
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া ও পেকুয়া) আসনের দুই প্রার্থী জাফর আলম ও সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের মধ্যে চলছে কথার খোঁচাখুঁচি। জাফর তাঁর প্রতিপক্ষ প্রার্থীকে বহিরাগত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। অন্যদিকে জাফরকে গরু চোরের গডফাদার বলেছেন ইবরাহিম।
এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জাফরকে এবার আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। তাঁর পরিবর্তে দলের সাবেক জেলা সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দীন আহমদ মনোনয়ন পেলেও ঋণখেলাপির দায়ে তাঁর প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়। ফলে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান ইবরাহিমকে সমর্থন দিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে ২০ ডিসেম্বর জাফরকে চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
চকরিয়া পৌরসভার একটি নির্বাচনী উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জাফর। সেখানে তিনি ইবরাহিমকে বহিরাগত বলে বক্তব্য দেন। চকরিয়া পৌরসভার আরেক পথসভায় জাফরের নাম উল্লেখ না করে ইবরাহিম বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি, পরে শান্তিবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলাম। এখানে না কি শান্তিবাহিনীর চেয়ে বড় সন্ত্রাসী বাহিনী আছে। চকরিয়া-পেকুয়ায় এবার শান্তি প্রতিষ্ঠা করে সাজিয়ে দেব। চাঁদাবাজি-দখলবাজি, চিংড়িঘের দখল ও শোষণবাজ বিতাড়িত করতে যা করতে হয়, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে করব। শুনেছি, অনেক কষ্ট করে লোকজন গরু পালন করেন, সেই গরু চুরি হয়ে যায়। কারা এসব চুরি করেন, তাঁদের দমন করা হবে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতিবছর রাকসু ও হল সংসদ ফি আদায় করা হলেও সেই অর্থ ব্যয়ের নেই সুস্পষ্ট নীতিমালা। এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিনের জমা অর্থের বড় একটি অংশ বর্তমান রাকসুর মেয়াদেই ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের দেওয়া বয়ানের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের তথ্য, বাদীর বক্তব্য এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় কিছু অসংগতি দেখা দিয়েছে। এজাহারের সময় নিয়েও রয়েছে গরমিল। আর বাদী বলছেন, এজাহারে কী আছে, তিনি জানেন না।
৬ ঘণ্টা আগে
খুলনা মহানগরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করায় তা মোকাবিলা নিয়ে বিএনপি ও খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছে। মহানগর বিএনপি গত সোমবার জরুরি সভায় এই পরিস্থিতির জন্য কেসিসির ‘ব্যর্থতাকে’ দায়ী করা হয়। এর পরদিন গতকাল মঙ্গলবার সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির...
৬ ঘণ্টা আগে
রাজধানী ঢাকায় বৃক্ষরোপণে ও সবুজায়ন বাড়াতে এক দশকে শতকোটি টাকার বেশি খরচ করা হয়েছে। কিন্তু পরিবেশবিষয়ক বেসরকারি সংস্থা ক্যাপসের গবেষণা বলছে, এই সময়ে ঢাকায় গাছপালা আচ্ছাদিত সবুজ এলাকা কমেছে ৩১ শতাংশের বেশি। ১০ বছর আগে ঢাকায় সবুজ এলাকা ছিল ১২ দশমিক ৫২ শতাংশ, বর্তমানে তা ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে