
গাজীপুরের শ্রীপুরে বিলের মুখে জোরপূর্বক বাঁধ নির্মাণ করে নিরীহ কৃষকদের ফসলের ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। ফসল রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক-কৃষানি ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এরই মধ্যে ফসল বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে।
আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরকুল গ্রামের পুরাতা বিলের ধারে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন ভুক্তভোগীরা।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘স্থানীয় কাওসার মোড়ল জোরপূর্বক পুরাতা বিলের মুখে জোরপূর্বক বাঁধ নির্মাণ করে আমাদের বিলের জলধারা বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে আমাদের বোরো ধান পানির নিচে পড়ে যাচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে পানির জলধারা খুলে না দিলে আমাদের ফসল একেবারে নষ্ট হয়ে যাবে।’
কৃষক নূরুল আমিন বলেন, ‘বছরে একটি ফসল বোরো ধানের ওপর ভর করে চলে আমার ছয় সদস্যের সংসার। এরই মধ্যে শেষ সম্বল হারাতে বসেছি। কাওসার মোড়ল নামে এক ব্যক্তি আমাদের ভাতের হাঁড়ি নিয়ে টানাটানি করছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিলের মুখের বাঁধ খুলে আমার ফসল রক্ষা করা হোক।’
ভুক্তভোগী কৃষানি আমেনা খাতুন বলেন, ‘স্বামী-সন্তান নেই। অনেক কষ্টে কাজের লোকজন দিয়ে টাকা-পয়সা খরচ করে ধান রোপণ করেছি। কিন্তু হায়েনার জন্য আমার স্বপ্ন ভাঙতে শুরু হয়েছে। এখন প্রশাসন যদি আমাদের রক্ষা করে।’
অভিযুক্ত মো. কাওসার মোড়ল বলেন, ‘আমি আমার জমিতে বাঁধ নির্মাণ করছি, তাতে অন্য কারও জমির ফসল নষ্ট হলে আমি কী করব! তাদের জমির ফসল তলিয়ে গেলে আমার কিছু করার নেই।’
শ্রীপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। স্থানীয় কৃষকদের সমস্যা দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধান করা হবে।’
মানববন্ধনে ৩০ জন কৃষক-কৃষানি ও আশপাশের শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।

গাজীপুরের শ্রীপুরে বিলের মুখে জোরপূর্বক বাঁধ নির্মাণ করে নিরীহ কৃষকদের ফসলের ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। ফসল রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক-কৃষানি ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এরই মধ্যে ফসল বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে।
আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরকুল গ্রামের পুরাতা বিলের ধারে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন ভুক্তভোগীরা।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘স্থানীয় কাওসার মোড়ল জোরপূর্বক পুরাতা বিলের মুখে জোরপূর্বক বাঁধ নির্মাণ করে আমাদের বিলের জলধারা বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে আমাদের বোরো ধান পানির নিচে পড়ে যাচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে পানির জলধারা খুলে না দিলে আমাদের ফসল একেবারে নষ্ট হয়ে যাবে।’
কৃষক নূরুল আমিন বলেন, ‘বছরে একটি ফসল বোরো ধানের ওপর ভর করে চলে আমার ছয় সদস্যের সংসার। এরই মধ্যে শেষ সম্বল হারাতে বসেছি। কাওসার মোড়ল নামে এক ব্যক্তি আমাদের ভাতের হাঁড়ি নিয়ে টানাটানি করছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিলের মুখের বাঁধ খুলে আমার ফসল রক্ষা করা হোক।’
ভুক্তভোগী কৃষানি আমেনা খাতুন বলেন, ‘স্বামী-সন্তান নেই। অনেক কষ্টে কাজের লোকজন দিয়ে টাকা-পয়সা খরচ করে ধান রোপণ করেছি। কিন্তু হায়েনার জন্য আমার স্বপ্ন ভাঙতে শুরু হয়েছে। এখন প্রশাসন যদি আমাদের রক্ষা করে।’
অভিযুক্ত মো. কাওসার মোড়ল বলেন, ‘আমি আমার জমিতে বাঁধ নির্মাণ করছি, তাতে অন্য কারও জমির ফসল নষ্ট হলে আমি কী করব! তাদের জমির ফসল তলিয়ে গেলে আমার কিছু করার নেই।’
শ্রীপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। স্থানীয় কৃষকদের সমস্যা দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধান করা হবে।’
মানববন্ধনে ৩০ জন কৃষক-কৃষানি ও আশপাশের শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৩ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৪ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৪ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৪ ঘণ্টা আগে