
রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরের সেনপাড়ায় পারিবারিক সম্পত্তি ও ব্যবসার পাওনা অর্থ ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে চাচার বিরুদ্ধে হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলেছেন ভাতিজা। আইনগত ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা চেয়ে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট ভাতিজা হাবিবুর রহমান ও চলতি বছরের ৩০ জুলাই তাঁর বাবা মো. জাহিদুল ইসলাম রাজধানীর কাফরুল থানায় সাধারণ ডায়েরি ও অভিযোগ করেছেন। এদিকে হামলা, ভয়ভীতি এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাবিবুর রহমানের চাচা আবু সাঈদ। তিনি আজকের পত্রিকাকে জানান, এগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট ও মিথ্যা দাবি।
অভিযোগকারী মো. হাবিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে জানান, তাঁর বাবা মো. জাহিদুল ইসলাম এবং তাঁর দুই ভাই দীর্ঘদিন ধরে যৌথ ব্যবসা ও একই ভবনে বসবাস করে আসছেন। ২০১২ সালে ব্যবসা আলাদা হয়ে যাওয়ার পর থেকে সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধ শুরু হয়। তাঁর অভিযোগ, এরপর থেকে ছোট চাচা সাইফুল ইসলাম নান্নু এবং আবু সাঈদ প্রাপ্য সম্পত্তির অংশ (এক-তৃতীয়াংশ জমি ও ফ্ল্যাট) বুঝিয়ে দিচ্ছেন না। ছোট চাচা ২০২৩ সালে মৃত্যুর পরে তাঁর অপর চাচা আবু সাঈদ সম্পত্তির পাওনা ফেরত না দিয়ে উল্টো রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।
হাবিবুর রহমানের দাবি, চলতি বছরের ১ আগস্ট পাওনা সম্পত্তি ও হিসাব বুঝিয়ে দেওয়ার তাগিদ দিলে চাচা আবু সাঈদের ইন্ধনে কাফরুল থানা কৃষক দলের একটি ওয়ার্ডের সদস্যসচিবের নেতৃত্বে প্রায় ২০ জনের একটি দল তাঁদের ওপর হামলা ও মারধরের চেষ্টা চালায়।
এর আগে ২০২৪ সালের ২০ আগস্টেও অন্য একটি পক্ষের দ্বারা ছাত্রলীগের ট্যাগ ব্যবহার করে একই ধরনের হামলার শিকার হয়েছিলেন বলে জানান হাবিবুর রহমান। ওই বছরের ২২ আগস্ট তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে সমস্যার সুরাহার দাবিতে চলতি বছরের ৩০ জুলাই ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
হাবিবুর রহমানের অভিযোগ, পাওনা দাবি করায় তাঁদের আবাসিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পানির লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে এবং গ্যারেজে বাইক রাখতে বাধাপ্রদানসহ নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। বর্তমানে তাঁরা নিজ বাসাতেই নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
এদিকে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করেন হাবিবুর রহমানের চাচা আবু সাঈদ। তিনি জানান, তাঁর ভাতিজা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। গত শনিবার তিনি যখন বাসার বাইরে ছিলেন, তখন হাবিবুর রহমান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর বাসায় প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে তাঁর (আবু সাঈদ) ব্যবহৃত ফ্ল্যাটে তালা ঝুলিয়ে দেন। তালা মারার ঘটনা দেখে এলাকার লোকজন এগিয়ে এসে নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের পরামর্শ দেয়। আবু সাঈদ বলেন, তাদের পৈতৃক সম্পত্তিটি ৩ ভাইয়ের মধ্যে ভাগ করা রয়েছে। তাঁর দাবি অনুযায়ী, হাবিবুর রহমানের পরিবার ইতিমধ্যে তাঁর প্রাপ্য সম্পত্তি ভোগদখল করছেন।
হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে উল্টো অভিযোগ তুলে চাচা আবু সাঈদ জানান, হাবিবুর রহমান তাঁর ফ্ল্যাটে তালা লাগিয়ে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে বাসা থেকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছেন। এ ছাড়া তাঁর পরিবার বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।
অভিযোগের বিষয়ে কাফরুল থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মওদুদ আহমেদ জানান, গত ৩০ জুলাই মো. জাহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি জমি ও ফ্ল্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সেনপাড়া এলাকায় যৌথভাবে নির্মিত ভবনে তাঁদের অংশের একটি ফ্ল্যাট চাচার পরিবার জবরদখল করে রেখেছে। এসব বিষয় নিয়ে তাঁদের হুমকিও দিয়েছে।
অভিযোগের তদন্ত নিয়ে তিনি জানান, জমি-জমা বা ফ্ল্যাটের মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার আদালতের। তবে হুমকির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তিনি প্রাথমিকভাবে বিষয়টি নিয়ে ফোনে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসার কথা জানান। তবে পরবর্তীতে একাধিকবার যোগাযোগ চেষ্টা করা হলেও তাঁদের আর পাওয়া যায়নি।

ক্ষমতা নিয়ে দম্ভ না করার আহ্বান জানিয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেছেন, ‘যারা খুব বড়াই করত—অমুকের (শেখের) বেটি পালায় না, কিন্তু দেখা গেল, চুপচাপ পালিয়ে গেল। তাই ক্ষমতা নিয়ে বড়াই করতে নেই। বড়াই করলে তার পতন কেমন হয়, ২০২৪ সালের ৩৬-এ জুলাই মানুষ তা দেখেছে। ক্ষমতার একমাত্র মালিক আল্লাহ।’
১ মিনিট আগে
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাকও জব্দ করা হয়। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)...
১৪ মিনিট আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সাম্য, ঐক্য ও নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয়। এই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক ঐক্য ও সমতার চেতনা। এখানে সবাই সমান ছিল এবং একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছিল। এই আত্মত্যাগ, সাহস ও ঐক্যের ফলেই নতুন বাংলাদেশ গঠনের পথ উন্মোচিত হয়েছে।
২৪ মিনিট আগে
রণজিৎ বাওয়ালী ছোটবেলায় বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে প্রথমে তিনি নিজ এলাকায় কমরেড নুরুজ্জামান সরদারের সহযোগী হিসেবে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। যুদ্ধে অংশ নেন কেশবপুরে। ১৯৮৫ সালে ভবদহে জলাবদ্ধতা দেখা দিলে তিনি জনমত গড়ে তোলেন।
৪৪ মিনিট আগে