গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বাগদাফার্মে সেচের জন্য বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে সাঁওতালরা। আজ শনিবার দুপুরে ব্যানার, ফেস্টুন হাতে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে তাঁরা। বিক্ষোভ মিছিলটি কাটামোড় এলাকা প্রদক্ষিণ করে। বিক্ষোভ মিছিল থেকে তাঁরা ফসল রক্ষায় অবিলম্বে সেচের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার দাবি জানায়।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটি, আদিবাসী-বাঙালি সংহতি পরিষদ ও সামাজিক সংগ্রাম পরিষদ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ডা. ফিলিমন বাস্কে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন—আদিবাসী-বাঙালি সংহতি পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, মানবাধিকার কর্মী গোলাম রব্বানী মুসা, মো. মনির হোসেন সুইট, সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের জেলা সদস্যসচিব হাসান মোর্শেদ দীপন, সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মাস্টার, আদিবাসী নেত্রী প্রিসিলা মুরমু, অলিভিয়া মার্ডি, সুফল হেমব্রম, তৃষ্ণা মুরমু প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, উপজেলার সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্মের কৃষির জমিতে ধান, ভুট্টা, আলুসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন করা হয়। চাহিদা অনুযায়ী সেচের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য বিভিন্ন পর্যায় থেকে আশ্বাস দিলেও অদ্যাবধি বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ টালবাহানা করছে। ফলে অনেক কৃষি জমি অনাবাদি থাকছে এবং বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। ফলে কৃষকদের হতাশা বিরাজ করছে। রাজশাহীর গোদাগাড়ীর মতো কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সৃষ্টি হতে পারে। অবিলম্বে সেচের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে হবে অন্যথায় বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
এছাড়াও তাঁরা ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর তিন সাঁওতাল হত্যার বিষয়টি তুলে ধরে অবিলম্বে অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বাগদাফার্মে সেচের জন্য বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে সাঁওতালরা। আজ শনিবার দুপুরে ব্যানার, ফেস্টুন হাতে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে তাঁরা। বিক্ষোভ মিছিলটি কাটামোড় এলাকা প্রদক্ষিণ করে। বিক্ষোভ মিছিল থেকে তাঁরা ফসল রক্ষায় অবিলম্বে সেচের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার দাবি জানায়।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটি, আদিবাসী-বাঙালি সংহতি পরিষদ ও সামাজিক সংগ্রাম পরিষদ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ডা. ফিলিমন বাস্কে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন—আদিবাসী-বাঙালি সংহতি পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, মানবাধিকার কর্মী গোলাম রব্বানী মুসা, মো. মনির হোসেন সুইট, সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের জেলা সদস্যসচিব হাসান মোর্শেদ দীপন, সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্ম ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম মাস্টার, আদিবাসী নেত্রী প্রিসিলা মুরমু, অলিভিয়া মার্ডি, সুফল হেমব্রম, তৃষ্ণা মুরমু প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, উপজেলার সাহেবগঞ্জ বাগদাফার্মের কৃষির জমিতে ধান, ভুট্টা, আলুসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন করা হয়। চাহিদা অনুযায়ী সেচের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য বিভিন্ন পর্যায় থেকে আশ্বাস দিলেও অদ্যাবধি বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ টালবাহানা করছে। ফলে অনেক কৃষি জমি অনাবাদি থাকছে এবং বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। ফলে কৃষকদের হতাশা বিরাজ করছে। রাজশাহীর গোদাগাড়ীর মতো কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সৃষ্টি হতে পারে। অবিলম্বে সেচের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে হবে অন্যথায় বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
এছাড়াও তাঁরা ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর তিন সাঁওতাল হত্যার বিষয়টি তুলে ধরে অবিলম্বে অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৬ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৭ ঘণ্টা আগে