
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিদ্যুতায়িত হয়ে শেখ আহমেদ (২৮) নামের এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া শেখ আহমেদ আদর্শ গ্রামের মৃত মফিজ মিয়ার ছেলে। চৌদ্দগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তারেক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শেখ আহমেদের সঙ্গে থাকা আরেক শ্রমিক মহসিন বলেন, ‘গত এক মাস ধরে সৈয়দপুর গ্রামের নাজমুল হোসেনের ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় ছাদের সেন্টারিং (কাঠ-বাঁশ) খোলার সময় ভুলবশত নিচে পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে পড়ে শেখ আহমেদ। আমি পাশের রুমে কাজ করছিলাম। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে এসে দেখি সে উপুড় হয়ে পড়ে আছে। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’
চৌদ্দগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তারেক হাসান জানান, খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে লাশ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

সকাল ১০টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১০-১২ জন নেতা এবং কয়েকজন শ্রমিক বড় হাতুড়ি, রডসহ অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে কার্যালয়টিতে উপস্থিত হন। তারা দীর্ঘ সময় ধরে কার্যালয়ের সামনের দেয়াল, প্রধান ফটক এবং দরজা-জানালা ভেঙে ফেলেন। একপর্যায়ে কার্যালয়ের সামনে টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
৬ মিনিট আগে
সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কারখানা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে আশপাশের লোকজন ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিস ও কুলিয়ারচর ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
১৭ মিনিট আগে
নিহতের পরিবার জানায়, রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নয়া মিয়ার নাতি নিরব মিয়া (১৪) ও তার সহপাঠী একই গ্রামের মামুন মিয়া (১৪), কাওসার (১৫) ও রাজনের (১৬) মধ্যে লুডু খেলা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।
২০ মিনিট আগে
রাজধানীর তুরাগে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি গোডাউন ও মোটরসাইকেল সার্ভিস সেন্টার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আবদুল্লাহপুর-আশুলিয়া সড়কের তুরাগের কামারপাড়া সংলগ্ন ওই গোডাউনগুলোতে আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ২৮ মিনিটে আগুন লাগে।
২৫ মিনিট আগে