সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সরকারের পালাবদলে জাতির সামনে বিরাট সম্ভাবনা এসে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি বলেন, ‘নতুন বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের সম্ভাবনা আমাদের সামনে এখন আছে। সেটি করতে হলে বৃহত্তর জাতীয় ঐকমত্যের দরকার। যার-যার দায়িত্ব যেটি পালন করছেন, আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করা প্রয়োজন।’
আজ সোমবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
ঢাবি উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের শহীদদের যে চরম আত্মত্যাগ সেটি স্মরণ করে, যে পরম্পরা আমাদের আছে ৫২, ৬৮, ৭১, ৯০ এবং আমাদের ২৪—এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে জাতির সবচেয়ে ক্রান্তিলগ্নে ছাত্র-জনতা উঠে দাঁড়িয়েছে। এবং জাতিকে রক্ষা করার জন্য বৃহত্তর ঐকমত্য তারা তৈরি করতে পেরেছে।’
‘আমাদের সামনে যে যাত্রা, সেটির প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে এই ঐকমত্যকে ধরে রাখা। চড়াই-উতরাই আছে, কিন্তু বড় দাগে মানুষের মধ্যে বিজয় একটি আকাঙ্ক্ষা, গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণ একটি আকাঙ্ক্ষা। আমি আশাবাদী।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী সমাজ বিনির্মাণে ন্যায়বিচারের প্রস্তুতি নিতে হবে। ন্যায়বিচারের জন্য যে পক্ষই জড়িত থাকবে, প্রক্রিয়া চালিয়ে নেওয়ার দরকার আছে।
ইতিহাস বিকৃতি বন্ধে কী করা যেতে পারে এই প্রশ্নের জবাবে ঢাবি উপাচার্য বলেন, আমাদের তরুণ সমাজ, ছাত্র-জনতা যথেষ্ট সচেতন। ইতিহাস পাল্টানোর চেষ্টা বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে বহুবার বাংলাদেশে হয়েছে। ঘুরেফিরে মানুষের মনে প্রকৃত যে ইতিহাস, সেটি জানবার আগ্রহ থেকে গেছে।
অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, আজকে আমাদের স্মৃতিসৌধে লক্ষ জনতা সমবেত হয়েছে, তারা ইতিহাস জানতে চায়। ইতিহাসের প্রতি তাদের যে গভীর মমত্ব আছে, এই এলাকায় এলে প্রথম কথা যেটি মনে হয়, বাঙালি হিসেবে যে চরম আত্মত্যাগ পূর্বপুরুষেরা আমাদের জন্য করেছে, তার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রয়োজন।
এ সময় ঢাবি প্রক্টর, কোষাধ্যক্ষসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের পালাবদলে জাতির সামনে বিরাট সম্ভাবনা এসে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। তিনি বলেন, ‘নতুন বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের সম্ভাবনা আমাদের সামনে এখন আছে। সেটি করতে হলে বৃহত্তর জাতীয় ঐকমত্যের দরকার। যার-যার দায়িত্ব যেটি পালন করছেন, আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করা প্রয়োজন।’
আজ সোমবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
ঢাবি উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের শহীদদের যে চরম আত্মত্যাগ সেটি স্মরণ করে, যে পরম্পরা আমাদের আছে ৫২, ৬৮, ৭১, ৯০ এবং আমাদের ২৪—এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে জাতির সবচেয়ে ক্রান্তিলগ্নে ছাত্র-জনতা উঠে দাঁড়িয়েছে। এবং জাতিকে রক্ষা করার জন্য বৃহত্তর ঐকমত্য তারা তৈরি করতে পেরেছে।’
‘আমাদের সামনে যে যাত্রা, সেটির প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে এই ঐকমত্যকে ধরে রাখা। চড়াই-উতরাই আছে, কিন্তু বড় দাগে মানুষের মধ্যে বিজয় একটি আকাঙ্ক্ষা, গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণ একটি আকাঙ্ক্ষা। আমি আশাবাদী।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী সমাজ বিনির্মাণে ন্যায়বিচারের প্রস্তুতি নিতে হবে। ন্যায়বিচারের জন্য যে পক্ষই জড়িত থাকবে, প্রক্রিয়া চালিয়ে নেওয়ার দরকার আছে।
ইতিহাস বিকৃতি বন্ধে কী করা যেতে পারে এই প্রশ্নের জবাবে ঢাবি উপাচার্য বলেন, আমাদের তরুণ সমাজ, ছাত্র-জনতা যথেষ্ট সচেতন। ইতিহাস পাল্টানোর চেষ্টা বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে বহুবার বাংলাদেশে হয়েছে। ঘুরেফিরে মানুষের মনে প্রকৃত যে ইতিহাস, সেটি জানবার আগ্রহ থেকে গেছে।
অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, আজকে আমাদের স্মৃতিসৌধে লক্ষ জনতা সমবেত হয়েছে, তারা ইতিহাস জানতে চায়। ইতিহাসের প্রতি তাদের যে গভীর মমত্ব আছে, এই এলাকায় এলে প্রথম কথা যেটি মনে হয়, বাঙালি হিসেবে যে চরম আত্মত্যাগ পূর্বপুরুষেরা আমাদের জন্য করেছে, তার ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রয়োজন।
এ সময় ঢাবি প্রক্টর, কোষাধ্যক্ষসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
১৫ মিনিট আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
৩০ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
১ ঘণ্টা আগে