রায়পুরা ও নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর রায়পুরায় সুস্মিতা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রায়পুরা পৌর শহরের শ্রীরামপুর আল-সাবাহ হাসপাতালের পেছনের একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। তবে সুস্মিতার পরিবারের পক্ষ থেকে খুনের অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সুস্মিতার স্বামী যুবায়ের মিয়াকে (২৬) আটক করা হয়েছে। তিনি উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের আজিজুল হক ওরফে আফজাল মিস্ত্রির ছেলে। তাঁরা শ্রীরামপুরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। সুস্মিতা সায়দাবাদ গ্রামের ইব্রাহিম মিয়ার মেয়ে। তাঁর বাবাও শ্রীরামপুরের কামারবাড়ী মোড়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
সুস্মিতার স্বজনদের অভিযোগ, প্রায় দুই বছর আগে পারিবারিকভাবে যুবায়ের মিয়ার সঙ্গে সুস্মিতার বিয়ে হয়। তাঁদের আট মাসের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়েতে ছেলেপক্ষ যৌতুক হিসেবে ৫ লাখ টাকা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ৩ লাখ টাকা দেওয়া হয়। বিয়ের পর থেকে বাকি ২ লাখ টাকার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এ নিয়ে স্ত্রীকে প্রতিনিয়ত মারধর করতেন।
এদিকে যুবায়েরের পরকীয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। কথাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে সুস্মিতার সঙ্গে তাঁর ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। গতকাল বিকেলে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সুস্মিতাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালে চিকিৎসক সুস্মিতাকে মৃত ঘোষণার পর যুবায়েরকে নিয়ে প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পরিচয়ে আশরাফুল ইসলাম নামের এক যুবক হাসপাতাল থেকে পালানোর চেষ্টা করলে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে সুস্মিতার স্বজনেরা যুবায়েরকে পুলিশে সোপর্দ করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল জব্বার আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে নরসিংদী হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। সুস্মিতার স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নরসিংদীর রায়পুরায় সুস্মিতা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রায়পুরা পৌর শহরের শ্রীরামপুর আল-সাবাহ হাসপাতালের পেছনের একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। তবে সুস্মিতার পরিবারের পক্ষ থেকে খুনের অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সুস্মিতার স্বামী যুবায়ের মিয়াকে (২৬) আটক করা হয়েছে। তিনি উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের আজিজুল হক ওরফে আফজাল মিস্ত্রির ছেলে। তাঁরা শ্রীরামপুরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। সুস্মিতা সায়দাবাদ গ্রামের ইব্রাহিম মিয়ার মেয়ে। তাঁর বাবাও শ্রীরামপুরের কামারবাড়ী মোড়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন।
সুস্মিতার স্বজনদের অভিযোগ, প্রায় দুই বছর আগে পারিবারিকভাবে যুবায়ের মিয়ার সঙ্গে সুস্মিতার বিয়ে হয়। তাঁদের আট মাসের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়েতে ছেলেপক্ষ যৌতুক হিসেবে ৫ লাখ টাকা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ৩ লাখ টাকা দেওয়া হয়। বিয়ের পর থেকে বাকি ২ লাখ টাকার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এ নিয়ে স্ত্রীকে প্রতিনিয়ত মারধর করতেন।
এদিকে যুবায়েরের পরকীয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। কথাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে সুস্মিতার সঙ্গে তাঁর ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। গতকাল বিকেলে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সুস্মিতাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালে চিকিৎসক সুস্মিতাকে মৃত ঘোষণার পর যুবায়েরকে নিয়ে প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পরিচয়ে আশরাফুল ইসলাম নামের এক যুবক হাসপাতাল থেকে পালানোর চেষ্টা করলে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে সুস্মিতার স্বজনেরা যুবায়েরকে পুলিশে সোপর্দ করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল জব্বার আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে নরসিংদী হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। সুস্মিতার স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে