চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, কক্সবাজারের চকরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক সঙ্গে ছয় ভাই নিহত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। সরকারের পক্ষ থেকে হাজার কোটি টাকা অনুদান দিলেও ছয় সন্তানকে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব না। স্বজন হারানোর বেদনা কেমন, তা আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানেন এবং বোঝেন। তিনি এ ঘটনার পর থেকে প্রতি মুহূর্তে খবর নিয়েছেন।
কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারার মালুমঘাট হাসিনাপাড়া গ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও অনুদানের চেক হস্তান্তরের সময় ধর্মপ্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ধর্মপ্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জমিসহ বাড়ির তৈরির ব্যবস্থার কাজ করছেন। দুর্ঘটনায় বেঁচে ফেরা মৃত সুরেশ চন্দ্র সুশীলের সন্তান প্লাবন সুশীল ও নিহত ছয় ভাইয়ের স্ত্রীদের যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির ব্যবস্থা করা হবে।’
এর আগে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান সকাল ১১টায় কক্সবাজার থেকে সড়কপথে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাটে হাসিনা পাড়ার প্রয়াত সুরেশ চন্দ্র সুশীলের বাড়িতে পৌঁছান। পিকআপ চাপায় নিহত ছয় ভাইয়ের মা, তাঁদের পরিবার ও স্বজনদের খোঁজখবর নেন ও সমবেদনা জানান। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার করে ৯ পরিবারকে সাড়ে ৪ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন। এ সময় চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলমের স্ত্রী শাহেদা জাফর পরিবারের কাছে নগদ এক লাখ টাকা তুলে দেন।
ছয় সন্তান হারানো মা মৃণালিনী সুশীল মানু কান্নাজনিত কণ্ঠে প্রতিমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমি কী এ হত্যাকাণ্ডের বিচার পাব? আমার কিছুই চাওয়ার নেই। আমি জীবিত থাকতে যেন আমার ছয় সন্তানের হত্যার বিচার নিজ চোখে দেখে যেতে পারি।’
মৃণালিনীর প্রশ্নের উত্তরে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পিকআপ ভ্যানে চালক ও মালিককে গ্রেপ্তার করেছে। গাড়িটিও জব্দ আছে। আশা করছি, এ ঘটনার সুষ্ঠু ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে।’
উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাবেক স্বাস্থ্য পরিদর্শক সুরেশ চন্দ্র সুশীলের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান শেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাটের নার্সারি গেট এলাকায় পিকআপ ভ্যান চাপায় নিহত হন ছয় ভাই অনুপম সুশীল, নিরুপম সুশীল, স্মরণ সুশীল, দিপক সুশীল, চম্পক সুশীল ও রক্তিম সুশীল। এতে গুরুতর আহত বোন হীরা সুশীল। তাঁর মধ্যে প্লাবন সুশীল সুস্থ হলেও মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে। বোন হীরা সুশীল এখনো মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিষ্টান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, কক্সবাজারের চকরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক সঙ্গে ছয় ভাই নিহত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। সরকারের পক্ষ থেকে হাজার কোটি টাকা অনুদান দিলেও ছয় সন্তানকে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব না। স্বজন হারানোর বেদনা কেমন, তা আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানেন এবং বোঝেন। তিনি এ ঘটনার পর থেকে প্রতি মুহূর্তে খবর নিয়েছেন।
কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারার মালুমঘাট হাসিনাপাড়া গ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও অনুদানের চেক হস্তান্তরের সময় ধর্মপ্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ধর্মপ্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জমিসহ বাড়ির তৈরির ব্যবস্থার কাজ করছেন। দুর্ঘটনায় বেঁচে ফেরা মৃত সুরেশ চন্দ্র সুশীলের সন্তান প্লাবন সুশীল ও নিহত ছয় ভাইয়ের স্ত্রীদের যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির ব্যবস্থা করা হবে।’
এর আগে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান সকাল ১১টায় কক্সবাজার থেকে সড়কপথে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাটে হাসিনা পাড়ার প্রয়াত সুরেশ চন্দ্র সুশীলের বাড়িতে পৌঁছান। পিকআপ চাপায় নিহত ছয় ভাইয়ের মা, তাঁদের পরিবার ও স্বজনদের খোঁজখবর নেন ও সমবেদনা জানান। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার করে ৯ পরিবারকে সাড়ে ৪ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন। এ সময় চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলমের স্ত্রী শাহেদা জাফর পরিবারের কাছে নগদ এক লাখ টাকা তুলে দেন।
ছয় সন্তান হারানো মা মৃণালিনী সুশীল মানু কান্নাজনিত কণ্ঠে প্রতিমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আমি কী এ হত্যাকাণ্ডের বিচার পাব? আমার কিছুই চাওয়ার নেই। আমি জীবিত থাকতে যেন আমার ছয় সন্তানের হত্যার বিচার নিজ চোখে দেখে যেতে পারি।’
মৃণালিনীর প্রশ্নের উত্তরে ধর্মপ্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পিকআপ ভ্যানে চালক ও মালিককে গ্রেপ্তার করেছে। গাড়িটিও জব্দ আছে। আশা করছি, এ ঘটনার সুষ্ঠু ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার হবে।’
উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাবেক স্বাস্থ্য পরিদর্শক সুরেশ চন্দ্র সুশীলের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান শেষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাটের নার্সারি গেট এলাকায় পিকআপ ভ্যান চাপায় নিহত হন ছয় ভাই অনুপম সুশীল, নিরুপম সুশীল, স্মরণ সুশীল, দিপক সুশীল, চম্পক সুশীল ও রক্তিম সুশীল। এতে গুরুতর আহত বোন হীরা সুশীল। তাঁর মধ্যে প্লাবন সুশীল সুস্থ হলেও মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছে। বোন হীরা সুশীল এখনো মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিষ্টান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে