নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলমের সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত থেকে এই আদেশ দেওয়া হয়।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আখতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আশরাফুলের জব্দকৃত স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে বগুড়ার সোনাতলার প্রায় ২৫০ শতাংশ জমি এবং আইএফআইসি ব্যাংকের লালমাটিয়া, গুলশান ও বনানী শাখায় সঞ্চয়ী সাড়ে ৪৮ লাখ টাকা।
দুদকের আবেদন সূত্রে জানা যায়, আসামি আশরাফুল অবৈধভাবে অর্জিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র বিক্রয়, স্থানান্তরের চেষ্টায় রয়েছেন। সম্পত্তি হাস্তান্তর হলে আইনের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। এ কারণে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ করার আবেদন করেছেন।
এর আগে চলতি বছরের ২১ জুন আশরাফুল আলম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পৃথক দুই মামলা দায়ের করেছিল দুদক। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী বাদী হয়ে মামলা দুটো দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রথম মামলায় আশরাফুল আলম ও তার স্ত্রী মিসেস সাবিনা আলমকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় স্ত্রীকে প্রধান আসামি করে আশরাফুল আলমকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় আসামি মিসেস সাবিনা আলম দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ৬৬ লাখ ২৬ হাজার ৪৬৫ টাকার সম্পদ তথ্য গোপন এবং ৩ কোটি ৭৬ লাখ ২৪ হাজার ৩৩৫ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়।
অপরদিকে দ্বিতীয় মামলায় আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ২৭ লাখ ৯২ হাজার ৬৩ টাকার সম্পদ গোপন ও ২৩ লাখ ৭৯ হাজার ২৪৬ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২), ২৭(১) ধারা দন্ডবিধির ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলমের সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত থেকে এই আদেশ দেওয়া হয়।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আখতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আশরাফুলের জব্দকৃত স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে বগুড়ার সোনাতলার প্রায় ২৫০ শতাংশ জমি এবং আইএফআইসি ব্যাংকের লালমাটিয়া, গুলশান ও বনানী শাখায় সঞ্চয়ী সাড়ে ৪৮ লাখ টাকা।
দুদকের আবেদন সূত্রে জানা যায়, আসামি আশরাফুল অবৈধভাবে অর্জিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র বিক্রয়, স্থানান্তরের চেষ্টায় রয়েছেন। সম্পত্তি হাস্তান্তর হলে আইনের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। এ কারণে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ করার আবেদন করেছেন।
এর আগে চলতি বছরের ২১ জুন আশরাফুল আলম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পৃথক দুই মামলা দায়ের করেছিল দুদক। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী বাদী হয়ে মামলা দুটো দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রথম মামলায় আশরাফুল আলম ও তার স্ত্রী মিসেস সাবিনা আলমকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় স্ত্রীকে প্রধান আসামি করে আশরাফুল আলমকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় আসামি মিসেস সাবিনা আলম দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ৬৬ লাখ ২৬ হাজার ৪৬৫ টাকার সম্পদ তথ্য গোপন এবং ৩ কোটি ৭৬ লাখ ২৪ হাজার ৩৩৫ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়।
অপরদিকে দ্বিতীয় মামলায় আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ২৭ লাখ ৯২ হাজার ৬৩ টাকার সম্পদ গোপন ও ২৩ লাখ ৭৯ হাজার ২৪৬ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২), ২৭(১) ধারা দন্ডবিধির ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
২১ মিনিট আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
৩৬ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
১ ঘণ্টা আগে