার যে সমস্ত কথা বলছে, সেগুলো বাস্তবসম্মত কি না, সেটা তদন্তের পরেই বের হয়ে আসবে। আমাদের তদন্ত টিমের ওপর ভরসা রয়েছে। টিম যতগুলো অনুসন্ধান করেছে, সবগুলোই বাস্তবসম্মত এবং সবগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে তারা অনুসন্ধান করেছে। ৩০ বছর আগের খুনের মামলার আসামিকে তারা চিহ্নিত করেছে। কাজেই আমি মনে করি, পিবিআই ভুল করবে না।’ বাবুল আক্তার যে প্রশ্নগুলো করেছেন, তদন্তে সব বেরিয়ে আসবে বলেও উল্লেখ করেন কামাল।
যাঁরা দায়িত্বে তাঁদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ, তাহলে তাঁরা কীভাবে তদন্ত করবেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবারও বলেন, ‘বাবুল আক্তার অত্যন্ত চতুর মানুষ। তিনি কখন কী বলেন, এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই। তদন্তের পরেই সবকিছু চলে আসবে।’
শনিবার দুপুরে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরে কবি সুফিয়া কামাল হল মিলনায়তনে বাংলা মহিলা ঐক্য পরিষদের আয়োজনে ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় ধর্মীয় সংখ্যালঘু নারীদের আর্থসামাজিক অবস্থান ও নিরাপত্তা: ভিশন ২০৪১’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মিয়ানমারের গুলি এসে বাংলাদেশের সীমান্তে পড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সেটার জন্য আমরা প্রতিবাদ করেছি। আমাদের বিজিবি প্রতিবাদ করেছে। রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মাধ্যমে মেসেজ দেওয়া হয়েছে। আমরা রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও এটার প্রতিবাদ করছি। আমরা মনে করি তারা খুব শিগগির সংযত হবে। তাদের গোলাগুলি এদিকে যাতে না আসে, খেয়াল রাখার জন্য বলেছি।’
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানার ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার কাছে গুলি ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় মাহমুদা খানম মিতুকে। স্ত্রীকে খুনের ঘটনায় পুলিশ সদর দপ্তরের তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার বাদী হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই বছরের আগস্টে বাবুল আক্তারকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বাবুলের করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে তার শ্বশুরের করা মামলার অভিযোগপত্রে তাঁকে (বাবুল আক্তারকে) প্রধান আসামি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
১ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে