কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ‘ডি’ ব্লকে অবস্থিত মোচোড়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন উখিয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশন কর্মকর্তা এমদাদুল হক।
জানা যায়, চলতি বছর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এটি পঞ্চম অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। গত ২ জানুয়ারি ২০ এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থিত ৭০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত হাসপাতালে আগুন লাগে। একই মাসের ৯ জানুয়ারি উখিয়ার শফিউল্লাহ কাটা ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাড়ে তিন হাজার রোহিঙ্গা।
পরবর্তীতে ১৭ জানুয়ারি উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মধ্যরাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুড়ে যায় ৩০ ঘর। সর্বশেষ ২৫ ফেব্রুয়ারি বালুখালী ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) চেকপোস্ট সংলগ্ন রোহিঙ্গা বসতিতে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যায় ৩৫টি ঘর ও দোকান।
আবুল হাকিম নামে এক রোহিঙ্গা বলেন, শুনেছি প্রথমে একটি দোকান থেকে আগুন লেগে চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। আমরা আগুন দেখতে পেয়ে সেখান থেকে সরে আসি।
স্টেশন কর্মকর্তা বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে কীভাবে আগুন লাগল এখন পর্যন্ত তা জানা যায়নি।

পদ্মায় নতুন পানি আসায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় জেলেদের মধ্যেও। নদীতে জাল ফেলে চলছে মাছ ধরার ব্যস্ততা। বিভিন্ন ঘাটে বসেছে অস্থায়ী মাছের বাজার। নদী থেকে ধরে আনা তাজা মাছ কিনতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। চোখের সামনে নদী থেকে তুলে আনা জীবন্ত মাছ দরদাম করে কেনার মধ্যেও আলাদা আনন্দ খুঁজে পাচ্ছেন অনেকে।
১০ মিনিট আগে
চাঁদপুরের আট উপজেলায় ৯২টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাগজে-কলমে চিকিৎসক রয়েছেন। অথচ সেসব চিকিৎসক সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সংযুক্তিতে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে সামান্য সেবা পেতেও ছুটতে হচ্ছে উপজেলা কিংবা জেলা সদরে।
৫ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের চিতলমারীতে অবৈধ ড্রেজার ও রুট পারমিটবিহীন বাল্কহেড দিয়ে ভূগর্ভ থেকে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের মহোৎসব চলছে। প্রশাসনের জরিমানার পরেও উপজেলার ১০ থেকে ১২ জন চিহ্নিত ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিক ভূগর্ভ থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন ও পরিবহন করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভয়াল গ্রাসে প্রতিনিয়ত ঘরবাড়ি হারাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষেরা। গত ৭২ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর আকস্মিক ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে ৮৩টি পরিবারের বসতভিটা। এর মধ্যে ১২টি পরিবারের অন্তত সাতটি টিনের ঘর পুরোপুরি নদীতে তলিয়ে গেছে এবং কয়েকটি ঘরের আংশিক নদীতে চলে গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে