কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের গাড়িসহ দুটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে আন্দোলনকারীরা।
কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করার সময় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও কয়েকশ ফাঁকাগুলি ছুড়ে। এ সময় ৩ পুলিশ সদস্যসহ প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়।
আজ সকাল থেকেই কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্থানীয় কোটবাড়ি সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আসলে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবস্থান নেয়। বেলা ১টার দিকে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও ফাঁকাগুলি ছুড়ে।
এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে শিক্ষার্থীরা ইট, পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে। ঘণ্টাব্যাপী পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও কয়েকশ ফাঁকাগুলি ছুড়ে। এ সময় প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে জানা যায়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছে কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে। এ সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকায় পুলিশের গাড়িসহ দুটি গাড়িতে আগুন দেয় আন্দোলনকারীরা।
এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনার মাধাইয়া, দাউদকান্দি হাসানপুর এলাকা, কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীরা।
এদিকে কুমিল্লার শশীদল রেলস্টেশনে রেল সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ সন্ধ্যা ৬টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অবরোধ করছিলেন। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
স্টেশন মাস্টার মো. শাহাবুদ্দিন আজকের পত্রিকাকে জানান, বিকেল ৪টা থেকে শিক্ষার্থীরা ষ্টেশন ও রেলপথ অবরোধ করে আছে। ফলে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস কসবা রেলওয়ে স্টেশন অবস্থান করছে। আর চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মহানগর এক্সপ্রেস রাজাপুর রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান করছে। স্টেশনের আউটডোরে একটি মালবাহী ট্রেন অবস্থান করছে।
অন্যদিকে সর্বশেষ সাড়ে ৬টায় প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কোটা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মোহাম্মদ সাকিব হোসাইন বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে আমরা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছি। শিক্ষার্থীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে। এ সময় পুলিশ নির্বিচারে আমাদের ওপর গুলি চালিয়েছে। কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করেছে। এতে আমাদের গুলিবিদ্ধ কয়েকজনসহ প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক শেখ ফজলে রাব্বি আজকের পত্রিকাকে জানান, কুমেক হাসপাতালে সর্বশেষ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৪৪ জন চিকিৎসা নিয়েছেন, এর মধ্যে তিন পুলিশ সদস্য রয়েছে।
কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন নাছিমা আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৬ জন শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ মারা যাননি। গুরুতর আহত দুজনকে রেফার করা হয়েছে।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান বলেন, ‘সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মহাসড়ক অবরোধকারীরা চলে যেতে শুরু করে। অবরোধকারীদের ইট-পাটকেল নিক্ষেপে আমাদের কয়েকজন আহত হয়েছে। পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।’

কুমিল্লায় কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের গাড়িসহ দুটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে আন্দোলনকারীরা।
কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করার সময় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও কয়েকশ ফাঁকাগুলি ছুড়ে। এ সময় ৩ পুলিশ সদস্যসহ প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়।
আজ সকাল থেকেই কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্থানীয় কোটবাড়ি সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আসলে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবস্থান নেয়। বেলা ১টার দিকে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও ফাঁকাগুলি ছুড়ে।
এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে শিক্ষার্থীরা ইট, পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে। ঘণ্টাব্যাপী পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও কয়েকশ ফাঁকাগুলি ছুড়ে। এ সময় প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে জানা যায়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছে কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে। এ সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকায় পুলিশের গাড়িসহ দুটি গাড়িতে আগুন দেয় আন্দোলনকারীরা।
এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনার মাধাইয়া, দাউদকান্দি হাসানপুর এলাকা, কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীরা।
এদিকে কুমিল্লার শশীদল রেলস্টেশনে রেল সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ সন্ধ্যা ৬টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অবরোধ করছিলেন। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
স্টেশন মাস্টার মো. শাহাবুদ্দিন আজকের পত্রিকাকে জানান, বিকেল ৪টা থেকে শিক্ষার্থীরা ষ্টেশন ও রেলপথ অবরোধ করে আছে। ফলে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস কসবা রেলওয়ে স্টেশন অবস্থান করছে। আর চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মহানগর এক্সপ্রেস রাজাপুর রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান করছে। স্টেশনের আউটডোরে একটি মালবাহী ট্রেন অবস্থান করছে।
অন্যদিকে সর্বশেষ সাড়ে ৬টায় প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কোটা আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মোহাম্মদ সাকিব হোসাইন বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে আমরা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছি। শিক্ষার্থীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে। এ সময় পুলিশ নির্বিচারে আমাদের ওপর গুলি চালিয়েছে। কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করেছে। এতে আমাদের গুলিবিদ্ধ কয়েকজনসহ প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক শেখ ফজলে রাব্বি আজকের পত্রিকাকে জানান, কুমেক হাসপাতালে সর্বশেষ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৪৪ জন চিকিৎসা নিয়েছেন, এর মধ্যে তিন পুলিশ সদস্য রয়েছে।
কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন নাছিমা আক্তার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৬ জন শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ মারা যাননি। গুরুতর আহত দুজনকে রেফার করা হয়েছে।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান বলেন, ‘সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মহাসড়ক অবরোধকারীরা চলে যেতে শুরু করে। অবরোধকারীদের ইট-পাটকেল নিক্ষেপে আমাদের কয়েকজন আহত হয়েছে। পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।’

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপি মনোনীত সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিনের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১ ও পুলিশ। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
৮ মিনিট আগে
রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
২৮ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
৩৭ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে