চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

ঈদুল ফিতরের বাকি মাত্র কয়েক দিন। ঈদের দুই দিন পরই পয়লা বৈশাখ। ঈদ ও বৈশাখকে কেন্দ্র করে চৌদ্দগ্রামে চলছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। বৈশাখ পালনে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদ ও পয়লা বৈশাখের কারণে বিক্রি বেড়েছে নারকেল, চিড়া ও মুড়ির দোকানগুলোতে।
গত কয়েক বছর রমজানে পয়লা বৈশাখ পড়াতে এ উৎসবে ভাটা ছিল। এবার ঈদ ও বৈশাখ এক সঙ্গে, তাই উৎসব হচ্ছে দ্বিগুণ। ঈদুল ফিতরের কেনাকাটা প্রায় শেষ। এখন চলছে পয়লা বৈশাখের জন্য প্রস্তুতি। তাই তো ভিড় বেড়েই চলেছে নারকেল, চিড়া ও মুড়ির দোকানগুলোতে। চিড়া, মুড়ি ও নারকেল কিনে পাঠানো হচ্ছে নতুন আত্মীয়ের বাড়িতে। এতে বিক্রেতারাও খুশি।
চৌদ্দগ্রাম বাজারে সরেজমিন আজ সোমবার দেখা যায়, চিড়া, মুড়ি ও নারকেল দোকানগুলোতে ক্রমাগত ভিড় বেড়েই চলছে। দোকানিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। চিড়া-মুড়ির দাম সহনশীল থাকলেও নারকেলের দাম ঊর্ধ্বগতি। এতেও ক্রেতাদের কোনো অভিযোগ নেই। কিনে নিচ্ছেন পছন্দের নারকেল। পাঠাচ্ছেন আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে।
আয়েশা বেগম নামের এক নারী বলেন, ‘গত কয়েক বছর রমজানের কারণে পয়লা বৈশাখ পালন করা হয়নি। এবার ঈদের দুদিন পরেই পয়লা বৈশাখ। আত্মীয়স্বজনেরা শহর থেকে বাড়িতে আসছে। এতে বৈশাখের উৎসব দ্বিগুণ হবে।’
‘একদিকে ঈদ, অন্যদিকে পয়লা বৈশাখ। দুটি দিবসে স্বজনদের পাওয়া সত্যি আনন্দের। তাই তো ঈদবাজারের সঙ্গে পয়লা বৈশাখের জন্য নারকেল, চিড়া, মুড়িও কিনে নিয়ে যাচ্ছি। কারণ, ঈদের পরে এসব দোকান বন্ধ থাকবে।’ বলেন, আয়েশা বেগম।
শফিউল আলম নামে এক যুবক বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে ভাই ও ভাবিরা বাড়িতে আসছে। সঙ্গে রয়েছে তাদের সন্তানেরা। তাদের বায়না ঈদের সময় বৈশাখ পালন করবে। গত কয়েক বছর রমজানের কারণে পালন করতে পারেনি। বড় ভাইয়ের ছোট ছেলে-মেয়েদের বায়না পূরণ করতে বাঙালিয়ানা খাবার হিসেবে পয়লা বৈশাখের দিন সকালে চিড়া-মুড়ি খাওয়ানো হবে তাদের। তাই দোকান থেকে চিড়া, মুড়ি ও নারকেল নিয়ে যাচ্ছি।’
নারকেল দোকানদার জামাল উদ্দিন বলেন, রমজানে চিড়া-মুড়ির পাশাপাশি নারকেলের কিছুটা চাহিদা থাকলেও এবার পয়লা বৈশাখের কারণে দোকানগুলোতে পয়লা বৈশাখের আমেজ লেগেছে।
‘নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর থেকে বাড়তি দামে নারকেল কিনে আনতে হচ্ছে। তাই আমরাও কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।’ বলেন, জামাল উদ্দিন।
মুড়ি বিক্রেতা বাচ্চু মিয়া বলেন, এবার ঈদ ও বৈশাখ একসঙ্গে দোকানে বিক্রি বেড়েছে। ক্রেতারা বাঙালিয়ানা খাবার হিসেবে চিড়া, মুড়ি ও নারকেল কিনে স্বজনদের বাড়িতে পাঠাচ্ছেন।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রহমত উল্যাহ বলেন, পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় পয়লা বৈশাখের দিন সকালে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাঙালি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

ঈদুল ফিতরের বাকি মাত্র কয়েক দিন। ঈদের দুই দিন পরই পয়লা বৈশাখ। ঈদ ও বৈশাখকে কেন্দ্র করে চৌদ্দগ্রামে চলছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। বৈশাখ পালনে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদ ও পয়লা বৈশাখের কারণে বিক্রি বেড়েছে নারকেল, চিড়া ও মুড়ির দোকানগুলোতে।
গত কয়েক বছর রমজানে পয়লা বৈশাখ পড়াতে এ উৎসবে ভাটা ছিল। এবার ঈদ ও বৈশাখ এক সঙ্গে, তাই উৎসব হচ্ছে দ্বিগুণ। ঈদুল ফিতরের কেনাকাটা প্রায় শেষ। এখন চলছে পয়লা বৈশাখের জন্য প্রস্তুতি। তাই তো ভিড় বেড়েই চলেছে নারকেল, চিড়া ও মুড়ির দোকানগুলোতে। চিড়া, মুড়ি ও নারকেল কিনে পাঠানো হচ্ছে নতুন আত্মীয়ের বাড়িতে। এতে বিক্রেতারাও খুশি।
চৌদ্দগ্রাম বাজারে সরেজমিন আজ সোমবার দেখা যায়, চিড়া, মুড়ি ও নারকেল দোকানগুলোতে ক্রমাগত ভিড় বেড়েই চলছে। দোকানিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। চিড়া-মুড়ির দাম সহনশীল থাকলেও নারকেলের দাম ঊর্ধ্বগতি। এতেও ক্রেতাদের কোনো অভিযোগ নেই। কিনে নিচ্ছেন পছন্দের নারকেল। পাঠাচ্ছেন আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে।
আয়েশা বেগম নামের এক নারী বলেন, ‘গত কয়েক বছর রমজানের কারণে পয়লা বৈশাখ পালন করা হয়নি। এবার ঈদের দুদিন পরেই পয়লা বৈশাখ। আত্মীয়স্বজনেরা শহর থেকে বাড়িতে আসছে। এতে বৈশাখের উৎসব দ্বিগুণ হবে।’
‘একদিকে ঈদ, অন্যদিকে পয়লা বৈশাখ। দুটি দিবসে স্বজনদের পাওয়া সত্যি আনন্দের। তাই তো ঈদবাজারের সঙ্গে পয়লা বৈশাখের জন্য নারকেল, চিড়া, মুড়িও কিনে নিয়ে যাচ্ছি। কারণ, ঈদের পরে এসব দোকান বন্ধ থাকবে।’ বলেন, আয়েশা বেগম।
শফিউল আলম নামে এক যুবক বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে ভাই ও ভাবিরা বাড়িতে আসছে। সঙ্গে রয়েছে তাদের সন্তানেরা। তাদের বায়না ঈদের সময় বৈশাখ পালন করবে। গত কয়েক বছর রমজানের কারণে পালন করতে পারেনি। বড় ভাইয়ের ছোট ছেলে-মেয়েদের বায়না পূরণ করতে বাঙালিয়ানা খাবার হিসেবে পয়লা বৈশাখের দিন সকালে চিড়া-মুড়ি খাওয়ানো হবে তাদের। তাই দোকান থেকে চিড়া, মুড়ি ও নারকেল নিয়ে যাচ্ছি।’
নারকেল দোকানদার জামাল উদ্দিন বলেন, রমজানে চিড়া-মুড়ির পাশাপাশি নারকেলের কিছুটা চাহিদা থাকলেও এবার পয়লা বৈশাখের কারণে দোকানগুলোতে পয়লা বৈশাখের আমেজ লেগেছে।
‘নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর থেকে বাড়তি দামে নারকেল কিনে আনতে হচ্ছে। তাই আমরাও কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।’ বলেন, জামাল উদ্দিন।
মুড়ি বিক্রেতা বাচ্চু মিয়া বলেন, এবার ঈদ ও বৈশাখ একসঙ্গে দোকানে বিক্রি বেড়েছে। ক্রেতারা বাঙালিয়ানা খাবার হিসেবে চিড়া, মুড়ি ও নারকেল কিনে স্বজনদের বাড়িতে পাঠাচ্ছেন।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রহমত উল্যাহ বলেন, পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় পয়লা বৈশাখের দিন সকালে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাঙালি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে