Ajker Patrika

গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেলেন ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ কাইল্লা পলাশ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২০ জুন ২০২৬, ১০: ২২
গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেলেন ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ কাইল্লা পলাশ
ফাইল ছবি

রাজধানীর রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেছেন ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা’ পলাশ।

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, মৃত্যুর পর লাশের ময়নাতদন্তসহ পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

১২ জুন বেলা পৌনে ২টার দিকে রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের বিপরীতে নিজ বাসার কাছে গুলিবিদ্ধ হন পলাশ।

গুরুতর অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গত রোববার রাতে তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এর পর থেকে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ঘটনার পর পলাশের স্ত্রী মাহমুদা খানম হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মামলার এজাহারে জিসান আহমেদ মন্টিকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এজাহারে তাঁকেও ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাদশা ওরফে গুজা বাদশা (৪৮), গলদা বাদশা (৪৫), শান্ত ওরফে পিচ্চি শান্ত (২৮), সোলাইমান খন্দকার (৪৫), ফারুক ওরফে চাচা ফারুক (৩৫), হেবেল (৩৫), মোল্লা জনি (৪২), ফিরোজ মোহাম্মদ মোল্লা (৪৫), পিচ্চি আলামিন ওরফে তোতলা আলামিন এবং সজীবকে (৩৫) আসামি করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও সাত থেকে আটজনকেও আসামি করা হয়।

এজাহারে মাহমুদা খানম অভিযোগ করেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পরের যোগসাজশ ও সহায়তায় এক অস্ত্রধারী ব্যক্তি তাঁর স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করেন।

ঘটনার পরদিন ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে ইমাম হোসেন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, পলাশকে গুলি করে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তির ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের চালক ছিলেন ইমাম।

গত সোমবার ফেরদৌস নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে তাঁকে হাতিরঝিল থানায় হস্তান্তর করা হয়। পুলিশের দাবি, ঘটনার দিন ফেরদৌস ঘটনাস্থল ও এর আশপাশে অবস্থান করছিলেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত