
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে একটি ফ্ল্যাটে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে নেওয়াজ চৌধুরী মিতু (৫৭) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ বলছে, ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা মডেল টাউনের ১১ নম্বর সড়কের ১৫ নম্বর বাসার সপ্তম তলায় এ ঘটনা ঘটে।
মৃতের বড় ভাই জাহিদুল হাসান চৌধুরী জানান, তাঁদের বাড়ি কুষ্টিয়ার মজমপুর এলাকায়। নেওয়াজ চৌধুরী মিতু ঠিকাদার ছিলেন। তিনি ওই ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়ে কোনাবাড়ীতে শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। খবর পেয়ে তাঁরা ছুটে আসেন এবং নেওয়াজ চৌধুরীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
মোহাম্মদপুর থানার এসআই জাহিদুল ইসলাম কবির বলেন, গতকাল সোমবার রাতে ঘুমানোর আগে মশার কয়েল জ্বালিয়েছিলেন নেওয়াজ চৌধুরী। কয়েল থেকে রুমে আগুন ধরে যায়। বেরোনোর পথ যেই কক্ষে সেখানে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় নেওয়াজ চৌধুরী চেষ্টা করেও বের হতে পারেননি। আত্মরক্ষার জন্য তিনি বাথরুমে আশ্রয় নেন। পরে সেখানেই ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। সেখান থেকেই তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এসআই আরও বলেন, তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তাঁর বাসার আসবাবপত্রসহ অন্য মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অন্যান্য ফ্ল্যাটে আগুন ছড়াতে পারেনি।

পিরোজপুরের কাউখালীতে ৬৯ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ, ওয়াকিটকি, ভুয়া পুলিশ আইডি কার্ড ও ভুয়া অস্ত্রের লাইসেন্সসহ মো. শাওন ইসলাম অপু (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের শিয়ালকাঠী চৌরাস্তার কাছে মৃত শাখাওয়াত হোসেনের দোতলা ভবনের...
৭ মিনিট আগে
অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে ঘটনাস্থলে থাকা গণমাধ্যমকর্মীরা ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলতে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর চাপ দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।
১৫ মিনিট আগে
নাজমার ভাষ্য, আগুন লাগার পর হাসপাতালের ভেতরে লোকজন ছোটাছুটি শুরু করলে কুলসুম ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার চেষ্টা করেন। মিম আগে বের হয়ে যায়। পরে ফিরে এসে দেখে, লোকজন তাঁর ভাই স্বাধীনকে টেনে বের করছেন; কিন্তু মাকে পাওয়া যাচ্ছে না।
২১ মিনিট আগে
রাজধানী ঢাকায় প্রায় প্রতিদিনই অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে। পরে পরিচয় শনাক্ত হওয়া মরদেহ মর্গ থেকে নিয়ে যান স্বজনেরা। পরিচয় শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলো পড়ে থাকে মর্গে ‘বেওয়ারিশ’ হিসেবে। পরে এসব মরদেহ দাফন ও সৎকারের জন্য হস্তান্তর করা হয় আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে।
৬ ঘণ্টা আগে