
রাষ্ট্রায়ত্ত ৬টি বন্ধ চিনিকল আধুনিকীকরণ করে পুনরায় চালুর সরকারি ঘোষণা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটি। একই সঙ্গে চিনিকলগুলো চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা এবং কোনোভাবেই এসব প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি ব্যক্তিমালিকানায় হস্তান্তর না করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। এ বিষয়ে আগামী এক মাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না হলে ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে ‘মার্চ টু পিএমও’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এ সময় এক লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন।
সংগঠনের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে সরকার সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না নিলে ‘মার্চ টু পিএমও’ কর্মসূচির মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। সব কর্মচারী-শ্রমিকদের নিয়ে পর্যায়ক্রমে রাজপথেও কর্মসূচি করতে বাধ্য হবেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালুর দাবিতে বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করে। টাস্কফোর্সের সুপারিশের ভিত্তিতে শিল্প মন্ত্রণালয় ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর তিন ধাপে ৬টি চিনিকলের মাড়াই কার্যক্রম পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ধাপে শ্যামপুর ও সেতাবগঞ্জ, দ্বিতীয় ধাপে পঞ্চগড় ও পাবনা এবং তৃতীয় ধাপে কুষ্টিয়া ও রংপুর চিনিকল চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
নেতাদের ভাষ্য, চলতি মৌসুমে প্রথম পর্যায়ে শ্যামপুর ও সেতাবগঞ্জ চিনিকল চালুর জন্য একাধিক সভা ও প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম প্রায় সম্পন্ন হলেও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অসম্মতির কারণে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। ফলে ২০২০ সালে জারি করা মাড়াই স্থগিতাদেশ কার্যত বহাল রাখা হয়েছে।
তাঁদের অভিযোগ, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তৎকালীন সরকার দেশি-বিদেশি চক্রান্ত ও আমদানিনির্ভর ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্বার্থে ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল বন্ধ করে দেয়। বর্তমান অবস্থান জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনার পরিপন্থী এবং এর মাধ্যমে চিনি আমদানিকারক সিন্ডিকেটের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, এতে চাকরিচ্যুত শ্রমিক-কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এবং উত্তরাঞ্চলের কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের জীবিকাও হুমকির মুখে পড়েছে।
চিনিকলগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য দুর্নীতি বন্ধ, আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন, কারখানা সংস্কার ও আধুনিকায়ন, আখের ক্রয়মূল্য বৃদ্ধি, আখচাষিদের কৃষিঋণ প্রদান, উচ্চফলনশীল জাতের আখ চাষ সম্প্রসারণ এবং চিনির উপজাতভিত্তিক শিল্পের বিকাশের দাবি জানানো হয়।
সংগঠনের নেতারা বলেন, নতুন সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের মধ্যে বন্ধ কল-কারখানা চালু ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি অন্যতম। তাই সরকারের উচিত পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ৬টি চিনিকল পুনরায় চালু করা এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা।
দাবি আদায়ে আগামী ১ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন চিনিকল এলাকায় প্রচার ও জনসংযোগ কর্মসূচি পালন করা হবে। এরপর ১০ আগস্ট ঢাকায় ‘মার্চ টু পিএমও’ কর্মসূচি পালন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি মানস নন্দী, একই নামে অন্য সংগঠনের সভাপতি জহুরুল ইসলাম, রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান ফিরোজ, সদস্য শামীম ইমাম এবং ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের সভাপতি ফয়জুল হাকিম লালা প্রমুখ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পাঁচ শিক্ষক এবং স্থানীয় এক চিকিৎসক ও প্রকৌশলীকে ‘সর্বহারা’ পার্টির পরিচয়ে ফোন করে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে এক শিক্ষক মতিহার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন...
৪ মিনিট আগে
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘২৫৯ জনের সুপারিশ পাওয়া গিয়েছিল। এর মধ্যে ১৮ জন কোনো কাগজপত্র জমা দেননি। বাকি ২৪১ জনের মধ্যে ২১৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর ২২ জনের নিয়োগ এখনো স্থগিত রয়েছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
২০ মিনিট আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এক স্কুলশিক্ষিকাকে পিস্তল দেখিয়ে জোরপূর্বক সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কসবা পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকা রাতেই কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
৩৪ মিনিট আগে
নগর পুলিশের মুখপাত্র আমিনুর রশিদ বুধবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বাকলিয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মুরাদ ১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি। তাঁর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বিভিন্ন থানায় ১৬টি মামলা রয়েছে
৪২ মিনিট আগে