কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) তিন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে তাঁদের আটক করে র্যাব।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, আরসার জোন কমান্ডার ও ৪ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা হাফেজ কামাল (৩৫), তাঁর দেহরক্ষী আনসার উল্লাহ (২০) ও পালংখালী ১৮ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ সাইফুল।
আজ বুধবার দুপুরে র্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন।
লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পালংখালী রোহিঙ্গা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরসার সদস্য সাইফুলকে আটক করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতে ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে আরসার জোন ও কিলিং কমান্ডার হাফেজ কামাল ও তাঁর দেহরক্ষী আনসার উল্লাহকে আটক করা হয়।
সাজ্জাদ হোসেন আরও বলেন, এ সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি বিদেশি জি-৩ রাইফেল, একটি দেশীয় তৈরি এলজি এবং সাত রাউন্ড গুলি ও একটি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা মিয়ানমারের সন্ত্রাসী সংগঠন আরসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থেকে খুন, অপহরণসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন।
র্যাবের অধিনায়ক বলেন, সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘটিত হত্যা, গুম, অপহরণ ও অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে আরসার কিলিং গ্রুপ কমান্ডার ও ক্যাম্প-১৭–এর জোন কমান্ডার হাফেজ কামাল জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
র্যাব জানায়, সম্প্রতি অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আরসার বিভিন্ন পর্যায়ের ১১৮ জন কমান্ডার ও সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে ৫৩.৭১ কেজি বিস্ফোরক, পাঁচটি গ্রেনেড, তিনটি রাইফেল গ্রেনেড, ১০টি দেশীয় তৈরি হ্যান্ড গ্রেনেড, ১৫টি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৭টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ১৮৩টি গুলি/কার্তুজ, ৬৭টি খালি খোসা, চারটি হাতবোমা, চারটি আইডি ও ৪৮টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) তিন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে তাঁদের আটক করে র্যাব।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, আরসার জোন কমান্ডার ও ৪ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা হাফেজ কামাল (৩৫), তাঁর দেহরক্ষী আনসার উল্লাহ (২০) ও পালংখালী ১৮ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ সাইফুল।
আজ বুধবার দুপুরে র্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন।
লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পালংখালী রোহিঙ্গা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরসার সদস্য সাইফুলকে আটক করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতে ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি আস্তানায় অভিযান চালিয়ে আরসার জোন ও কিলিং কমান্ডার হাফেজ কামাল ও তাঁর দেহরক্ষী আনসার উল্লাহকে আটক করা হয়।
সাজ্জাদ হোসেন আরও বলেন, এ সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি বিদেশি জি-৩ রাইফেল, একটি দেশীয় তৈরি এলজি এবং সাত রাউন্ড গুলি ও একটি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা মিয়ানমারের সন্ত্রাসী সংগঠন আরসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থেকে খুন, অপহরণসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকার বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন।
র্যাবের অধিনায়ক বলেন, সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘটিত হত্যা, গুম, অপহরণ ও অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে আরসার কিলিং গ্রুপ কমান্ডার ও ক্যাম্প-১৭–এর জোন কমান্ডার হাফেজ কামাল জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
র্যাব জানায়, সম্প্রতি অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আরসার বিভিন্ন পর্যায়ের ১১৮ জন কমান্ডার ও সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে ৫৩.৭১ কেজি বিস্ফোরক, পাঁচটি গ্রেনেড, তিনটি রাইফেল গ্রেনেড, ১০টি দেশীয় তৈরি হ্যান্ড গ্রেনেড, ১৫টি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৭টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ১৮৩টি গুলি/কার্তুজ, ৬৭টি খালি খোসা, চারটি হাতবোমা, চারটি আইডি ও ৪৮টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে