চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী মো. মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, ১২ বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠানে থাকা মোজাম্মেল হক বিভিন্ন সময় চৌদ্দগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিভাগীয় পরিচালক ও সিভিল সার্জনের নাম ভাঙিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে নিতেন। শুধু তা-ই নয়, বদলিজনিত ফরওয়ার্ডিং বাবদ তাঁকে টাকা দিতে হয়। মাতৃত্ব ছুটি মঞ্জুর ও যোগদানের সময়ও নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাঁকে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে তিনি তাঁদের কর্মস্থলে যোগদান করতে দিতেন না।
সম্প্রতি এ বিষয়ে কমপ্লেক্সের ৯৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী জেলা সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, মোজাম্মেল হক ২০১৩ সালের ২৯ এপ্রিল এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রধান সহকারী হিসেবে যোগ দেন। বিভিন্ন সময় তিনি চৌদ্দগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিভাগীয় পরিচালক ও সিভিল সার্জনের নাম ভাঙিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে নিতেন। শুধু তা-ই নয়, বদলিজনিত ফরওয়ার্ডিং বাবদ তাঁকে টাকা দিতে হয়। মাতৃত্ব ছুটি মঞ্জুর ও যোগদানের সময়ও নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাঁকে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে তিনি তাঁদেরকে কর্মস্থলে যোগদান করতে দিতেন না।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কর্মচারীদের উচ্চতর গ্রেড মঞ্জুর করার জন্য মোজাম্মেল হক প্রতিজন থেকে ৩ হাজার ৫ শ, জিপিএফ ঋণ উত্তোলনের জন্য গ্রহীতাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১৫ শ থেকে ২ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিনোদন, ল্যামগ্রেন্ড, পেনশন, পিআরএল মঞ্জুর করার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বাজেট শাখার কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে নেন। একই সঙ্গে কমিউনিটি ক্লিনিকের বিভিন্ন ভাউচার পাস করার জন্য নামে-বেনামে অর্থ আদায় করে নেন।
অভিযোগে ভুক্তভোগীরা আরও উল্লেখ করেন, কর্মচারীদের নির্দিষ্ট সময় পিআরএল মঞ্জুর না করে তাঁদের হয়রানি করেন মোজাম্মেল হক। তবে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তিনি পিআরএলের ব্যক্তিদের ফাইল ছাড় দেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি করে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে তিনি কুমিল্লা শহরে একাধিক বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, বাড়ি তৈরি করেছেন। রয়েছে গাড়িও।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘মোজাম্মেল হক ১২ বছর ধরে এই স্টেশনে রয়েছেন। টাকা ছাড়া তিনি কোনো ফাইল ছাড় দেন না। কারণে-অকারণে আমাদের ফাইল আটক রেখে তিনি হয়রানি করেন। টাকা দিলেই তিনি ফাইল ছাড়েন। ১২ বছরে তিনি এই স্টেশন থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে কুমিল্লা শহরে বাড়ি-গাড়ি করেছেন।’
উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (স্যাকমো) মো. আবুল হাসেম সবুজ বলেন, মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৯৩ জন ভুক্তভোগী জেলা সিভিল সার্জনের কাছে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ করেন। মোজাম্মেল হক এই উপজেলার স্বাস্থ্য সহকারী, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, কনসালট্যান্ট এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ফাইল আটক রেখে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে নেন।’
আবুল হাসেম জানান, তিনি দুবার ওমরাহ হজে যাওয়ার জন্য মোজাম্মেল হককে ৯ হাজার টাকা দিয়ে তাঁর অর্জিত ছুটি মঞ্জুর করিয়ে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিতে যোগদানের ১০ বছর ও ১৬ বছর অতিবাহিত হলে গ্রেড পরিবর্তন হয়। এগুলো আমাদের সার্ভিস বইতে সংযোজন করার জন্য মোজাম্মেল হক ৯৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে ৩ হাজার ৫ শত টাকা করে আদায় করে নেওয়ার পরও সার্ভিস বইতে আমাদের তথ্যগুলো সংযোজন না করায় আমরা সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারছি না।’
এ বিষয়ে প্রধান সহকারী মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। হাসপাতালের একটি পক্ষকে অনৈতিক সুবিধা না দেওয়ায় তাঁরা আমার বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন, যাতে করে আমাকে এখান থেকে বদলি করা হয়।’ কুমিল্লা শহরে একাধিক ফ্ল্যাট, গাড়ি ও বাড়ির সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা রেসকোর্সে আমার একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। আমার স্ত্রী একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। স্বামী-স্ত্রী ব্যাংক থেকে লোন করে একটি ফ্ল্যাট ও বাড়ি করেছি। তবে আমার কোনো গাড়ি নেই।’
কুমিল্লা জেলার সিভিল সার্জন আলী নুর মোহাম্মদ বশির আহাম্মদ বলেন, ‘একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। শিগগিরই তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী মো. মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, ১২ বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠানে থাকা মোজাম্মেল হক বিভিন্ন সময় চৌদ্দগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিভাগীয় পরিচালক ও সিভিল সার্জনের নাম ভাঙিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে নিতেন। শুধু তা-ই নয়, বদলিজনিত ফরওয়ার্ডিং বাবদ তাঁকে টাকা দিতে হয়। মাতৃত্ব ছুটি মঞ্জুর ও যোগদানের সময়ও নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাঁকে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে তিনি তাঁদের কর্মস্থলে যোগদান করতে দিতেন না।
সম্প্রতি এ বিষয়ে কমপ্লেক্সের ৯৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী জেলা সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, মোজাম্মেল হক ২০১৩ সালের ২৯ এপ্রিল এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রধান সহকারী হিসেবে যোগ দেন। বিভিন্ন সময় তিনি চৌদ্দগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিভাগীয় পরিচালক ও সিভিল সার্জনের নাম ভাঙিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে নিতেন। শুধু তা-ই নয়, বদলিজনিত ফরওয়ার্ডিং বাবদ তাঁকে টাকা দিতে হয়। মাতৃত্ব ছুটি মঞ্জুর ও যোগদানের সময়ও নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাঁকে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে তিনি তাঁদেরকে কর্মস্থলে যোগদান করতে দিতেন না।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কর্মচারীদের উচ্চতর গ্রেড মঞ্জুর করার জন্য মোজাম্মেল হক প্রতিজন থেকে ৩ হাজার ৫ শ, জিপিএফ ঋণ উত্তোলনের জন্য গ্রহীতাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১৫ শ থেকে ২ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিনোদন, ল্যামগ্রেন্ড, পেনশন, পিআরএল মঞ্জুর করার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বাজেট শাখার কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে নেন। একই সঙ্গে কমিউনিটি ক্লিনিকের বিভিন্ন ভাউচার পাস করার জন্য নামে-বেনামে অর্থ আদায় করে নেন।
অভিযোগে ভুক্তভোগীরা আরও উল্লেখ করেন, কর্মচারীদের নির্দিষ্ট সময় পিআরএল মঞ্জুর না করে তাঁদের হয়রানি করেন মোজাম্মেল হক। তবে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তিনি পিআরএলের ব্যক্তিদের ফাইল ছাড় দেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি করে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে তিনি কুমিল্লা শহরে একাধিক বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, বাড়ি তৈরি করেছেন। রয়েছে গাড়িও।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘মোজাম্মেল হক ১২ বছর ধরে এই স্টেশনে রয়েছেন। টাকা ছাড়া তিনি কোনো ফাইল ছাড় দেন না। কারণে-অকারণে আমাদের ফাইল আটক রেখে তিনি হয়রানি করেন। টাকা দিলেই তিনি ফাইল ছাড়েন। ১২ বছরে তিনি এই স্টেশন থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে কুমিল্লা শহরে বাড়ি-গাড়ি করেছেন।’
উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (স্যাকমো) মো. আবুল হাসেম সবুজ বলেন, মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৯৩ জন ভুক্তভোগী জেলা সিভিল সার্জনের কাছে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ করেন। মোজাম্মেল হক এই উপজেলার স্বাস্থ্য সহকারী, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, কনসালট্যান্ট এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ফাইল আটক রেখে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে নেন।’
আবুল হাসেম জানান, তিনি দুবার ওমরাহ হজে যাওয়ার জন্য মোজাম্মেল হককে ৯ হাজার টাকা দিয়ে তাঁর অর্জিত ছুটি মঞ্জুর করিয়ে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিতে যোগদানের ১০ বছর ও ১৬ বছর অতিবাহিত হলে গ্রেড পরিবর্তন হয়। এগুলো আমাদের সার্ভিস বইতে সংযোজন করার জন্য মোজাম্মেল হক ৯৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে ৩ হাজার ৫ শত টাকা করে আদায় করে নেওয়ার পরও সার্ভিস বইতে আমাদের তথ্যগুলো সংযোজন না করায় আমরা সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারছি না।’
এ বিষয়ে প্রধান সহকারী মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। হাসপাতালের একটি পক্ষকে অনৈতিক সুবিধা না দেওয়ায় তাঁরা আমার বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন, যাতে করে আমাকে এখান থেকে বদলি করা হয়।’ কুমিল্লা শহরে একাধিক ফ্ল্যাট, গাড়ি ও বাড়ির সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা রেসকোর্সে আমার একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। আমার স্ত্রী একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। স্বামী-স্ত্রী ব্যাংক থেকে লোন করে একটি ফ্ল্যাট ও বাড়ি করেছি। তবে আমার কোনো গাড়ি নেই।’
কুমিল্লা জেলার সিভিল সার্জন আলী নুর মোহাম্মদ বশির আহাম্মদ বলেন, ‘একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। শিগগিরই তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ মিনিট আগে
ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল হুমাইরা আক্তার মিম (১৫)। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা শেষ করে বড় কিছু হওয়ার। কিন্তু গত শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
১০ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে মো. নোমান (২৫) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার চেয়ারম্যান অফিস এলাকার পাশের একটি ভাড়া বাসা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নোমান পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মজিবর দফাদারের ছেলে
৪২ মিনিট আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের নতুন বাক্তারচর এলাকায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র রাতের আঁধারে বিপুল পরিমাণ মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে আগেই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে